এমন একটা ফাইনাল হলে হয়! একেবারে একতরফা, একপেশে! উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল দেখার আশায় গুড়ে বালি ঢেলে
দিলেন সাকিবরাই। তাঁদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স
অলআউট হয়ে গেল মাত্র ৯৩ রানে। জবাবে ক্রিস গেইলের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৪৩ বল
আর ৯ উইকেট হাতে রেখেই জিতে গেল জ্যামাইকা তালাওয়াস। সিপিএলে এটি
জ্যামাইকার দ্বিতীয় ট্রফি।
টুর্নামেন্টের সেরা দুটি দলই উঠেছিল ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে। গায়ানা এবার টুর্নামেন্টে দীর্ঘ সময় শীর্ষে ছিল। জ্যামাইকাও তো দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত করেছিল প্লে অফ। সেই প্লে অফে গায়ানা হারিয়েও দিয়েছিল জ্যামাইকাকে। সেটি ছিল গেইলের দলের টানা তৃতীয় পরাজয়। সেখান থেকেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল জ্যামাইকা।
নিজেদের দ্বিতীয় প্লে অফ জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর আজ যেন নিজেদের সেরাটাই উজাড় করে দিলেন সাকিবরা। জ্যামাইকার বোলিংয়ের উত্তরই খুঁজে পাচ্ছিল না গায়ানা। গত ম্যাচে ব্যাট হাতে নায়ক আন্দ্রে রাসেল আজ বোলিং করলেন অবিশ্বাস্য। ২.১ ওভারে দিলেন মাত্র ৫ রান। ইমাদ ওয়াসিম ৪ ওভারে ২১ রানে নিলেন ২ উইকেট। আর সাকিব ২৫ রানে নিলেন ২ উইকেট।
সোহেল তানভীরের ৪২, ডোয়াইন স্মিথের ১৭ আর ক্রিস্টোফার ব্রানওয়েলের ১০ ছাড়া গায়ানার আর কেউ দুই অঙ্কই ছুঁতে পারেনি।
৯৪ রানের লক্ষ্য দিয়েই গুটিয়ে যান অ্যামাজনের যোদ্ধারা। কিন্তু গেইলের দিনে এই রান যে তাঁর একারই যথেষ্ট! অধিনায়ক নিজে ২৭ বলে করলেন ৫৪। শুধু তাঁর উইকেটটি হারিয়েই লক্ষ্যে চলে যায় জ্যামাইকা। ওয়ালটন ২৫ আর সাঙ্গাকারা ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এ নিয়ে তিনবার রানার্সআপ হলো গায়ানা। ২০১৩ সালে তাদের হারিয়েই প্রথম ট্রফি জিতেছিল জ্যামাইকা।
http://www.prothom-alo.com
টুর্নামেন্টের সেরা দুটি দলই উঠেছিল ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে। গায়ানা এবার টুর্নামেন্টে দীর্ঘ সময় শীর্ষে ছিল। জ্যামাইকাও তো দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত করেছিল প্লে অফ। সেই প্লে অফে গায়ানা হারিয়েও দিয়েছিল জ্যামাইকাকে। সেটি ছিল গেইলের দলের টানা তৃতীয় পরাজয়। সেখান থেকেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল জ্যামাইকা।
নিজেদের দ্বিতীয় প্লে অফ জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর আজ যেন নিজেদের সেরাটাই উজাড় করে দিলেন সাকিবরা। জ্যামাইকার বোলিংয়ের উত্তরই খুঁজে পাচ্ছিল না গায়ানা। গত ম্যাচে ব্যাট হাতে নায়ক আন্দ্রে রাসেল আজ বোলিং করলেন অবিশ্বাস্য। ২.১ ওভারে দিলেন মাত্র ৫ রান। ইমাদ ওয়াসিম ৪ ওভারে ২১ রানে নিলেন ২ উইকেট। আর সাকিব ২৫ রানে নিলেন ২ উইকেট।
সোহেল তানভীরের ৪২, ডোয়াইন স্মিথের ১৭ আর ক্রিস্টোফার ব্রানওয়েলের ১০ ছাড়া গায়ানার আর কেউ দুই অঙ্কই ছুঁতে পারেনি।
৯৪ রানের লক্ষ্য দিয়েই গুটিয়ে যান অ্যামাজনের যোদ্ধারা। কিন্তু গেইলের দিনে এই রান যে তাঁর একারই যথেষ্ট! অধিনায়ক নিজে ২৭ বলে করলেন ৫৪। শুধু তাঁর উইকেটটি হারিয়েই লক্ষ্যে চলে যায় জ্যামাইকা। ওয়ালটন ২৫ আর সাঙ্গাকারা ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
এ নিয়ে তিনবার রানার্সআপ হলো গায়ানা। ২০১৩ সালে তাদের হারিয়েই প্রথম ট্রফি জিতেছিল জ্যামাইকা।
http://www.prothom-alo.com

No comments:
Post a Comment