ব্যাপারটা নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু করেছিল আইসিসি। টেস্ট ক্রিকেটের
জনপ্রিয়তা ফেরাতে দেওয়া হয়েছে দ্বিস্তর ক্রিকেটের প্রস্তাব। তবে সেটি আলোর
মুখ দেখবে কি না, তা পড়ে গেছে সংশয়ে। নানাভাবে এর বিরুদ্ধে নিজেদের
অবস্থানের কথা জানানোর পর এবার বেশ জোরালোভাবে নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে
দিল ভারত। ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী বোর্ড বিসিসিআইয়ের সভাপতি অনুরাগ
ঠাকুর নাকচ করে দিয়েছেন এই প্রস্তাব। চার দিনের টেস্টও তিনি চান না।
অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, ‘আপনার সামনে যদি কোনো স্বীকৃত ও ত্রুটি-বিচ্যুতিহীন ফরম্যাটই না থাকে, তাহলে একটি খেলাকে আপনি এগিয়ে নেবেন কীভাবে? আমার মনে হয়, এই দ্বিস্তর টেস্ট ক্রিকেটের ভাবনার মধ্যেই আমাদের প্রবেশ করা উচিত নয়। আমাদের টেস্ট ক্রিকেটের আসল সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। টেস্টের সমস্যাটা কী? এর দৈর্ঘ্য? মানুষের হাতে সময়ের অভাব? আমরা কেন টেস্টে দর্শক পাচ্ছি না? এগুলোই আসলে বিশ্লেষণ হওয়া দরকার।’
অন্য খেলাগুলোর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাও টেস্ট ক্রিকেটকে পেছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে ধারণা অনুরাগের, ‘আমার মনে হয় অন্য খেলাগুলোর দর্শক বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটই টেস্টের জনপ্রিয়তার মূল বাধা। নিজেদেরই জিজ্ঞেস করুন, ফুটবল খেলাটি কতক্ষণে শেষ হয়! হকি, আমেরিকান ফুটবল, রাগবি—যে খেলাগুলোর প্রতিটিই দুই ঘণ্টা সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণ যে টি-টোয়েন্টি, সেটাও শেষ হতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। এটা একটা কারণ হতে পারে।’
বদলে যাওয়া প্রজন্মও টেস্ট ক্রিকেটের একটা বড় সমস্যা বলে মনে করেন অনুরাগ, ‘ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে টেস্ট ক্রিকেটের দর্শক কারা? এঁদের গড় বয়স কত? ভারত তরুণদের দেশ। আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর বিরাট একটা অংশ তরুণ। এই তরুণেরা, টেস্ট দেখবে, নাকি ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি দেখবে—এটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার। আপনার কাছে বিভিন্ন পণ্য আছে, ক্রেতাদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন তারা কোনটা কিনবে! আমাদের উচিত টেস্ট ক্রিকেটের সমস্যাগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখা।’
গত জুনে স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় আইসিসির বার্ষিক সভায় এই প্রস্তাব একরকম পাসই হয়ে যেতে বসেছিল। বাংলাদেশ এর জোর বিরোধিতা করেছিল। শ্রীলঙ্কাও এগিয়ে এসেছিল এর বিরোধিতায়। দ্বিস্তর ধারণা চাপ পড়ে যায় ক্রিকেটের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ ভারতের বিরোধিতার মুখে। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ড এখনো অটল নিজেদের অবস্থানে see more
Info : .Prothom-alo.
অনুরাগ ঠাকুর বলেছেন, ‘আপনার সামনে যদি কোনো স্বীকৃত ও ত্রুটি-বিচ্যুতিহীন ফরম্যাটই না থাকে, তাহলে একটি খেলাকে আপনি এগিয়ে নেবেন কীভাবে? আমার মনে হয়, এই দ্বিস্তর টেস্ট ক্রিকেটের ভাবনার মধ্যেই আমাদের প্রবেশ করা উচিত নয়। আমাদের টেস্ট ক্রিকেটের আসল সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। টেস্টের সমস্যাটা কী? এর দৈর্ঘ্য? মানুষের হাতে সময়ের অভাব? আমরা কেন টেস্টে দর্শক পাচ্ছি না? এগুলোই আসলে বিশ্লেষণ হওয়া দরকার।’
অন্য খেলাগুলোর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাও টেস্ট ক্রিকেটকে পেছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে ধারণা অনুরাগের, ‘আমার মনে হয় অন্য খেলাগুলোর দর্শক বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটই টেস্টের জনপ্রিয়তার মূল বাধা। নিজেদেরই জিজ্ঞেস করুন, ফুটবল খেলাটি কতক্ষণে শেষ হয়! হকি, আমেরিকান ফুটবল, রাগবি—যে খেলাগুলোর প্রতিটিই দুই ঘণ্টা সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণ যে টি-টোয়েন্টি, সেটাও শেষ হতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। এটা একটা কারণ হতে পারে।’
বদলে যাওয়া প্রজন্মও টেস্ট ক্রিকেটের একটা বড় সমস্যা বলে মনে করেন অনুরাগ, ‘ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে টেস্ট ক্রিকেটের দর্শক কারা? এঁদের গড় বয়স কত? ভারত তরুণদের দেশ। আমাদের দেশের জনগোষ্ঠীর বিরাট একটা অংশ তরুণ। এই তরুণেরা, টেস্ট দেখবে, নাকি ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি দেখবে—এটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার। আপনার কাছে বিভিন্ন পণ্য আছে, ক্রেতাদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন তারা কোনটা কিনবে! আমাদের উচিত টেস্ট ক্রিকেটের সমস্যাগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখা।’
গত জুনে স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় আইসিসির বার্ষিক সভায় এই প্রস্তাব একরকম পাসই হয়ে যেতে বসেছিল। বাংলাদেশ এর জোর বিরোধিতা করেছিল। শ্রীলঙ্কাও এগিয়ে এসেছিল এর বিরোধিতায়। দ্বিস্তর ধারণা চাপ পড়ে যায় ক্রিকেটের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ ভারতের বিরোধিতার মুখে। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ড এখনো অটল নিজেদের অবস্থানে see more
Info : .Prothom-alo.

No comments:
Post a Comment