২০০ কোটি বছর আগের শুক্র গ্রহের সঙ্গে এখনকার শুক্রকে মেলানো যাবে না।
এখনকার শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ৪৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে কোনো
বাষ্পের অস্তিত্ব পর্যন্ত নেই। অতীতে এই শুক্র গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল
বলে ধারণা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা।
নাসার গবেষকদের মতে, ২০০ কোটি বছর আগে গ্রহটিতে তরল পানির সমুদ্র ছিল। সেই সঙ্গে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রাণ ধারণের উপযোগী ছিল।
নাসার গোডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের গবেষকেরা কম্পিউটার মডেল তৈরি করে গ্রহটির অতীত আবহাওয়ামণ্ডলের চিত্র তৈরি করেছেন।
গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার’ সাময়িকীতে।
গবেষণা নিবন্ধের লেখক মাইকেল ওয়ে বলেন, ‘পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তনের মডেল তৈরিতে যেসব টুল ব্যবহার করা হয়, তা অন্য গ্রহের অতীত ও বর্তমান অবস্থা জানতে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এখনকার শুক্র গ্রহ অতীতে অন্য রকম স্থান ছিল।
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা করেন, পৃথিবীর মতোই উপাদান দিয়ে শুক্র তৈরি। তবে বিবর্তনের পথ আলাদা। ১৯৮০ সালে নাসার পাঠানো পাওনিয়ার মিশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্র গ্রহে সমুদ্র ছিল see more
Info : prothom-alo
নাসার গবেষকদের মতে, ২০০ কোটি বছর আগে গ্রহটিতে তরল পানির সমুদ্র ছিল। সেই সঙ্গে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রাণ ধারণের উপযোগী ছিল।
নাসার গোডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজের গবেষকেরা কম্পিউটার মডেল তৈরি করে গ্রহটির অতীত আবহাওয়ামণ্ডলের চিত্র তৈরি করেছেন।
গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার’ সাময়িকীতে।
গবেষণা নিবন্ধের লেখক মাইকেল ওয়ে বলেন, ‘পৃথিবীতে জলবায়ু পরিবর্তনের মডেল তৈরিতে যেসব টুল ব্যবহার করা হয়, তা অন্য গ্রহের অতীত ও বর্তমান অবস্থা জানতে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এখনকার শুক্র গ্রহ অতীতে অন্য রকম স্থান ছিল।
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা করেন, পৃথিবীর মতোই উপাদান দিয়ে শুক্র তৈরি। তবে বিবর্তনের পথ আলাদা। ১৯৮০ সালে নাসার পাঠানো পাওনিয়ার মিশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্র গ্রহে সমুদ্র ছিল see more
Info : prothom-alo

No comments:
Post a Comment