আজ থেকে ছয় বছর আগে, খুব গোপনে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি)
একজন অফিস করণিকের কক্ষে অধিনায়কত্বের প্রস্তাব পেয়েছিলেন মিসবাহ-উল-হক!
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইটে লেখা নিজের কলামে পাকিস্তানের টেস্ট
অধিনায়ক বলেছেন, ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে সে সময়কার অধিনায়ক
সালমান বাটসহ আরও দুই খেলোয়াড় মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির নিষিদ্ধ হওয়ার
পর কঠিন এক পরিস্থিতিতে তাঁকে খুব গোপনে অধিনায়কত্বের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সেই ঘটনাটির কথা বলতে গিয়ে মিসবাহ লিখেছেন, ‘পিসিবির সে সময়কার চেয়ারম্যান ইজাজ বাট চেয়েছিলেন ব্যাপারটা গোপন রাখতে। এটা হয়েছিল পিসিবির একজন অফিস করণিকের কক্ষে। যেহেতু এটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার, আমিও ব্যাপারটা তখন গোপন রেখেছিলাম। আমার পরিবারকেও তখন জানাইনি বিষয়টা।’
মিসবাহর দাবি, বাট নাকি বলেছিলেন, তাঁকে অধিনায়ক করা ছাড়া বাটের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। এই জন্যই প্রস্তাবটা গ্রহণ করেছিলেন মিসবাহ।
স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি যখন পাকিস্তান ক্রিকেটকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, তখন আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে দলটির অবস্থান ছিল ছয়। ২০১০ থেকে ২০১৬, মাত্র ছয় বছরের মাথাতেই সেই পাকিস্তানের র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে স্থানে উঠে আসাটা নিঃসন্দেহে দারুণ ব্যাপার। এই সাফল্যের নেপথ্য নায়ক হিসেবে বড় কৃতিত্বই পাচ্ছেন অধিনায়ক মিসবাহ।
মিসবাহ নিজেও দারুণ উচ্ছ্বসিত পাকিস্তানের এই সাফল্যে, ‘আমি খুবই খুশি যে আমরা লড়াই করেই দেশের মানুষের জন্য দারুণ একটা উদ্যাপনের মুহূর্ত এনে দিয়েছি।’ এটাকে বিশ্বকাপ জয়ের মতোই সাফল্য হিসেবে দেখতে চান মিসবাহ, ‘এটা বিশ্বকাপ জয়ের মতোই একটা সাফল্য। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে যাওয়া মানে পর্বতের শীর্ষারোহণ। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ই সেটা করতে চেয়েছে। কয় দিনের জন্য শীর্ষে থাকা যাবে—এটা বড় কোনো ব্যাপার নয়। বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট দল হওয়ার এই বিষয়টি ভবিষ্যতে খেলোয়াড়দের দারুণ অনুপ্রেরণা জোগাবে see more
Info : Prothom-alo.
সেই ঘটনাটির কথা বলতে গিয়ে মিসবাহ লিখেছেন, ‘পিসিবির সে সময়কার চেয়ারম্যান ইজাজ বাট চেয়েছিলেন ব্যাপারটা গোপন রাখতে। এটা হয়েছিল পিসিবির একজন অফিস করণিকের কক্ষে। যেহেতু এটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপার, আমিও ব্যাপারটা তখন গোপন রেখেছিলাম। আমার পরিবারকেও তখন জানাইনি বিষয়টা।’
মিসবাহর দাবি, বাট নাকি বলেছিলেন, তাঁকে অধিনায়ক করা ছাড়া বাটের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। এই জন্যই প্রস্তাবটা গ্রহণ করেছিলেন মিসবাহ।
স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি যখন পাকিস্তান ক্রিকেটকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, তখন আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে দলটির অবস্থান ছিল ছয়। ২০১০ থেকে ২০১৬, মাত্র ছয় বছরের মাথাতেই সেই পাকিস্তানের র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে স্থানে উঠে আসাটা নিঃসন্দেহে দারুণ ব্যাপার। এই সাফল্যের নেপথ্য নায়ক হিসেবে বড় কৃতিত্বই পাচ্ছেন অধিনায়ক মিসবাহ।
মিসবাহ নিজেও দারুণ উচ্ছ্বসিত পাকিস্তানের এই সাফল্যে, ‘আমি খুবই খুশি যে আমরা লড়াই করেই দেশের মানুষের জন্য দারুণ একটা উদ্যাপনের মুহূর্ত এনে দিয়েছি।’ এটাকে বিশ্বকাপ জয়ের মতোই সাফল্য হিসেবে দেখতে চান মিসবাহ, ‘এটা বিশ্বকাপ জয়ের মতোই একটা সাফল্য। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে যাওয়া মানে পর্বতের শীর্ষারোহণ। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ই সেটা করতে চেয়েছে। কয় দিনের জন্য শীর্ষে থাকা যাবে—এটা বড় কোনো ব্যাপার নয়। বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট দল হওয়ার এই বিষয়টি ভবিষ্যতে খেলোয়াড়দের দারুণ অনুপ্রেরণা জোগাবে see more
Info : Prothom-alo.

No comments:
Post a Comment