জিততে হলে বিশ্ব রেকর্ড করতে হতো পাকিস্তানকে। করতে হতো ৪৪৫ রান। রীতিমতো পর্বতারোহণের মতোই ব্যাপার। পাকিস্তান তা করতে পারেনি। ইংল্যান্ডের ‘বিশ্ব রেকর্ড’ ৪৪৪ রানের জবাব দিতে গিয়ে তারা থেমেছে ২৭৫ রানেই। ১৬৯ রানের হারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটাও হাতছাড়া হয়ে গেছে পাকিস্তানের। দুই ম্যাচ বাকি থাকতে ইংল্যান্ড সিরিজে এগিয়ে ৩-০ ব্যবধানে।
ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যালেক্স হেলসের সর্বোচ্চ রানের স্কোরে (১৭১) পাকিস্তানের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছে ইংল্যান্ড। হেলসের ইনিংসের সঙ্গে জো রুটের ৮৫ আর জশ বাটলার ও এউইন মরগানের অপরাজিত ৯০ ও ৫৭ রানের দুটো ইনিংসে রান পর্বতের চূড়ায় পৌঁছে যায়। ইংল্যান্ডের ইনিংসে পাকিস্তানের পক্ষে ‘সেঞ্চুরি’ করেন ওয়াহাব রিয়াজ। ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের দাপটে নিজের ১০ ওভারে ১১০ রান খরচ করে উইকেটশূন্য ছিলেন পাকিস্তানের এই পেসার। ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের পক্ষে এটাই কোনো বোলারের রান-খরচের সেঞ্চুরির একমাত্র রেকর্ড। রিয়াজের পাশাপাশি সত্তরের ওপর রান দিয়েছেন হাসান আলী ও মোহাম্মদ আমির। আমির উইকেট না পেলেও আলী নিয়েছেন ২ উইকেট। ৬২ রানে ১ উইকেট নেন মোহাম্মদ নাওয়াজ।
৪৪৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আসলে দলে অ্যালেক্স হেলসের মতো কাউকে খুঁজে পেতে হতো পাকিস্তানের। হেলস তো কেউ হতেই পারেননি, নিদেনপক্ষে জো রুট কিংবা জশ বাটলারও হতে পারেননি কোনো পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ফিফটি করেছেন মোহাম্মদ আমির। বল হাতে কিছু করতে না পারলেও ব্যাট হাতে কিছু করে দেখাতে চেয়েছেন। আরেকটি ফিফটি শারজিল খানের—৫৮। আমিরের সংগ্রহও ৫৮। এ ছাড়া সরফরাজ আহমেদ ৩৮, মোহাম্মদ নাওয়াজ ৩৪, ওয়াহাব রিয়াজ ১৪ ও ইয়াসির শাহর ২৬ রানের ইনিংস পরাজয়ের ব্যবধানটাই কেবল কমিয়েছে। ৪৪.৪ ওভারেই শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস।
ইংল্যান্ডের হয়ে দারুণ বল করেছেন ক্রিস ওকস—৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আদিল রশিদ নিয়েছেন ২ উইকেট। পাশাপাশি মার্ক উড, লিয়াম প্লাংকেট, বেন স্টোকস ও মঈন আলী see more
Info : .Prothom-alo.

No comments:
Post a Comment