আগামী অক্টোবরে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা ইংল্যান্ড
দলের। গত জুলাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পর সফরকে ঘিরে একধরনের অনিশ্চয়তা। তবে
আশার আলো দেখালেন ইংল্যান্ডের সহকারী কোচ পল ফারব্রেস। সংবাদমাধ্যমে
প্রকাশিত নেতিবাচক খবরগুলো সত্যি নয় বলে জানিয়ে দিলেন। এই আভাসও দিলেন,
তিনি নিজে সফর বাতিলের পক্ষে নন।
কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশ সফর থেকে কোনো খেলোয়াড় সরে যেতে চাইলে ইসিবি বাধা দেবে না। এমনও লেখা হয়েছে, বোর্ডের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সবুজ সংকেত দেওয়ার পরও যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই সফরে অনাগ্রহী থাকেন, তাহলেও তাঁকে জোর করে সফরে পাঠাবে না ইসিবি। তবে এসব খবরকেই ‘আগাম’ বলে বাতিল করে দিয়েছেন ফারব্রেস। বলেছেন, এই সফর নিয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য না করার ব্যাপারেই বরং সিদ্ধান্ত হয়েছে তাঁদের মধ্যে।
ফারব্রেস বলেছেন, এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ই বলেনি যে তাঁরা এই সফরে যেতে অনাগ্রহী। ফলে এসব নিয়ে পত্রিকায় যা লেখা হচ্ছে, সেটি ‘প্রিম্যাচিউর’। কারণ, এখন পর্যন্ত ইসিবি নিজেই নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেনি। ইসিবির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশ সফরে আসবে কিছুদিনের মধ্যেই। তাদের প্রতিবেদন দেখার পরই ইসিবি সিদ্ধান্ত নেবে।
শুধু বাংলাদেশ নয়, নিরাপত্তা ইস্যুটি এখন সারা বিশ্বের। বরং বাংলাদেশের জন্য এ ধরনের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অভিজ্ঞতা অনেকটা নতুন। বাংলাদেশ সফরের পরপরই ইংল্যান্ড ভারত সফরে যাবে। এই ভারত সফরের মাঝপথে সন্ত্রাসী হামলার কারণে দেশে ফিরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ইংল্যান্ডের জন্য খুব পুরোনো নয়। ইসিবির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রেগ ডিকাসন এখন ভারতে আছেন। সেখানে খেলোয়াড়দের সংগঠনের প্রধান নির্বাহী ডেভিড লিথারডেল, ইসিবির ক্রিকেট অপারেশনস পরিচালক জন কারও আছেন। ভারতের বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন করছেন তাঁরা।
এই দলটাই কদিনের মধ্যে বাংলাদেশে আসবে। এর আগে ইংল্যান্ডের সহকারী কোচ পল ফারব্রেস সংবাদমাধ্যমের কিছু খবরকে স্রেফ অনুমাননির্ভর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, ‘খেলোয়াড়দের এই সফর থেকে স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া কি না, এ ধরনের কোনো আলোচনাই এখনো হয়নি। টেস্ট ও ওয়ানডে দল কেমন হতে পারে, এ ব্যাপারে ১০-১২ দিন আগে আমরা একটা আলোচনা করেছিলাম। তখনই ঠিক করেছি, নিরাপত্তা পরিদর্শন দল দেশে ফিরে প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আমরা কোনো কথা বলব না।’
ফারব্রেস নিজে ক্রিকেট দলের ওপর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যক্ষদর্শী। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের বাসেই ছিলেন তিনি। তাঁর কথায় ইঙ্গিত আছে, সন্ত্রাসীদের ভয়ে কোনো সফর বাতিল করার পক্ষে তিনি নন, ‘সফর বাতিল করা হবে অনেক বড় একটা সিদ্ধান্ত। কোনো দল যে পাকিস্তানে যাচ্ছে না, এও ভয়াবহ লজ্জার। লাহোরের সেই বাসে আমিও ছিলাম। ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছি। খেলোয়াড় ও কর্মীদের নিরাপত্তা সবার আগে। কিন্তু কোনো সফর বাতিল করা অনেক বড় একটা সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশও উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে আছে আমরা যেন যাই।’
http://www.prothom-alo.com
কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশ সফর থেকে কোনো খেলোয়াড় সরে যেতে চাইলে ইসিবি বাধা দেবে না। এমনও লেখা হয়েছে, বোর্ডের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সবুজ সংকেত দেওয়ার পরও যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই সফরে অনাগ্রহী থাকেন, তাহলেও তাঁকে জোর করে সফরে পাঠাবে না ইসিবি। তবে এসব খবরকেই ‘আগাম’ বলে বাতিল করে দিয়েছেন ফারব্রেস। বলেছেন, এই সফর নিয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য না করার ব্যাপারেই বরং সিদ্ধান্ত হয়েছে তাঁদের মধ্যে।
ফারব্রেস বলেছেন, এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ই বলেনি যে তাঁরা এই সফরে যেতে অনাগ্রহী। ফলে এসব নিয়ে পত্রিকায় যা লেখা হচ্ছে, সেটি ‘প্রিম্যাচিউর’। কারণ, এখন পর্যন্ত ইসিবি নিজেই নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেনি। ইসিবির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশ সফরে আসবে কিছুদিনের মধ্যেই। তাদের প্রতিবেদন দেখার পরই ইসিবি সিদ্ধান্ত নেবে।
শুধু বাংলাদেশ নয়, নিরাপত্তা ইস্যুটি এখন সারা বিশ্বের। বরং বাংলাদেশের জন্য এ ধরনের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অভিজ্ঞতা অনেকটা নতুন। বাংলাদেশ সফরের পরপরই ইংল্যান্ড ভারত সফরে যাবে। এই ভারত সফরের মাঝপথে সন্ত্রাসী হামলার কারণে দেশে ফিরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ইংল্যান্ডের জন্য খুব পুরোনো নয়। ইসিবির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রেগ ডিকাসন এখন ভারতে আছেন। সেখানে খেলোয়াড়দের সংগঠনের প্রধান নির্বাহী ডেভিড লিথারডেল, ইসিবির ক্রিকেট অপারেশনস পরিচালক জন কারও আছেন। ভারতের বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন করছেন তাঁরা।
এই দলটাই কদিনের মধ্যে বাংলাদেশে আসবে। এর আগে ইংল্যান্ডের সহকারী কোচ পল ফারব্রেস সংবাদমাধ্যমের কিছু খবরকে স্রেফ অনুমাননির্ভর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন, ‘খেলোয়াড়দের এই সফর থেকে স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া কি না, এ ধরনের কোনো আলোচনাই এখনো হয়নি। টেস্ট ও ওয়ানডে দল কেমন হতে পারে, এ ব্যাপারে ১০-১২ দিন আগে আমরা একটা আলোচনা করেছিলাম। তখনই ঠিক করেছি, নিরাপত্তা পরিদর্শন দল দেশে ফিরে প্রতিবেদন না দেওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে আমরা কোনো কথা বলব না।’
ফারব্রেস নিজে ক্রিকেট দলের ওপর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যক্ষদর্শী। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের বাসেই ছিলেন তিনি। তাঁর কথায় ইঙ্গিত আছে, সন্ত্রাসীদের ভয়ে কোনো সফর বাতিল করার পক্ষে তিনি নন, ‘সফর বাতিল করা হবে অনেক বড় একটা সিদ্ধান্ত। কোনো দল যে পাকিস্তানে যাচ্ছে না, এও ভয়াবহ লজ্জার। লাহোরের সেই বাসে আমিও ছিলাম। ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছি। খেলোয়াড় ও কর্মীদের নিরাপত্তা সবার আগে। কিন্তু কোনো সফর বাতিল করা অনেক বড় একটা সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশও উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে আছে আমরা যেন যাই।’
http://www.prothom-alo.com

No comments:
Post a Comment