অবশেষে কত দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বপ্নপূরণ হলো ব্রাজিলের। সেই
স্বপ্নযাত্রার নায়ক তো অবশ্যই নেইমার। ম্যাচে ব্রাজিলের গোলটি তাঁর। জয়
নিশ্চিত করা টাইব্রেকারের শটটিও। কিন্তু যদি ওয়েভারটন না থাকতেন!
ব্রাজিলের এই অচেনা-অখ্যাত গোলরক্ষকও তো ম্যাচের নায়ক। মারাকানায় আরও একটি শোকগাথা রচিত হতেও পারত, যদি টাইব্রেকারে বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে নিলস পিটারসেনের শটটা ঠেকাতে ব্যর্থ হতেন ওয়েভারটন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাই লিখেছে, এবারের অলিম্পিক সারা বিশ্বের কাছে হয়তো অন্য অনেকভাবেই মনে থাকবে। কিন্তু ব্রাজিলের মানুষ এবারের অলিম্পিক ফেল্প্স বা বোল্টের জন্য নয়; এমনকি পোল ভল্টে ব্রাজিলকে অপ্রত্যাশিত সোনা এনে দেওয়া ব্রাজ ডা সিলভাও নয়; মনে রাখবে প্রায় অচেনা গোলরক্ষক ওয়েভারটনের জন্য, একদম শেষ মুহূর্তে অপ্রত্যাশিতভাবে দলে জায়গা পেয়েছিলেন যিনি।
আসলেই তা-ই। ব্রাজিলের অলিম্পিকের আসল হিরোর আসলে অলিম্পিকে খেলারই কথা ছিল না। নিয়মিত গোলরক্ষক ফার্নান্দো প্রাস চোটে পড়লে বদলি হিসেবে অলিম্পিক শুরুর কদিন আগে তাঁকে নেওয়া হয়। অনেকে চমকে গিয়েছিল তাঁকে দলে দেখে। বাকিদের কথা বাদই দিন, খোদ ওয়েভারটনই যে চমকে গিয়েছিলেন অপ্রত্যাশিত এই ডাক পেয়ে।
ব্রাজিলের হয়ে এখনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সৌভাগ্য হয়নি। এই অলিম্পিক সাফল্য জাতীয় দলের দুয়ার খুলে দেবে কি না কে জানে। অলিম্পিক দলের অনেকেরই শেষ পর্যন্ত আর সিনিয়র পর্যায়ে বড় সাফল্য পাওয়া হয় না। সেই ভিড়ে ওয়েভারটন যদি থাকেনও, তবু আক্ষেপ নেই তাঁর। আজ থেকে বহু বছর পরও যখন মানুষ মনে করবে, ব্রাজিলের ধাঁধা হয়ে থাকা অলিম্পিক রহস্যের জট খুলে দিয়েছিলেন কে, অনেকে বলবে তাঁরও নাম।
ব্রাজিলের ঘরোয়া ফুটবলেও বড় তারকা তিনি নন। করিন্থিয়ানসের মতো ক্লাবে যুব ক্যারিয়ার শুরু হলেও সিনিয়র দলে নিজের শক্ত জায়গা করে নিতে পারেননি। ধারে এ ক্লাবে সে ক্লাবে খেলার পর দল পাল্টে ভিড়ে গিয়েছিলেন বোটাফোগোতে। সেখানেও সুবিধা করতে না পেরে নাম লেখান পর্তুগিজায়। চার বছর ধরে খেলছেন পারানায়েন্সেতে। এটিও ব্রাজিলের সেরা ১০ ক্লাবের মধ্যে নেই। অলিম্পিকে না খেললে ব্রাজিলের সাধারণ মানুষও হয়তো see more
Info: prothom-alo
ব্রাজিলের এই অচেনা-অখ্যাত গোলরক্ষকও তো ম্যাচের নায়ক। মারাকানায় আরও একটি শোকগাথা রচিত হতেও পারত, যদি টাইব্রেকারে বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে নিলস পিটারসেনের শটটা ঠেকাতে ব্যর্থ হতেন ওয়েভারটন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাই লিখেছে, এবারের অলিম্পিক সারা বিশ্বের কাছে হয়তো অন্য অনেকভাবেই মনে থাকবে। কিন্তু ব্রাজিলের মানুষ এবারের অলিম্পিক ফেল্প্স বা বোল্টের জন্য নয়; এমনকি পোল ভল্টে ব্রাজিলকে অপ্রত্যাশিত সোনা এনে দেওয়া ব্রাজ ডা সিলভাও নয়; মনে রাখবে প্রায় অচেনা গোলরক্ষক ওয়েভারটনের জন্য, একদম শেষ মুহূর্তে অপ্রত্যাশিতভাবে দলে জায়গা পেয়েছিলেন যিনি।
আসলেই তা-ই। ব্রাজিলের অলিম্পিকের আসল হিরোর আসলে অলিম্পিকে খেলারই কথা ছিল না। নিয়মিত গোলরক্ষক ফার্নান্দো প্রাস চোটে পড়লে বদলি হিসেবে অলিম্পিক শুরুর কদিন আগে তাঁকে নেওয়া হয়। অনেকে চমকে গিয়েছিল তাঁকে দলে দেখে। বাকিদের কথা বাদই দিন, খোদ ওয়েভারটনই যে চমকে গিয়েছিলেন অপ্রত্যাশিত এই ডাক পেয়ে।
ব্রাজিলের হয়ে এখনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সৌভাগ্য হয়নি। এই অলিম্পিক সাফল্য জাতীয় দলের দুয়ার খুলে দেবে কি না কে জানে। অলিম্পিক দলের অনেকেরই শেষ পর্যন্ত আর সিনিয়র পর্যায়ে বড় সাফল্য পাওয়া হয় না। সেই ভিড়ে ওয়েভারটন যদি থাকেনও, তবু আক্ষেপ নেই তাঁর। আজ থেকে বহু বছর পরও যখন মানুষ মনে করবে, ব্রাজিলের ধাঁধা হয়ে থাকা অলিম্পিক রহস্যের জট খুলে দিয়েছিলেন কে, অনেকে বলবে তাঁরও নাম।
ব্রাজিলের ঘরোয়া ফুটবলেও বড় তারকা তিনি নন। করিন্থিয়ানসের মতো ক্লাবে যুব ক্যারিয়ার শুরু হলেও সিনিয়র দলে নিজের শক্ত জায়গা করে নিতে পারেননি। ধারে এ ক্লাবে সে ক্লাবে খেলার পর দল পাল্টে ভিড়ে গিয়েছিলেন বোটাফোগোতে। সেখানেও সুবিধা করতে না পেরে নাম লেখান পর্তুগিজায়। চার বছর ধরে খেলছেন পারানায়েন্সেতে। এটিও ব্রাজিলের সেরা ১০ ক্লাবের মধ্যে নেই। অলিম্পিকে না খেললে ব্রাজিলের সাধারণ মানুষও হয়তো see more
Info: prothom-alo

No comments:
Post a Comment