কিউরিয়াস কেস অব পাকিস্তান! টেস্টে পাকিস্তান এখন বিশ্বের সেরা দল।
র্যাঙ্কিং তা-ই বলছে। শুধু তা-ই নয়, পাকিস্তানকে সবাই বাড়তি স্যালুট করছে
এই জন্য, দলটি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছে নিজেদের দেশে প্রায় নয় বছর ধরে
না খেলেই! এই একই পাকিস্তান আবার ওয়ানডেতে পড়ে আছে ৯ নম্বরে! ওয়ানডে
র্যাঙ্কিংয়ের সেরা দশে থাকা টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সবার শেষে
অবস্থান পাকিস্তানের!
টেস্টে পাকিস্তান দলের এই এক নম্বরের উত্থান শুরু ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে। এ সময় তারা অবিশ্বাস্যভাবে ১৭ টেস্টের ১০টিতেই জিতেছে, হেরেছে মাত্র চারটি। বাকি তিনটি টেস্ট ড্র।
২০১৪ সালের অক্টোবর থেকেই ওয়ানডেতে নিষ্পন্ন হওয়া ৩৮ ম্যাচের ২৩টিতেই হারা হেরেছে। জিতেছে ১৫টি। এ সময়ে অনুষ্ঠিত ১০টি সিরিজের সাতটিতেই হেরেছে পাকিস্তান। যে তিনটি সিরিজ জিতেছে, এর দুটি আবার ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এ সময়েই পাকিস্তান বাংলাদেশে এসে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয়ে গিয়েছিল। একই সময়ে ছয়টি টেস্ট সিরিজ খেলে একটিতেও পাকিস্তান হারেনি। চারটি টেস্ট সিরিজ জিতেছে, দুটি ড্র করেছে।
গত প্রায় দুই বছরের এই সময়টায় টেস্টে পাকিস্তানের ছয়জন ব্যাটসম্যান কমপক্ষে ১ হাজার রান করেছেন। ওয়ানডেতে করেছেন মাত্র একজন। টেস্টে এই সময়টায় ইয়াসির শাহ ১৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৯৫ উইকেট। সেই একই ইয়াসির শাহ ওয়ানডেতে এই সময়ে ১৪ ম্যাচে নিয়েছেন ১৬ উইকেট।
রঙিন পোশাকে বড্ড সাদামাটা, আর সাদা পোশাকে পাকিস্তানের রঙিন হয়ে ওঠার এই অদ্ভুত ধাঁধার সবচেয়ে বড় প্রতীক যেন ইয়াসির শাহই।
কেন এমন গোলমেলে সময় যাচ্ছে পাকিস্তানের? এর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং যথার্থ উত্তর সম্ভবত এটাই—দলের ভারসাম্য। টেস্টে পাকিস্তান অভিজ্ঞ ও তরুণ দলের মিশেলে অসাধারণ ভারসাম্যপূর্ণ এক দল। যে সময়ের কথা বলা হলো, এই সময়ে ইউনুস খান যেমন ১৮৪৬ রান করে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন টেস্ট দলে। মিসবাহ-উল–হকও এই সময়ে ১৭ টেস্টে করেছেন ১৩৪৯ রান। আবার এই সময়ে আজহার আলী, আসাদ শফিকের মতো তরুণেরাও টেস্ট দলে হাজার রানের বেশি জোগান দিয়েছেন। হাফিজ-সরফরাজের মতো তরুণ ও অভিজ্ঞদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করা খেলোয়াড়রাও পেয়েছেন হাজার রান।
ওয়ানডে দলে এই অভিজ্ঞতার ঘাটতিতে ভুগছে পাকিস্তান। কেবল হাফিজই এ সময়ে হাজার রান করেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৩৩ করেছেন সরফরাজ। মিসবাহ-ইউনুসরা আর ওয়ানডে দলের অংশ হয়ে নেই। একের পর এক ব্যর্থতার দায় নিয়ে আফ্রিদিকেও ছেঁটে ফেলা হয়েছে।
তবে এটাই ধাঁধার একমাত্র উত্তর নিশ্চয়ই নয়। আর দলটা পাকিস্তান বলেই হয়তো তাদের পক্ষেই এমনটা করা সম্ভব—টেস্টে সবার আগে, ওয়ানডেতে সবার শেষে! দ্য মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল টিম এভার see more
Info : Prothom-alo
টেস্টে পাকিস্তান দলের এই এক নম্বরের উত্থান শুরু ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে। এ সময় তারা অবিশ্বাস্যভাবে ১৭ টেস্টের ১০টিতেই জিতেছে, হেরেছে মাত্র চারটি। বাকি তিনটি টেস্ট ড্র।
২০১৪ সালের অক্টোবর থেকেই ওয়ানডেতে নিষ্পন্ন হওয়া ৩৮ ম্যাচের ২৩টিতেই হারা হেরেছে। জিতেছে ১৫টি। এ সময়ে অনুষ্ঠিত ১০টি সিরিজের সাতটিতেই হেরেছে পাকিস্তান। যে তিনটি সিরিজ জিতেছে, এর দুটি আবার ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এ সময়েই পাকিস্তান বাংলাদেশে এসে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয়ে গিয়েছিল। একই সময়ে ছয়টি টেস্ট সিরিজ খেলে একটিতেও পাকিস্তান হারেনি। চারটি টেস্ট সিরিজ জিতেছে, দুটি ড্র করেছে।
গত প্রায় দুই বছরের এই সময়টায় টেস্টে পাকিস্তানের ছয়জন ব্যাটসম্যান কমপক্ষে ১ হাজার রান করেছেন। ওয়ানডেতে করেছেন মাত্র একজন। টেস্টে এই সময়টায় ইয়াসির শাহ ১৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৯৫ উইকেট। সেই একই ইয়াসির শাহ ওয়ানডেতে এই সময়ে ১৪ ম্যাচে নিয়েছেন ১৬ উইকেট।
রঙিন পোশাকে বড্ড সাদামাটা, আর সাদা পোশাকে পাকিস্তানের রঙিন হয়ে ওঠার এই অদ্ভুত ধাঁধার সবচেয়ে বড় প্রতীক যেন ইয়াসির শাহই।
কেন এমন গোলমেলে সময় যাচ্ছে পাকিস্তানের? এর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং যথার্থ উত্তর সম্ভবত এটাই—দলের ভারসাম্য। টেস্টে পাকিস্তান অভিজ্ঞ ও তরুণ দলের মিশেলে অসাধারণ ভারসাম্যপূর্ণ এক দল। যে সময়ের কথা বলা হলো, এই সময়ে ইউনুস খান যেমন ১৮৪৬ রান করে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন টেস্ট দলে। মিসবাহ-উল–হকও এই সময়ে ১৭ টেস্টে করেছেন ১৩৪৯ রান। আবার এই সময়ে আজহার আলী, আসাদ শফিকের মতো তরুণেরাও টেস্ট দলে হাজার রানের বেশি জোগান দিয়েছেন। হাফিজ-সরফরাজের মতো তরুণ ও অভিজ্ঞদের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করা খেলোয়াড়রাও পেয়েছেন হাজার রান।
ওয়ানডে দলে এই অভিজ্ঞতার ঘাটতিতে ভুগছে পাকিস্তান। কেবল হাফিজই এ সময়ে হাজার রান করেছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৩৩ করেছেন সরফরাজ। মিসবাহ-ইউনুসরা আর ওয়ানডে দলের অংশ হয়ে নেই। একের পর এক ব্যর্থতার দায় নিয়ে আফ্রিদিকেও ছেঁটে ফেলা হয়েছে।
তবে এটাই ধাঁধার একমাত্র উত্তর নিশ্চয়ই নয়। আর দলটা পাকিস্তান বলেই হয়তো তাদের পক্ষেই এমনটা করা সম্ভব—টেস্টে সবার আগে, ওয়ানডেতে সবার শেষে! দ্য মোস্ট আনপ্রেডিক্টেবল টিম এভার see more
Info : Prothom-alo

No comments:
Post a Comment