পার্থ টেস্টটা কী আয়েশ করেই না জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
১৭৭ রানের জয়টাও বোঝাতে পারছে না দুই দলের আসল ব্যবধান। এই পরাজয়ে তো
চূর্ণ হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ২৮ বছরের দর্প। ১৯৮৮ সালের পর অস্ট্রেলিয়ান
গ্রীষ্মের প্রথম টেস্টে হারল স্বাগতিক দল।
অথচ শুক্রবার সকালে ডান কাঁধটা চেপে ধরে যখন মাঠ ছেড়েছিলেন ডেল স্টেইন, তখনই টেস্টের ফলটা অস্ট্রেলিয়ার অনুকূলেই দেখছিল সবাই। এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়া খেলতে এসে প্রথম ইনিংসে ২৪২ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা। ১ উইকেেট অস্ট্রেলিয়ার রান ১৬৬, প্রোটিয়াদের মূল বোলিং অস্ত্রও মাঠের বাইরে। স্বাগতিকদের জয় ছাড়া আসলেই আর কিছু ভাবা যাচ্ছিল না।
আপত্কালীন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিও জানেন তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোটা কতটা দুর্দান্ত ছিল, ‘প্রথম দিন শেষে নিজেদের মধ্যে বেশ কড়া কথাবার্তা হয়েছে। সেদিনের খেলায় খুব হতাশ ছিলাম এবং ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছি। আমরা যে প্রতিক্রিয়া দেখালাম সেটা অসাধারণ। দ্বিতীয় দিন থেকেই আমরা অবিশ্বাস্য খেলেছি।’
দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের বিশ্বাসটা এনে দিয়েছেন কাগিসো রাবাদা। স্টেইনের অভাবটা বুঝতে দেননি একদম। পেস, বাউন্স, সুইং, রিভার্স সুইং, ইয়র্কার—কী ছিল না রাবাদার বলে! ২১ বছর বয়সেই পরিপূর্ণ এক ফাস্ট বোলার হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান। পরশু তাঁর বোলিংয়েই অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে ধস নামে আর কাল দুই মিচেল—মার্শ ও স্টার্ককে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ড্রয়ের আশাটাও শেষ করে দিয়েছেন তিনি। তবে রিভিউতে মার্শের আউটের ঘটনা ‘হক-আই’ প্রযুক্তিকে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা রাবাদা।
তবে পুরো কৃতিত্ব রাবাদাকে দিলে মন খারাপ করতে পারেন টেম্বা বাভুমা, জেপি ডুমিনিরা। পরশু অবিশ্বাস্য এক থ্রোতে ডেভিড ওয়ার্নারকে আউট করেছিলেন। কাল তো আরেকটুর জন্য ইতিহাসেই নাম লিখিয়ে ফেলছিলেন বাভুমা। টেস্টে তাঁর প্রথম বলেই এলবিডব্লু উসমান খাজা! কিন্তু রিভিউতে দেখা গেল সেটা ছিল নো-বল। তাতেই ২১তম বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম বলে উইকেট পাওয়ার কীর্তি গড়া হলো না তাঁর। খাজা পরে ফিরলেন ডুমিনির বলে, এলবিডব্লু হয়ে।
অথচ শুক্রবার সকালে ডান কাঁধটা চেপে ধরে যখন মাঠ ছেড়েছিলেন ডেল স্টেইন, তখনই টেস্টের ফলটা অস্ট্রেলিয়ার অনুকূলেই দেখছিল সবাই। এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়া খেলতে এসে প্রথম ইনিংসে ২৪২ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা। ১ উইকেেট অস্ট্রেলিয়ার রান ১৬৬, প্রোটিয়াদের মূল বোলিং অস্ত্রও মাঠের বাইরে। স্বাগতিকদের জয় ছাড়া আসলেই আর কিছু ভাবা যাচ্ছিল না।
আপত্কালীন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিও জানেন তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোটা কতটা দুর্দান্ত ছিল, ‘প্রথম দিন শেষে নিজেদের মধ্যে বেশ কড়া কথাবার্তা হয়েছে। সেদিনের খেলায় খুব হতাশ ছিলাম এবং ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছি। আমরা যে প্রতিক্রিয়া দেখালাম সেটা অসাধারণ। দ্বিতীয় দিন থেকেই আমরা অবিশ্বাস্য খেলেছি।’
দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের বিশ্বাসটা এনে দিয়েছেন কাগিসো রাবাদা। স্টেইনের অভাবটা বুঝতে দেননি একদম। পেস, বাউন্স, সুইং, রিভার্স সুইং, ইয়র্কার—কী ছিল না রাবাদার বলে! ২১ বছর বয়সেই পরিপূর্ণ এক ফাস্ট বোলার হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান। পরশু তাঁর বোলিংয়েই অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে ধস নামে আর কাল দুই মিচেল—মার্শ ও স্টার্ককে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ড্রয়ের আশাটাও শেষ করে দিয়েছেন তিনি। তবে রিভিউতে মার্শের আউটের ঘটনা ‘হক-আই’ প্রযুক্তিকে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা রাবাদা।
তবে পুরো কৃতিত্ব রাবাদাকে দিলে মন খারাপ করতে পারেন টেম্বা বাভুমা, জেপি ডুমিনিরা। পরশু অবিশ্বাস্য এক থ্রোতে ডেভিড ওয়ার্নারকে আউট করেছিলেন। কাল তো আরেকটুর জন্য ইতিহাসেই নাম লিখিয়ে ফেলছিলেন বাভুমা। টেস্টে তাঁর প্রথম বলেই এলবিডব্লু উসমান খাজা! কিন্তু রিভিউতে দেখা গেল সেটা ছিল নো-বল। তাতেই ২১তম বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম বলে উইকেট পাওয়ার কীর্তি গড়া হলো না তাঁর। খাজা পরে ফিরলেন ডুমিনির বলে, এলবিডব্লু হয়ে।
সবার মিলিত প্রচেষ্টাতেই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার টানা
অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি ১৮-তে থামিয়ে দিল প্রোটিয়ারা। ২০১২ সালে পার্থেই
সর্বশেষ এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া see more
Info : Prothom-alo

No comments:
Post a Comment