Wednesday, November 2, 2016

গার্দিওলার কাছে হার বার্সার



কাউকে হয়তো বুঝতে দেননি, তবে কিছুটা চাপে তো অবশ্যই ছিলেন পেপ গার্দিওলা। ম্যানচেস্টার সিটির কোচ হিসেবে টানা ৬ ম্যাচ জয়হীন! কোচিং ক্যারিয়ারেই এত কঠিন সময় আর কখনো এসেছিল কি না, সন্দেহ আছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘অনেক স্মৃতি’র বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচটা তাই গার্দিওলার বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
বার্সেলোনার বিপক্ষে হারলে ইউরোপসেরার লড়াইয়ে নকআউট পর্বটাও কঠিন হয়ে যেত সিটির জন্যও।
শেষ অবধি সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে সিটি। ‘আগুন ঝরা’ ম্যাচে মেসির দলের বিপক্ষে তাদের জয়টা ৩-১ গোলে। বার্সেলোনার কাছে টানা চার হারের পর এই প্রথম তারা তুলে নিল আনন্দের এক জয়। গার্দিওলা আপাতত রেহাই পেলেন সমালোচনার হাত থেকে। সিটিও খুব ভালোভাবেই থেকে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বের সম্ভাব্য দল হিসেবে।
এই ম্যাচে প্রথম আধা ঘণ্টা ছিল পুরোপুরিই বার্সেলোনার। কিন্তু পরের সময়টা সিটি রাজত্ব করল বার্সেলোনার রক্ষণের ওপর। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা হলো বার্সার রক্ষণ। সিটির প্রাধান্য এমনই হলো যে এই সময়ে খুঁজে পাওয়া গেল না বার্সেলোনার সেরা আক্রমণশক্তিকে।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা করেছিলেন মেসিই। গোলের মধ্যেই আছেন তিনি। আগের ম্যাচে করেছেন হ্যাটট্রিক। তাঁর পা থেকেই এল প্রথম গোলটি। আগুয়েরোর একটি আক্রমণ প্রতিহত করে বক্সের মধ্য থেকেই প্রতি–আক্রমণের সূচনাটা করেছিলেন হাভিয়ের মাচেরানো। সেই বল নেইমার পেয়ে অনেক দূর দৌড়ে বাঁ দিক থেকে মেসির দিকে বল বাড়ান তিনি। বলটি পেয়ে সিটির গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বল ফেলে দেন জালে।
গোলটি খেয়ে সংবিৎ ফেরে সিটির। আগুয়েরো, ডেভিড সিলভারা ঝড় তোলা শুরু করেন বার্সেলোনার রক্ষণে। প্রথমার্ধের শেষের দিকে ইতিহাদ স্টেডিয়ামকে নাচিয়ে সমতায় ফেরে সিটি। গোল করেন ইকে গুনদোয়ান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটা পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় সিটি।
৫১ মিনিটে একের পর এক আক্রমণের ফলও মেলে। ম্যাচে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় সিটি। তবে গোলটি আসে ডি ব্রুইনের দুর্দান্ত এক ফ্রিকিক থেকে। ৭৪ মিনিটে নাভাসের ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সিটিকে ৩-১ গোলে এগিয়ে দেন গুনদোয়ান। গুনদোয়ান বল পাওয়ার আগে বল আগুয়েরোর গায়ে লেগেছিল। বার্সেলোনা গোলকিপার টের-স্টেগেন হ্যান্ডবলের দাবিও জানিয়েছিলেন। কিন্তু রেফারি তা কানে তোলেননি।
নিজের ‘ফাইনালে’ জিততে পেরে দারুণ খুশি গার্দিওলা। বলেছেন, সিটির এই জয় ‘বিশ্বের সেরা দল’টির বিপক্ষেই, ‘আমি আমার দলের খেলায় খুবই খুশি। এই প্রথম তারা বিশ্বের সেরা একটি দলকে হারাল।’
প্রথম ৩০ মিনিটে বার্সেলোনার খেলায় কিছুটা ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলেন গার্দিওলা, ‘ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট বার্সেলোনা দুর্দান্ত খেলেছে। আমাদের বেশ কিছু সমস্যা ছিল, কিন্তু প্রথম গোলটি আমাদের খেলা পাল্টে দিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে তো আমরা অনেক প্রতি আক্রমণ করেছি see more 

Info : Prothom-alo.

No comments:

Post a Comment