Sunday, October 30, 2016

আবার বাংলাদেশে আসবেন কুক

এমন হারে স্বভাবতই মন খারাপ ইংলিশ অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুকের। বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৮ রানের এই হার ইংলিশ-গৌরবে দাগ হয়ে থাকবে তো অবশ্যই। এই হারে হতাশা আছে। তবে কুক মনে করিয়ে দিলেন, এই সফরটা ক্রিকেটীয় ফলাফলের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। সফরের আগে যে আলোচনায় ছিল একটাই বিষয়—নিরাপত্তা। কুক নিজে সদ্যোজাত সন্তানকে এক পলক দেখেই আবার উড়াল দিয়েছেন দলকে নেতৃত্ব দেবেন বলে। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের স্মৃতি নিয়ে শেষটা হলেও ভালোয় ভালোয় সব শেষ হলো। বাংলাদেশের আতিথেয়তায় মুগ্ধ কুক বললেন, আবারও আসবেন তিনি এই দেশে।
এই সিরিজের আগে নিরাপত্তা-ইস্যু ছাপিয়ে গিয়েছিল ক্রিকেটের ভাবনাকে। ইংল্যান্ড দল আদৌ বাংলাদেশ সফরে আসবে কি না, তৈরি হয়েছিল একধরনের অনিশ্চয়তা। আজ মিরপুরে ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কুক তুলে ধরলেন সে প্রসঙ্গই, ‘এই সফরের আগে নিরাপত্তা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। এখানে আসা আদৌ উচিত হবে কি না, এসব নিয়েও কথা হয়েছে। কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছে যে আমি বাংলাদেশে ইংল্যান্ড দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরেছি। আমি এখানে আসতে পেরে সত্যিই গর্বিত।’

বাংলাদেশের এই জয়টিকে বিশেষ অভিনন্দন জানালেন ইংলিশ অধিনায়ক, ‘এই জয় সত্যিই বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য দারুণ কিছু। মাঝেমধ্যে একটি খেলাতে অনেক কিছুই বড় হয়ে ওঠে। আমার মনে হয়, এই দেশে সবারই উচিত খেলতে আসা।’
‘অনভিজ্ঞতা’ই ঢাকা টেস্টে ইংল্যান্ডকে ডুবিয়েছে বলে মনে করেন কুক। ‘অনভিজ্ঞতা’ বলতে বাংলাদেশের কন্ডিশনে খেলার অনভিজ্ঞতা। কুকের মতে, ‘২৭৩ রান তাড়া করাটা খুব কঠিন। আজ খুব সম্ভবত এই কন্ডিশনে আমাদের অনভিজ্ঞতাই আমাদের ডুবিয়েছে। তবে, সত্যি কথা বলতে, এত রান আমাদের তাড়া করার কথা ছিল না। আমরা চার-পাঁচটি সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। এই ভুলগুলো থেকে আমাদের দ্রুত শিক্ষা নিতে হবে।’
আসলেই দ্রুত শিখতে হবে। কদিন পরই যে ভারত সফর। সেখানেও অপেক্ষা করছে স্পিন-পরীক্ষা see more 

Info : Prothom-alo.

জয়, বাংলাদেশের জয়!

ঐতিহাসিক। গৌরবের। আনন্দের। বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন দিগন্ত এনে দেওয়ার কি নয়? তারা ক্রিকেটের সবচেয়ে আদি দল, সবচেয়ে অভিজাত ইতিহাসের। সেই ইংল্যান্ডকে আজ টেস্টে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ১৬৪ রানে অল আউট করে মিরপুর টেস্ট জিতল ১০৮ রানে। এর আগে জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতলেও এই জয়ের মাহাত্ম্য অন্য রকম। এ সময়ের অন্যতম সেরা দলকে হারানো বাংলাদেশকে টেস্ট ক্রিকেটেও এনে দেবে নতুন আত্মবিশ্বাস। 

শুরুটা করেছিলেন মেহেদী মিরাজ। শেষটা টেনে দিলেন সাকিব আল হাসান। এই দুইয়ের ঘূর্ণিতে পড়েই আর দাঁড়াতে পারল না ইংল্যান্ড। ৭৭ রানে ৬ উইকেট মিরাজের। ৪৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। বিনা উইকেটে ১০০ রান তুলে ফেলা ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত আর ৬৪ রান যোগ করতেই অল আউট হয়ে গেল। এক সেশনেই ইংল্যান্ডের ১০ উইকেট তুলে নিল বাংলাদেশ। 
অথচ চা বিরতির আগ পর্যন্তও কী অসহায় না লাগছিল বাংলাদেশ দলকে। ‘একটা উইকেট লাগবে, একটা উইকেট’। স্টাম্পের মাইক্রোফোন থেকে বারবার ভেসে আসছিল মুশফিকের আকুতি। একটা উইকেট পড়লেই যে ছন্দটা কেটে যায়। যে ছন্দে অনায়াসে বিনা উইকেটে ১০০ তুলে ফেলল ইংল্যান্ড!
সেই একটা উইকেট যখন পড়ল, শুরু হয়ে গেল উইকেটের বৃষ্টি; যা আর থামাতে পারেনি ইংল্যান্ড। দুই ইংলিশ ওপেনার ফিফটি করেছেন। অ্যালিস্টার কুক ৫৯, বেন ডাকেট ৫৬। এ ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন কেবল বেন স্টোকস (২৫)। বাকি আট ব্যাটসম্যান মিলে যোগ করেছেন মাত্র ১৮ রান!
একটা উইকেট পড়লেই ছন্দ যে কেটে যেত, সেটা বোঝা গেল চা বিরতির পর করা বাংলাদেশের দুই ওভারের প্রথম দুই বলে। প্রথমে মিরাজ, এরপর সাকিব। এই জোড়া আঘাতেই আশা জাগল বাংলাদেশের। কুকের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ১০০ রান এনে দেওয়া ডাকেট ফিরলেন, খানিক পরে জো রুটও (১)। এরপর নিজের ১৫তম ওভারে মিরাজ একাই জোড়া আঘাত হানলেন। গ্যারি ব্যালেন্স (৫) ও মঈন আলী (০) ফিরলেন পরপর। মিরাজের পরে ওভারে আবারও উইকেট! এবার ফিরলেন একপ্রান্ত আগলে রাখা কুক।
শুরুতে কুক আর ডাকেট মিলে কিন্তু বেশ ভোগাচ্ছিলেন। ২৭৩ রানের কঠিন লক্ষ্যটা তখন মনে হচ্ছিল কী সহজ! বিশেষ করে ডাকেট সুইপ ও রিভার্স সুইপে বাংলাদেশি স্পিনারদের লাইন-লেংথ এলোমেলো করে দিয়েছেন। তাঁর কারণেই থিতু হতে পারেনি স্পিনাররা। মাহমুদউল্লাহ তখন হাত কামড়াচ্ছিলেন ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই ডাকেটের সহজ ক্যাচ ফেলেছিলেন বলে।
কিন্তু ওই ‘একটা উইকেটে’র আঘাতই ডমিনো এফেক্ট এনে দিল। বিনা উইকেটে ১০০ থেকে ৫ উইকেটে ১২৭। মাত্র ২৭ রানের মধ্যে প্রথম ৫ ব্যাটসম্যানকে হারাল ইংল্যান্ড। 
বারবার উদ্ধার করা ইংলিশ লোয়ার-মিডল অর্ডার এবারও ভোগানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল। স্টোকস আর বেয়ারস্টো মিলে যখন ২২ রান তুলে ফেললেন সপ্তম উইকেট জুটিতে। বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে চার ইনিংসে তৃতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট পূর্ণ করলেন।
এখান থেকেই শুরু সাকিবের জাদু। সাকিবের এক ওভারেই ফিরলেন স্টোকস, আদিল রশিদ ও আনসারি। মিরাজ শেষটা টেনে দিলেন স্টিভেন ফিনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে। উৎ​সবে মাতোয়ারা বাংলাদেশ!
চট্টগ্রাম টেস্টের ২২ রানের আক্ষেপ কি ঘুচল? ১৩ বছর ধরে পুষে রাখা মুলতানের সেই কষ্টও? চট্টগ্রামে ২৩ রানের দূরত্বটা ঘুচিয়ে দিতে পারলে কিন্তু সিরিজের ফলটা ২-০ হতো see more 

Info :  Prothom-alo.

আইসিসি, আরও বেশি টেস্ট খেলতে দাও

এবারের পুরো সিরিজে বারবার আলোচিত হয়েছে বিষয়টি। ইংলিশ ক্রিকেটারদের অনেকে অবাক হয়েছেন জেনে, ১৫ মাস পর টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। সেটিও মাত্র দুই ম্যাচেই শেষ হয়ে যাবে ২০১৬ সালের টেস্ট সূচি। এমন বিরতিতে বারবার পড়ে বাংলাদেশ। আজ ম্যাচ শেষে মাইক আথারটনও প্রশ্নটা করলেন। জবাবে টেস্ট অধিনায়ক মুশফিক এক রকম আকুতিই জানালেন, বাংলাদেশকে যেন আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ দেওয়া হয়। 
ওয়ানডেতে বাংলাদেশ বদলে যাওয়া এক দল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক জয়ের পরও টেস্টে বাংলাদেশের দুর্বলতা অস্বীকার করার উপায় তো নেই। তবে বাংলাদেশ খেলতেই নামে এত দীর্ঘ বিরতির পর, এক সিরিজে খেলোয়াড়েরা যা শেখেন, পরের সিরিজ আসতে আসতেই তো ভুলে যান। মুশফিক বললেন, ‘আমরা ​ধীরে ধীরে টেস্টেও নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছি। তবে আরও বেশি টেস্ট খেলতে পারলে আরও বেশি বেশি ভালো ফল তো আসতই। আশা করি, আইসিসি ও অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ডগুলো আমাদের বিপক্ষে বেশি করে খেলবে।’
মুশফিকের নিজের এটি ছিল ৫০তম টেস্ট। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মুহূর্তটা স্মরণীয় করে রাখতে না পারলেও দলীয় সাফল্যে সেই হতাশা অবশ্যই মুছে গেছে তাঁর। কিন্তু মুশফিকের এই দুঃখ কী করে মুছবে, ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলতে ১১ বছর সময় লাগল তাঁর। দলের বাকি সিনিয়র ক্রিকেটারদেরও খুব বেশি টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই।
সাকিব আর কুকের আন্তর্জাতিক অভিষেক প্রায়ই কাছাকাছি সময়ে। দুজনই আন্তর্জাতিক আঙিনায় পা রেখেছেন ২০০৬ সালে। এই ১০ বছরে কুক খেলেছেন ১৩৩ টেস্ট, সাকিব সেখানে ৪২টি! এমনকি ২০১২ সালের ডিসেম্বরে টেস্ট অভিষেক হওয়া জো রুটও সাকিবের চেয়ে বেশি টেস্ট খেলেছেন, ৪৬টি। তামিম প্রায়ই আফসোস করেন, অন্য দলের মতো সুযোগ পেলে এত দিন ৮০-৯০ টেস্ট খেলে ফেলতেন। তাঁর রানটাও হয়তো দ্বিগুণ হতো।

এমনও হয়েছে, বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড় দুর্দান্ত ফর্মে থেকে কোনো সিরিজ শেষ করলেন। পরের টেস্ট সিরিজটা খেলতে খেলতে ফর্মই চলে গেল তাঁর। তামিমই যেমন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস ও ওল্ড ট্রাফোর্ডে টানা সেঞ্চুরির সেই সিরিজটার ১৪ মাস পর খেলেছেন আরেক টেস্ট সিরিজ! এ বছর এখনো টেস্টই খেলেনি বাংলাদেশ। বছরের শেষ দিকে এসে দুটি টেস্ট খেলছে। ২০১২ সালেও এমন মাত্র দুটি টেস্ট খেলছিল বাংলাদেশ পুরো বছরে!
মুশফিকের আকুতি কি শুনবে আইসিসি see more 
Info : Prothom-alo.

Saturday, October 29, 2016

চুল যখন রঙিন

নিজেকে একটু অন্যভাবে উপস্থাপন করতে কে না চায়? ভিন্নতা আনার জন্য পোশাক, চুলের কাট তো পাল্টে ফেললেন। সঙ্গে কেশগুচ্ছকেও চাইলে রাঙিয়ে নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চেহারায় ভিন্নতা আনার জন্য চুলের রঙেরও ভূমিকা থাকে।
রঙিন চুলের গোড়ার কথাবহুকাল আগে থেকেই প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে মেহেদি, হলুদ, আমলকী দিয়ে চুল রং করার প্রচলন চলে আসছে। কিন্তু আধুনিক হেয়ার কালারের প্রচলনটা শুরু করেন ইউজিন স্কিউলার। তিনি আর কেউ নন, ল’রিয়েল কোম্পানির স্বয়ং প্রতিষ্ঠাতা। ১৯ শতকের দিকে ইউজিন স্কিউলার ‘সিনথেটিক হেয়ার ডাই’ নামে চুলের রং তৈরি করেন। আর এই হেয়ার ডাই পরিচিতি এক গুণ বাড়িয়ে তোলেন হলিউডের নামীদামি সব অভিনেত্রী। এই তালিকায় আছেন মেরিলিইন মনরো, রিটা হেয়ওয়ার্থ, লুসিল বলের মতো তারকারা। এই তারকাদের স্টাইল যেন আমরা এখনো অনুসরণ করে চলছি।
এ কালের বর্ণিল রংআজকাল অনেকেই চুল রং করে থাকেন। কিন্তু চাইলেই তো আর যেকোনো রং চুলে আনা সম্ভব নয়। রেড বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, ‘সুন্দর চুলের স্টাইল আপনাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে তোলে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সঠিক রং বাছাই করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘এই সময়ে রেডিশ বাদামি, ব্লন্ড কিংবা সোনালি, বারগ্যান্ডি, স্ট্রবেরি ব্লন্ড, জেট ব্ল্যাক কিংবা চেরি লাল বেশি জনপ্রিয়। অনেকে আবার সম্পূর্ণ চুল রং না করে স্টিক হিসেবে হাইলাইট, লোলাইট করতে পছন্দ করছেন। এ ছাড়া অমব্রে, মেহগনি, কপার এই রংগুলো বেশ চলছে।
তবে একটু ট্রেন্ডি হেয়ার কালারের ক্ষেত্রে বানথাই বার্বার অ্যান্ড বিউটি স্যালনের হেয়ার স্টাইলার কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আজকাল তো শুধু বাদামি কিংবা লাল রঙের মধ্যেই স্টাইল সীমিত নেই। একটু আধুনিক লুক যদি আনতে চান তবে শুধু নিচের দিককার চুলগুলো রং করে নিতে পারেন। আর রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বেগুনি, নীলচে সবুজ, ব্রুনেট, ডার্ক অবার্ন, চেস্টনাট অথবা বিভিন্ন শেড যুক্ত রং দেখতে পারেন। আজকাল হেয়ার কালারের ক্ষেত্রে একই রঙের বিভিন্ন শেড পাওয়া যায়।’
ঘরে বসেই রং করতে চাইলেচুলে রং লাগানোর সময় কপাল, গাল কিংবা ঘাড়েও লেগে যায়। তাই এসব স্থানে ভ্যাসলিন বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নেওয়া ভালো। একে বলা হয় কোটিং। খেয়াল রাখুন চুলের রং যদি বেশি গাঢ় করতে চান তাহলে চুলের রঙের ডেভেলপার ২০ শতাংশ মিশিয়ে নিন। আর হালকা রঙের জন্য ১০ শতাংশ ডেভেলপারই যথেষ্ট।
এরপর চুল ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোমতো শ্যাম্পু করে নিন। সঙ্গে কন্ডিশন করে নিতে পারেন। আর রং করার সময় অবশ্যই হাতে গ্লাভস পরে নেবেন।
চুল রং করার আগে
চুলে রং করার সিদ্ধান্ত তো নিলেন কিন্তু রং করার আগে কিছু বিষয় মনে রাখুন—
*প্রথমেই চুলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন। রুক্ষ ও ভঙ্গুর হলে চুল রং না করাই ভালো। কেননা এ ধরনের চুলে রং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আবার রাসায়নিক পদার্থের কারণে চুলের রুক্ষতা আরও বেড়ে যায়। তবে এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কোনো বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নিতে পারেন। প্রয়োজনে চুলের ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন।
*আগে জেনে নিন কোনো রং আপনার জন্য মানানসই। আপনার ত্বক, চুলের ধরন, স্টাইল, বয়সকে গুরুত্ব দিন। এর ভিত্তিতে চুলের রং বাছাই করুন। আফরোজা পারভীন বলেন, ‘শুধু ত্বক কিংবা চুলের ধরনই নয়, অনেক সময় চোখের রংও এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেই হিসেবে আপনি বেছে নেবেন আপনার চুলের রং কি সোনালি ব্লন্ড হবে, না প্লাটিনামের কোনো শেডযুক্ত হবে।’
*অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, চুলের রং বাছাই করা হলো একটি। কিন্তু কালারের পর রং এল আরেকটি। অনেকের আবার চুলে রং আসতে সময় নেয় বেশি। কারও আসতেই চায় না। কেন এমন? কামরুল ইসলাম জানান, এমনটি হয় মূলত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের কারণে।
চুলে রং করার আগে অনেকেই মেহেদি বা কলপ লাগিয়ে থাকেন। এর ফলে একেক ধরনের চুলে একেক রকমের প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তবে আফরোজা পারভীন বলেন, ‘চুলে রং করার আগে কখনোই কালো কলপ ও মেহেদি ব্যবহার করবেন না। তবে অন্য কোনো রং যদি আগে থেকেই থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে সমস্যা নেই।’
অবশ্য এ ক্ষেত্রে নির্ভর করছে আপনি কী ধরনের রং করতে চাচ্ছেন। যদি ব্লন্ড হাইলাইট করতে চান, তবে কলপ দেওয়া চুলে কখনোই এই রং আসবে না। আগে মেহেদি দেওয়া থাকলে ব্লন্ডের পরিবর্তে একটু কমলা বা বাদামি রং আসতে পারে। তাই আপনি কী রং করতে চান, এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আগে কথা বলে নিন।
*চুলের রঙের সঙ্গে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তা হলো চুলের কাট। রং করানোর আগে চুলে একটা নতুন কাট দিতে পারেন। এর ফলে চেহারায় নতুনত্ব তো আসবেই, এ ছাড়া রংটা বেশ মানানসই হবে। যেমন আপনি যদি নিচের দিকে রং করতে চান তবে চুলগুলো ট্রিম করে নিতে পারেন। অথবা লম্বা চুলের ক্ষেত্রে স্টেপ বা ভি-কাট দিয়ে নিতে পারেন। এতে চুলের স্বাস্থ্যও ঠিক থাকবে।
*আর চুল রং করার আগে অবশ্যই ভালোমতো শ্যাম্পু করে নিন। প্রয়োজনে কন্ডিশনারও ব্যবহার করতে পারেন।
চুল রং করার পরে
রং তো করেই ফেললেন। এবার চাই প্রয়োজনীয় যত্ন-আত্তি।
*চুলের রঙে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য যুক্ত থাকে, যা চুলকে করে দিতে পারে রুক্ষ। তাই নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চাইলে সপ্তাহে এক দিন ডিপ কন্ডিশন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আফরোজা পারভীন পরামর্শ দেন কালার শ্যাম্পু, কালার কন্ডিশনার ও কালার মাস্ক ব্যবহারের।
*চুলে রিবন্ড থাকলে সপ্তাহে একবার ট্রিটমেন্ট নেওয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া রুক্ষ চুল যাঁদের, তাঁরাও সপ্তাহে ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন। তবে ট্রিটমেন্টের সময় যেকোনো স্পা, প্রোটিন ট্রিটমেন্ট আপনি নিতে পারেন। তবে হারবাল ট্রিটমেন্ট একেবারেই উপেক্ষা করুন। কেননা এতে চুল আরও রুক্ষ হয়ে যায়।
*সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিন দিন তেল মালিশ করুন। দুই হাতের আঙুলে তেল নিয়ে আলতোভাবে ওপর থেকে নিচ বরাবর মালিশ করুন। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁরা শ্যাম্পু করার এক ঘণ্টা আগে তেল লাগাতে পারেন। নারিকেল, আমলকী, জলপাই কিংবা বাদাম তেল এ ক্ষেত্রে বেশ উপকারী। চাইলে তেলটাকে একটু গরম করে নিতে পারেন, এতে খুশকির সমস্যা দূর হবে।
*রঙিন চুলে রুক্ষতা কমানোর জন্য শ্যাম্পু করার পরে চায়ের লিকার ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
*ঘরে বসেই কিছু প্রাকৃতিক প্যাক লাগাতে পারেন। মেথি, ডিম, অ্যালোভেরা জেল, টক দই অথবা পাকা কলা এ ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে।
*রঙিন চুলে মেহেদি ব্যবহার করবেন না। এতে কিন্তু আপনার সম্পূর্ণ রংটাই নষ্ট হয়ে যাবে। নিতান্তই প্রয়োজনে রঙিন চুলগুলোকে মুড়ে নিয়ে ক্যাপ লাগিয়ে নিন। পরে বাকি অংশে মেহেদি লাগাতে পারেন।
*বছরে দুইবারের বেশি চুল রং না করানোই ভালো, এমনটাই মনে করেন আফরোজা পারভীন। এতে চুলের কোমলতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
রঙিন কেশগুচ্ছকে নিয়ে এবার আয়নার সামনে দাঁড়ান, দেখুন নিজেকে কতটা ভিন্ন লাগছে! see more 

Info : Prothom-alo

সবজি ঠিকমতো রাঁধছেন তো?

শুধু রান্নার পদ্ধতিতে ভুলের কারণে অনেক সময় সবজির পুষ্টিমান নষ্ট হয়ে যায়। শাকসবজিতে আছে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আর এসব পুষ্টি উপাদান শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের জন্য দরকারি। কিন্তু রান্না করতে গিয়ে অজান্তেই আমরা সেগুলো নষ্ট করে ফেলি। জেনে নিন শাকসবজির পুষ্টিমান অটুট রেখে রান্নার উপায়—
* শাকসবজি বেশি কুচি কুচি করে কাটবেন না। আস্ত রাখার চেষ্টা করবেন। সম্ভব হলে খোসাসহ রান্না করুন। খোসার ভেতরের অংশ আলো ও বাতাসের সংস্পর্শে আসে না বলে তাতে পুষ্টিমান বেশি থাকে। ছুরি বা বঁটি দিয়ে খোসা পুরু করে না কেটে ছিলে বা চেঁছে নিলে ভালো। এতে আঁশ পাবেন বেশি।
* সবজি ঢেকে রান্না করলে ভিটামিন সি অনেকখানি রক্ষা পাবে। কাটার পর শাকসবজি পানিতে দীর্ঘ সময় ভিজিয়ে রাখলে গুণাগুণ অনেকটাই চলে যায়। তাই কেটে বেছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রান্না করে নিন।
* ভিটামিন সি তাপে সংবেদনশীল। তাই বেশি সেদ্ধ করলে নষ্ট হয়ে যায়। কম পানিতে কম তাপে রান্না করা বা ভাপে সেদ্ধ করে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
* রান্না করা সবজি বারবার গরম করলেও খাদ্যগুণ নষ্ট হয়। তাই তাজা খাওয়াই ভালো। রোদে ফেলে রাখলে খাদ্যগুণ ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হতে পারে।
* তামার পাত্রে রান্না করলে ভিটামিন সি একেবারেই থাকে না।
* তেলে ভেজে খাওয়ার চেয়ে রান্না করে খাওয়াই ভালো। তবে একেবারে সেদ্ধ সবজি খাওয়া ভালো নয়। কিছু ভিটামিন আবার তেলে দ্রবণীয়। তাই খানিকটা তেল দিয়ে রান্না করা উচিত।
* নিরামিষ রান্নায় খানিকটা চিনি দিলে ভিটামিন সি রক্ষা পায়। এ কারণে আগেকার দিনে নারীরা নিরামিষে একটু চিনি দিতেন। see more 

Info : Prothom-alo

কোমরে ব্যথা মানেই কিডনির সমস্যা?

কোমরের পেছন দিকে হালকা চিনচিনে ব্যথা—এমন উপসর্গ নিয়ে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে ছোটেন চিকিৎসকের কাছে। আমার কিডনি কি খারাপ হয়ে গেল? শুনেছি কিডনির সমস্যায় পেছনে ব্যথা হয়? কোমরব্যথার বেশির ভাগ রোগী মনে করেন, তাঁদের কিডনিতে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু সত্যি বলতে কি, কিডনিতে পাথর বা খারাপ ধরনের সংক্রমণ না হলে ব্যথা করার কথা নয়। অপর দিকে কোমরব্যথারও আছে নানা কারণ ও উৎস। বেশির ভাগ কোমরব্যথা সাধারণত মাংসপেশি, মেরুদণ্ডের হাড়, ডিস্ক, সন্ধি ও স্নায়ুসম্পর্কিত। এটি নির্দিষ্ট অংশজুড়ে হয়। মেরুদণ্ডের নড়াচড়া, যেমন ওঠাবসা, সামনে ঝোঁকা, হাঁটা বা দাঁড়ানো, অনেকক্ষণ ধরে কাজ করা বা শুয়ে থাকার সঙ্গে এই ব্যথা বাড়ে-কমে।
এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদ বলেন, কোনো রকম ব্যথা-বেদনা ছাড়াও কিডনি খারাপ হতে পারে। কারণ, কিডনি সমস্যার উপসর্গ সাধারণত দেরিতে দেখা দেয়। তাই যাদের পরিবারে কিডনির অসুখ আছে, তাদের বেশি সচেতন থাকা উচিত। আর সাধারণ কোমরব্যথায় সাধারণত জ্বর হয় না (তবে টিউমার, টিবি ইত্যাদি ছাড়া)। দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, অরুচি, বমির ভাব ইত্যাদি আনুষঙ্গিক সমস্যা সাধারণত থাকে না। বিশ্রাম ও ব্যথানাশক ওষুধ সেবনে ভালো হয়; বন্ধ করলে ব্যথা আবার ফিরে আসে।
কিডনি রোগের উপসর্গ বা ব্যথা
l কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।
l কিডনি সমস্যায় ব্যথা মূল উপসর্গ নয়, এতে শরীরে পানি আসা, দুর্বলতা, অরুচি, বমির ভাব দেখা দেয়।
l সংক্রমণ হলে জ্বর হতে পারে এই ব্যথার সঙ্গে।
l প্রস্রাব ঘোলাটে হয়, দুর্গন্ধ বা রক্ত থাকতে পারে।
l প্রস্রাবের পরিমাণ কম-বেশি হয়। রক্তশূন্যতা থাকতে পারে।
কিডনি রোগের ঝুঁকি
দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সংক্রমণ, ব্যথানাশক বড়ি খাওয়া এবং পরিবারের কারও কিডনি অসুখ হওয়ার ইতিহাস, হার্টের সমস্যা, স্ট্রোক করলে, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান। এসব ঝুঁকির মধ্যে যাঁরা আছেন, তাঁদের উচিত নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শে থাকা।
কিডনি অসুখ কি বিরল এবং শুধু কি বড়দের হয়?
কথাটি একেবারে সঠিক নয়। বরং এটি একটি খুব সাধারণ অসুখ। সব বয়সের হতে পারে। বিভিন্ন মাত্রায় উপসর্গহীনভাবে চলতে থাকে। শেষ অবস্থায় গিয়ে ধরা পড়ে। যখন হয়তো তেমন কিছু করার থাকে না।
কিডনি অসুখ হলেই কি তা জানতে পারি?
না, জানতে না-ও পারতে পারি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রাথমিক বা মাধ্যমিক মাত্রার অসুখ পর্যন্ত তেমন কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না। দেখা যায়, শেষ অবস্থায় ধরা পড়ছে অসুখ।
কিডনি অসুখের ঝুঁকির মধ্যে থাকলে কি আগাম কিছুই করার নেই?
ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও কিডনি অসুখ প্রতিরোধ করার যায়। সচেতন হলেই প্রতিরোধ সম্ভব। কিডনিবান্ধব স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, অতিরিক্ত ব্যথার ওষুধ সেবন পরিহার করলেই ঝুঁকি সত্ত্বেও কিডনি অসুখ প্রতিরোধ সম্ভব।
কিডনি পরীক্ষা কি ব্যয়বহুল?
কিডনি পরীক্ষা মোটেও ব্যয়বহুল নয়। খুব সাধারণ দুটি পরীক্ষার মাধ্যমে অল্প খরচে, অতি সহজে দেশের সবখানেই জানা যেতে পারে কিডনির সর্বশেষ অবস্থা।
পানি বেশি খেলে কি কিডনি ভালো থাকে?
একজন মানুষের পানি কতটুকু খেতে হবে, তা নির্ভর করে তার কাজের ধরন, দেহের আকার, পরিবেশ, আবহাওয়া ইত্যাদির ওপর। পর্যাপ্ত পানি পান কিডনিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। তবে জানেন কি অতিরিক্ত পানি পান করলে কিন্তু কিডনির ওপর চাপ পড়ে, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে। স্বাভাবিক আবহাওয়ায় দৈনন্দিন আট গ্লাস পানি পানই যথেষ্ট। তবে অতিরিক্ত ঘাম হলে পানি খাওয়ার পরিমাণ আরও বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে কিডনিতে পাথর হয় না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে। see more 

Info: Prothom-alo

যে চারটি বিষয় অবশ্যই সন্তানকে শেখাবেন

বড় হয়ে সন্তান যখন সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চ স্বরে কথা বলে, তখন অনেক মা-বাবাই অবাক হন। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাঁদের। ভাবেন, আমার সন্তান কীভাবে এমন ব্যবহার করছে! আপনি হয়তো ভুলে গেছেন, যখন সে ছোট ছিল, সাধারণ আদবকেতাগুলো তাকে শেখানো হয়নি। আপনার পরিবারে যদি কোনো শিশু থাকে, তাকে কিছু সাধারণ ভদ্রতা শেখানো জরুরি। ভবিষ্যতে সন্তানের ভালোর কথা ভেবে চারটি বিষয় অবশ্যই তাকে শেখাবেন।
প্লিজ
অনেকে মনে করেন, কারও কাছ থেকে কোনো কিছু নেওয়ার জন্য বা চাওয়ার জন্য ‘প্লিজ’ বলতে হয়। বিষয়টি ঠিক তেমন নয়। প্লিজ না বলেও আপনি হয়তো কিছু নিতে পারেন। তবে তাতে অনেক সময় বিনয় প্রকাশ পায় না। আদবকেতা বিশেষজ্ঞ সাজিদা রেহমান বলেন, শিশুদের শেখাতে হবে কখন, কোথায় প্লিজ বলতে হবে। বলার সময় গলার স্বর কেমন থাকবে, সেটাও শেখাতে হবে। ‘তোমার খেলনাটি আমাকে দাও‍’—এটা যেমন বলা যায়। তেমনি ‘প্লিজ, তোমার খেলনাটি আমাকে দেবে?’ বললে অন্য রকম শোনাবে। তাতে বিনয় প্রকাশ পাবে।
ধন্যবাদ
কোনো বিষয়ে সৌজন্য প্রকাশ করার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো ধন্যবাদ বলা। এটা সাধারণ ভদ্রতা। ছোট ছোট বিষয়ে ধন্যবাদ বলানোর অভ্যাস করাতে হবে সন্তানকে। পরিবারের মধ্যে, খেলার সঙ্গীদের মধ্যে শিশুকে শেখাতে হবে কীভাবে অন্যকে ধন্যবাদ বলতে হয়।
দুঃখিত
দুঃখিত বললেই কেউ ছোট হয়ে যায় না। কেউ কেউ ভাবেন, দুঃখিত বললে অন্যের কাছে ছোট হয়ে গেলাম। তাই মা-বাবা নিজেরাও বলেন না, সন্তানকেও শেখান না। মা-বাবা ভুল কথা বললে, সঠিক আচরণ না করলে সন্তানকেও দুঃখিত বলতে পারেন। সন্তানও শিখবে।
অনুমতি নেওয়া
খুব কাছের কারও কোনো জিনিস না বলে নেওয়া ঠিক নয়। আবার কথার মধ্যে উঠে যাবে কি না, এমন অনেক ক্ষেত্রে আমরা অনুমতি নিই না। একদম পাঁচ বছর বয়স থেকে সন্তানকে অনুমতি নেওয়া শেখাতে হবে। শিষ্টাচার শিখলে ব্যক্তিজীবন তো বটেই, পেশাগত জীবনেও খুব কাজে আসবে see more

Iifo : Prothom-alo

কেমন হবে স্যামসাংয়ের নতুন ফোন?

স্যামসাংয়ের ‘সবচেয়ে বুদ্ধিমান স্মার্টফোন’ নোট ৭ এর দুর্দশার কথা তো প্রায় সবারই জানা। অনেক ক্রেতাই ফোনটি কিনে আগুন ধরে যাওয়ার অভিযোগ করলে ওই ফোনটি বাতিল করে স্যামসাং। নোট ৭ এর পরে এবার নতুন আরেকটি ফোন আনছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। এটি গ্যালাক্সি এস সিরিজের। এটি হবে ‘এস ৭’ এর পরবর্তী সংস্করণ ‘এস ৮ ’।
নতুন ফোনটি আগামী বছর আসবে বলে নিশ্চিত করেছে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ। ফোনটির নানা ফিচার নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন।
স্যামসাংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান লি জে-ওংয়ের বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যালাক্সি এস ৮ আসছে দারুণ নকশা ও উন্নত ক্যামেরার সমন্বয়ে। এতে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত সফটওয়্যার থাকবে। সম্প্রতি অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমান সফটওয়্যার সিরির উদ্যোক্তার তৈরি ভিভ ল্যাবস নামের প্রতিষ্ঠানকে কিনেছে স্যামসাং। ওই প্রতিষ্ঠানের তৈরি সফটওয়্যার এতে থাকতে পারে।
এদিকে স্যামমোবাইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু দেশের কথা মাথায় রেখে এস ৮ এর ফার্মওয়্যার তৈরি করছে স্যামসাং। পরবর্তীতে অন্যান্য দেশের জন্য ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করা হবে।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোতে গুঞ্জন রয়েছে, স্ক্রিনের মাপ ও রেজুলেশনের ওপর ভিত্তি করে এস ৮ এর দুটি সংস্করণ থাকবে। একটি হবে ৫ দশমিক ১ ইঞ্চি কিউএইচডি ও আরেকটি হবে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের ফোরকে মানের সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লের। দুটি স্মার্টফোনের মধ্য কিছু সংস্করণে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৮৩০ ও কিছু সংস্করণে এক্সিনোস ৮৮৯৫ সিপিইউ ব্যবহৃত হবে। সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের সংস্করণের এস ৮ স্মার্টফোনের পেছনে ১২ ও ১৩ মেগাপিক্সেলের ডুয়াল ক্যামেরা সেন্সর থাকবে। সামনের ক্যামেরা হবে ৮ মেগাপিক্সেলের। এতে আইরিশ স্ক্যানার থাকবে see more 

Info : Prothom-alo.

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৭৫ শতাংশই মোবাইল থেকে!

বর্তমানে ইন্টারনেটের সিংহভাগই ব্যবহৃত হচ্ছে মোবাইল ডিভাইস থেকে। আগামী বছর মোবাইল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। ২০১৭ সালে মোবাইল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৭৫ শতাংশে।
ফ্রান্সের মিডিয়া ক্রয় সংস্থা জেনিথ এ পূর্বাভাস দিয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি বছরের চেয়ে আগামী বছরে বিশ্বজুড়ে মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেট থেকে ইন্টারনেটের ব্যবহার কিছুটা বেড়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার জেনিথ ‘মোবাইল অ্যাডভারটাইজিং ফোরকাস্ট’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। জেনিথের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৭১ শতাংশই মোবাইল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। যা আগামী বছর হবে ৭৫ শতাংশ। ২০১৮ সাল নাগাদ ইন্টারনেটের বৈশ্বিক বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্ত আয়ের ৬০ শতাংশই আসবে মোবাইল বিজ্ঞাপন থেকে। মোবাইল বিজ্ঞাপনে ২০১৮ সালে খরচ দাঁড়াবে এক হাজার ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার যা সংবাদপত্র, সাময়িকী, সিনেমা ও আউটডোর বিজ্ঞাপনের মোট খরচের চেয়েও বেশি। জেনিথের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বৈশ্বিক মোবাইল বিজ্ঞাপনের খরচ ৭১০ কোটি মার্কিন ডলার।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট সংযোগসংখ্যা ৬ কোটি ২২ লাখ। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ ৫ কোটি ৮৩ লাখ see more 

Iifo : Prothom-alo

এই রেকর্ডটা শুধুই মিরাজের

অভিষেক টেস্টে ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েও রেকর্ডটা শুধুই নিজের করে নিতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। এই তালিকায় তাঁর সঙ্গে আছেন বাংলাদেশের আরও ৪ বোলার। তবে ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টেই ৫ উইকেট পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি বোলার মিরাজ।
অভিষেকে ৬ উইকেট পাওয়া নাঈমুর রহমান, সোহাগ গাজী, ইলিয়াস সানি ও মঞ্জুরুল ইসলাম কেউই পরের টেস্টে ৫ উইকেট পাননি। গাজী প্রথম টেস্টে ৯ উইকেট নেওয়ার পরেরটিতে নেন ৩ উইকেট। ইলিয়াসও তাই। নাঈমুর রহমান মাত্রই ১ উইকেট। আর মঞ্জুরুল তো উইকেটই পাননি।
অভিষেকেই ৫ উইকেট নেওয়া বাংলাদেশের বাকি দুই বোলারও ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে ৫ উইকেট নিতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহ নিজের দ্বিতীয় টেস্টে দুই ইনিংসে পেয়েছিলেন ৩ ও ১ উইকেট। তাইজুল ২ ও ১ উইকেট। এই তালিকায় তাই মিরাজের এখন একক রাজত্ব।
ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টে ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন এমন বোলার আছেন ২৩ জন। তবে রেকর্ডের একটি অধ্যায়ে মিরাজ একাই জায়গা করে নিয়েছেন, টেস্টে ইতিহাসে তিনিই প্রথম অফ স্পিনার যিনি প্রথম দুই টেস্টেই পেলেন ৫ উইকেট। সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ অফ স্পিনার সনি রামাধিন প্রথম দুই টেস্টে ৫ উইকেট পেলেও সেটি আসে তাঁর দ্বিতীয় টেস্টে। অভিষেক টেস্টে তিনি একবারও ৫ উইকেট পাননি।
প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে মিরাজ গড়েছেন আরও একটি রেকর্ড। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বাংলাদেশি বোলার তিনি। ২০ বছর বয়সী অফ স্পিনার এখনো পর্যন্ত নিয়েছেন ১৩ উইকেট। চলমান মিরপুর টেস্টে ইংল্যান্ডের আরেকটি ইনিংস বাকি আছে, উইকেট সংখ্যা নিশ্চয়ই আরও বাড়বে মিরাজের see  more 

Info : Prothom-alo.

জার্সিতে মায়ের নাম নিয়ে আজ মাঠে ধোনিরা

খেলছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু গায়ের জার্সির পেছনে নাম ‘দেবাকি’। একই ভাবে বিরাট কোহলির জার্সির পেছনে লেখা ‘সরোজ’। ব্যাপার কী? বিশাখাপটনমে আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সবার জার্সিতে কোনো না কোনোর নারীর নাম!
এই নারীরা কারা জানেন? তাঁরা ধোনি-কোহলিদের মা! আজ সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচে যার যার মায়ের নাম জার্সিতে নিয়ে খেলতে নেমেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা।
কিন্তু হঠাৎ জার্সিতে মায়ের নাম কেন? বিশ্বজুড়ে সব মায়েদের সম্মান জানাতে, তাঁদের অবদানের কথা মনে করিয়ে দিতে একটি বিশেষ প্রচারণা চালাচ্ছে ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ সম্প্রচারকারী টেলিভিশন চ্যানেল স্টার স্পোর্টস। ভারতীয় ক্রিকেটারদের জার্সিতে মায়ের নাম লেখাটা সেই প্রচারণারই অংশ। ধোনি-কোহলিরাও গর্ব নিয়েই এর অংশ হয়েছেন।
এভাবে মায়েদের সম্মান জানাতে পেরে আনন্দিত ভারতের ওয়ানডে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি, ‘আমরা সাধারণত আমাদের পদবিতে বাবার নাম ব্যবহার করি। কিন্তু আমাদের জীবনে মায়েদের ভূমিকা স্মরণ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি খুবই আবেগময় ব্যাপার। ভালো লাগছে যে আমরা একটি মঞ্চে এক হয়ে করছি। আমি আশা করব গোটা ভারতই এভাবে মায়ের অবদানকে স্মরণ করবে। see more 

Info : Prothom-alo.

Wednesday, October 26, 2016

ঢাকা টেস্টে খেলতে পারবেন সাব্বির?

চট্টগ্রাম টেস্ট শুরু আগেই অসুস্থ ছিলেন সাব্বির রহমান। জ্বর ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিয়ে ব্যাটিং করেছেন দুই ইনিংসেই। দ্বিতীয় ইনিংসে অসুস্থতা নিয়ে খেলেছেন বীরত্বপূর্ণ ওই ইনিংস। দলকে প্রায় জিতিয়ে নিয়েই ফিরছিলেন। ঢাকা টেস্টের আগে তাঁর অসুস্থতা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ দলে। যদিও দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম সাব্বিরকে নিয়ে ইতিবাচক কথাই শুনিয়েছেন।
চট্টগ্রাম টেস্টের পরপরই পেটে ব্যথা হয়েছিল সাব্বিরের। চট্টগ্রামেই তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। ঢাকায় ফিরে বেশ কিছু পরীক্ষাও করানো হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ে বায়েজিদ ইতিবাচক কথাই শোনালেন, ‘আমরা যা সন্দেহ করেছিলাম, তেমন কোনো সমস্যা নেই। সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। চিকিত্সক ওকে কিছু পরামর্শ দিয়েছে। যেমন: কোন কোন খাবার সে খাবে, কেমন হবে তার খাদ্যাভ্যাস। আজ যেহেতু এন্ডোসকপি করানো হয়েছে, সে অনুশীলনে আসেনি। কাল থেকে সাধারণ অনুশীলনসহ সবই করতে পারবে সাব্বির।’
ঢাকা টেস্টে তাহলে খেলতে পারছেন সাব্বির? এখনই শতভাগ নিশ্চিত না হলেও বায়েজিদ অবশ্য আশাবাদী, ‘এই মুহূর্তে চিকিত্সকদের এতটুকুই পর্যবেক্ষণ। তবে ওর ব্যথার মাত্রা অনেক কমে গেছে। ইনশা আল্লাহ টেস্টের আগে সব ঠিক হয়ে যাবে see more 

Info : Prothom-alo.

দুই নতুনের লক্ষ্য

কদিন আগেও দুজনই ছিলেন চট্টগ্রামে। খেলেছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ। অবশ্য একই হোটেলে থেকেও বাংলাদেশ টেস্ট দলের সঙ্গে তাঁদের যেন বিস্তর দূরত্ব ছিল! দুজন কেউ যে ছিলেন না চট্টগ্রাম টেস্টের স্কোয়াডে। তবে ঢাকা টেস্টের দলে ডাক পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন ও শুভাশিস রায়। কাল দুপুরেই দুজন যোগ দিয়েছেন দলের সঙ্গে।
গত বছর জাতীয় লিগে রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন মোসাদ্দেক। ঘরোয়া ক্রিকেটে ২০১৫ সালটা তাঁকে দুহাত ভরিয়ে দিয়েছে। তিনটি ডাবলসহ সেঞ্চুরি করেছেন ছয়টি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরির মতো বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি তাঁরই। এমন উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখে ভাবা হচ্ছিল, টেস্ট দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হতে পারে মোসাদ্দেকের।
যদিও মোসাদ্দেকের অভিষেক হয়েছে টি-টোয়েন্টি দিয়ে, গত জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। গত মাসে আফগানিস্তান সিরিজে ওয়ানডে অভিষেকটাও হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্করণে বাংলাদেশের অনুপস্থিতির কারণেই হয়তো টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক আঙিনায় পা রাখা হয়নি তাঁর। তবে এবার মোসাদ্দেকের সুযোগ এসেছে টেস্টের স্বাদ নেওয়ার। সুযোগটা তিনি কাজে লাগাতে প্রস্তুত, ‘আসলে তেমন বড় কোনো লক্ষ্য নেই আমার। লক্ষ্য শুধু নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলা। এটা টেস্ট। আগ থেকে বলতে পারব না ম্যাচ জিতিয়ে দেব বা এমন কিছু করব। চেষ্টা করব যেমন ব্যাটিং করি তেমনই করতে। অনেক সময় ধরে ব্যাটিং করা, ভালো একটা জুটি গড়া বা পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করাই আসলে লক্ষ্য।’
অভিষেকেই বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের চমকে দেওয়ার উদাহরণ কম নেই। সর্বশেষ উদাহরণ মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাব্বির রহমান। চট্টগ্রাম টেস্টে ইংলিশ বোলারদের বিপক্ষে সাব্বিরের লড়াকু ইনিংসটা অনুপ্রাণিতই করছে মোসাদ্দেককে, ‘ব্যাটিংয়ের ধরন চিন্তা করলে সাব্বির আর আমার মোটামুটি এক রকমই। এর আগে জাতীয় লিগে ভালো খেলেছি। চতুর্থ দিনে কীভাবে খেলতে হয় ধারণা আছে। সে যদি তুলনামূলকভাবে চার দিনের ম্যাচ কম খেলে এত ভালো খেলতে পারে, তাহলে একাদশে সুযোগ পেলে আমি পারব না কেন?’
ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক দিন ধরেই চেনা মুখ শুভাশিস। ২০০৭ সালের নভেম্বরে অভিষেকের পর খেলে ফেলেছেন ৫১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ। নিয়েছেন ১৩৬ উইকেট। গত মাসে মিরাজের সঙ্গে খেলেছেন জাতীয় দলের প্রস্তুতি ম্যাচগুলো। তখনই বোঝা হচ্ছিল নির্বাচকদের নজরে বেশ ভালোভাবেই আছেন ২৭ বছর বয়সী এ পেসার। শুভাশিসও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যেকোনো সময় ডাক পেতে পারেন জাতীয় দলে, ‘প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছি, একটু রোমাঞ্চ তো কাজ করছেই। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করছিলাম। একটা আশা ছিল, যেকোনো সময় ডাক পেতে পারি। লাইন-লেংথ ঠিক রেখে ঘরোয়া ক্রিকেটে সাফল্য পেয়েছি। একাদশে সুযোগ পেলে নিজের শক্তি অনুযায়ী বোলিং করার চেষ্টা করব see more 

Info : .Prothom-alo.

Saturday, October 22, 2016

শুকনো ফলে পুষ্টি বেশি

বহু যুগ আগে থেকেই ফল শুষ্ক করে বা ফলের মধ্যকার জলীয় অংশকে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা ও খাওয়ার প্রচলন আছে। কিশমিশ, খোরমা, শুকনো খেজুর, আমসি, আমসত্ত্ব ইত্যাদি আমাদের দেশে জনপ্রিয়। ইদানীং বাজারে বিদেশি শুকনো ফল যেমন: এপ্রিকট, ক্রানবেরি, ফিগ ইত্যাদিও প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে।
সাধারণ ফলকে শুকিয়ে ফেলার পর এর মধ্যকার উপাদানের ঘনত্ব বেড়ে যায় বলে শুকনো ফলে সাধারণ ফলের চেয়ে পুষ্টি বা ক্যালরি বেশি। শুকনো করে ফেলার পরও এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, রিবোফ্ল্যাভিন, থায়ামাইন ইত্যাদি পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে। এ ছাড়া শুকনো ফলে চর্বি, কোলেস্টেরল ও সোডিয়াম বা লবণ থাকে না বললেই চলে। তবে এতে চিনি বা শর্করার পরিমাণ বেশি। আবার অনেক সময় প্রস্তুতপ্রণালিতে খানিকটা চিনি মেশানো হয় বলে এগুলো রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে। কিন্তু বাড়তি শক্তি ও ক্যালরি জোগাতে ড্রাই ফ্রুট বা শুকনো ফলের জুড়ি নেই।
* কিশমিশ, শুকনো খেজুর ও এপ্রিকটে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে এবং রক্তশূন্যতার রোগীদের প্রায়ই এসব ফল খেতে বলা হয়। এ ছাড়া কিশমিশে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসও অনেক। রক্ত চলাচলে সাহায্য করে এগুলো। রক্তনালিকে সুস্থ রাখে।
* শুকনো ফলে প্রচুর আঁশ বা ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। বিশেষ করে এপ্রিকট ও ফিগ বা শুকনো ডুমুর পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতার জন্য ভালো।
* শুকনো ক্রানবেরি প্রস্রাবের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। শুকনো আম বা আমসত্ত্বতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই। আরও আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বকের সুরক্ষা দেয়। কিশমিশে যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে, তা ত্বককে সতেজ রাখে বলে সৌন্দর্যচর্চায় এর ব্যবহার সুপ্রাচীন।
শুকনো ফলের ভালো দিক হলো, এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে খাওয়া যায় ও সহজে বহনযোগ্য, পচনশীল নয়। শুকনো কাচের বয়াম বা জারে সংরক্ষণ করে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন see more 

Info : Prothom-alo

মুশফিকের আউটেই যত আফসোস


দুই দিনে দেড় ইনিংস শেষ। এখনো বাকি তিন দিনের খেলা। সঙ্গে এখন পর্যন্ত দেখা উইকেটের চরিত্রটা যোগ করে নিলে চট্টগ্রাম টেস্টে ফলাফল না হওয়াটাই হবে অস্বাভাবিক। তা কেমন হতে পারে সেই ফলাফল? চট্টগ্রাম কি টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটি ঐতিহাসিক দিন দেখাবে বাংলাদেশকে? নাকি অভিজ্ঞতায় যোজন যোজন এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ড হাসবে শেষ হাসি!
বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড দুই শিবির থেকেই বলা হচ্ছে, টেস্টে এখন সাম্যাবস্থা বিরাজ করছে। এখান থেকে খেলা মোড় নিতে পারে যেকোনো দিকে। বাংলাদেশ জিতবে, নয়তো ইংল্যান্ড। আর যদি সব অনুমান ভুল প্রমাণ করে ম্যাচ ড্র হয়ে যায়, নিশ্চিতভাবেই কিছু বড় ইনিংস দেখবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের দর্শক। রেকর্ড জুটি-টুটি হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
টেস্টের দ্বিতীয় দিন পর্যন্তও ইংল্যান্ডের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে পারাটা আশাবাদী হওয়ার মতো ব্যাপার। তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এতেই পুরোপুরি সন্তুষ্ট থাকতে পারছেন না। দ্বিতীয় দিন শেষে দলের অবস্থানটা আরও ভালো আশা করেছিলেন তিনি। সেটা না হওয়ার দায় মুশফিক নিচ্ছেন নিজের কাঁধেই, ‘আমার উইকেটটা না পড়লে আরও ভালো হতো।’
প্রথম ইনিংসে এখনো ৭২ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। তবে তিনজন স্বীকৃত ব্যাটসম্যান হাতে থাকায় আশা হারাচ্ছেন না মুশফিক, ‘মিরাজ, সাব্বির আর সাকিব তো আছেই। ইনশা আল্লাহ, আশা করি কমপক্ষে ৫০ থেকে ৭০ রানের লিড হবে। তবে কাল (আজ) সকালের সেশনটা টিকে থাকতে হবে।’
তামিম ইকবাল বাংলাদেশকে একটু এগিয়ে রেখেই শুরু করলেন দ্বিতীয় দিন শেষের বিশ্লেষণ, ‘আমি মনে করি, আমরা একটু ভালো অবস্থানে আছি। হাতে ৫টি উইকেট আছে। আমি সমান সম্ভাবনাই দেখি। কাল (আজ) যদি ভালো একটি সেশন পার করতে পারি তাহলে আমরা ভালো অবস্থায় চলে যাব। তবে উইকেটে ব্যাটিং করাটা সহজ নয়।’ একটা জায়গায় তিনিও একমত অধিনায়কের সঙ্গে, ‘মুশফিক আউট না হলে বলতে পারতাম আমরা ভালো একটি দিন কাটিয়েছি।’
তামিমের ভালো লাগবে যদি প্রথম ইনিংসে অন্তত এক শ রান লিড নিতে পারে বাংলাদেশ, ‘১০০ রানের লিড হলেই আমি বলব ভালো। আমাদের হাতে এখনো দু-তিনজন ভালো ব্যাটসম্যান আছে। মিরাজ আছে, সাব্বির আছে, সাকিবও আছে। নির্দিষ্ট করে এক শ রানের লক্ষ্য দেওয়াটা হয়তো ঠিক হলো না। তারা ভালো জুটি গড়ে রানটা যত দূর নিয়ে যেতে পারে ততই ভালো।’
মুশফিকের মতো সকালের সেশনটাকে স্পর্শকাতর মনে করছেন নির্বাচক হাবিবুল বাশারও, ‘বিশেষ করে ইংল্যান্ড নতুন বল নেওয়ার পরের সময়টা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। উইকেটে নতুন বলে ভালো টার্ন, বাউন্স হচ্ছে। পুরোনো বলে সেটা একেবারে হবে না তা নয়, তবে নতুন বলের মতো অত বড় টার্ন হবে না।’ কাল উইকেট আরও একটা কম পড়লে পুরোপুরি তৃপ্ত থাকতেন হাবিবুল। তবে সাকিব-মিরাজ-সাব্বিরের ওপর তাঁর আস্থা আছে। লিডটা ৫০-এর ওপরে থাকলে নাকি এই টেস্ট জিতেও যেতে পারে বাংলাদেশ!
প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন এখনই অত বড় স্বপ্ন দেখেন না। তবে মুশফিকের মতো তিনিও ৫০-৭০ রানের লিডকে আশাবাদী হওয়ার মতো মনে করছেন, ‘তৃতীয় দিনে আমাদের প্রথম লক্ষ্য হবে ওদের সঙ্গে রানের ব্যবধান কমিয়ে আনা। এরপর লিডের ভাবনা। আমি মনে করি সেটা ৫০ থেকে ৭০ রান হলেই ভালো লড়াই করা যাবে। সে জন্য বাকি ব্যাটসম্যানদের ভালো জুটি গড়তে হবে।’ শেষ বেলায় মুশফিকের আউট নিয়ে আফসোস আছে মিনহাজুলেরও, ‘প্রতিটা বিরতির আগেই আমরা উইকেট হারিয়েছি। নইলে অবস্থান আরও ভালো থাকত। শেষ দিকে মুশফিকের আউটটা না হলেই হতো...।’
দিন শেষের সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ডের প্রতিনিধি হয়ে আসেন গ্যারেথ ব্যাটি। চট্টগ্রাম টেস্টে তিনিও এখন পর্যন্ত দেখছেন ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান’ অবস্থা। ‘টেস্টের এখন যা অবস্থা, আমি মনে করি দুই দলই ভাবতে পারে যে তারা ভালো অবস্থানে আছে। তবে কাল (আজ) সকালে আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশ যেন খুব বেশি দূরে যেতে না পারে’—বলেছেন ইংলিশ অফ স্পিনার  see more 

Info : Prothom-alo

‘ভেবেছিলাম মোটামুটি একটা অভিষেক হলেই হয়’

মিরাজ তুমি আমাদের বাঁচাও!’ পরশু অনুশীলনে দারুণ এক ক্যাচ ধরার পর মাহমুদউল্লাহ রসিকতা করেই বলছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজকে। নিছক রসিকতাই, তবে মাহমুদউল্লাহর এই কথায় ছিল দলের নবীনতম সতীর্থকে প্রশংসা আর সামনে এগিয়ে যেতে পিঠ চাপড়ে দেওয়া। মেহেদী কথা রেখেছেন! দুর্বল এক বোলিং আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামার দুশ্চিন্তা প্রথম দিনেই দূর করে দিয়েছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ যে এগিয়ে থাকছে, সেটা তাঁর অসাধারণ বোলিংয়েই।
বাংলাদেশের সপ্তম বোলার হিসেবে অভিষেকেই ৫ উইকেট হলেও মেহেদী একটি জায়গায় থাকছেন সবার ওপরে। টেস্ট অভিষেকে বাংলাদেশের হয়ে ৫ উইকেট পাওয়া সবচেয়ে কম বয়সী বোলারই তিনি। টেস্ট ইতিহাসেই চতুর্থ। এমন স্বপ্নের অভিষেক আসলে মেহেদী নিজেও আশা করেননি, ‌‌‘ভাবিনি আমার অভিষেকটা এমন হবে, ৫ উইকেট পাব। ভেবেছিলাম, মোটামুটি একটা অভিষেক হলেই হয়। ২-৩টি উইকেট কিংবা ব্যাটে ৩০ রান। টিম ম্যানেজমেন্টও আমার কাছে ৫-৬ উইকেট আশা করেনি। তারা চেয়েছে, অভিষেকে যেন আমি শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করি আর ভালো জায়গায় বোলিং করি।'
উইকেটের চরিত্র বুঝে ওভারের পর ওভার বোলিং করা, মারাত্মক সব বাঁকে ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের বোকা বানানো—মেহেদী এমনই সপ্রতিভ, বোঝার উপায় নেই যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো আজ বোলিং করছেন। ৩৩ ওভার বোলিং করে ৬ মেডেন। রান দিয়েছেন ৬৪। ইকোনমি ১.৯৩! উইকেটসংখ্যা? আগেই বলা হয়েছে।
মেহেদী আজ সংবাদ সম্মেলনে নিজের সাফল্যের গল্প বলতে গিয়ে কৃতজ্ঞতা জানালেন দুজনকে—আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ দলে ব্রাত্য হয়ে পড়া বাঁহাতি স্পিনার আর সোহেল ইসলাম, বাংলাদেশ যুব দলের সহকারী কোচ, ‘যখন জাতীয় লিগ খেলেছি, খুলনা বিভাগের অধিনায়ক রাজ ভাই (রাজ্জাক) আমাকে সব সময়ই নানা নির্দেশনা দিয়েছেন। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পরও তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি একটা কথাই বলেছেন, চার দিনের ক্রিকেটে যা করেছিস, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও সেটি করবি। ওখানে টানা ৩০-৪০ ওভার এবং জায়গায় বোলিং করতে হবে। জায়গায় যদি বোলিং করিস, তোকে কেউ খেলতে পারবে না। সোহেল স্যারও আমাকে একই নির্দেশনা দিয়েছেন।’
সোহেলকে যে একরকম নিজের শিক্ষাগুরু মানেন, সেটিও জানালেন, ‘সোহেল স্যার আমাকে অনূর্ধ্ব-১৫ থেকেই এখনো পর্যন্ত নানা নির্দেশনা দিচ্ছেন। কীভাবে উন্নতি করা যায়, এ নিয়ে সব সময় তাঁর সঙ্গে আমার আলোচনা হয়। আমার যেমন ভালো লাগছে, তাঁরও নিশ্চয়ই তেমন।’
দুর্দান্ত এক টার্নে বেন ডাকেটকে বোল্ড করে শুরু; জনি বেয়ারস্টোকে দিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিটি উইকেটই মূল্যবান। তবে মেহেদীর কাছে এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে জনি বেয়ারস্টোর উইকেটটিই, ‘সেরা উইকেট বলব ওই আউটটা...যেটাই পঞ্চম উইকেট হলো (বেয়ারস্টো)। বল পড়ে সোজা গেছে। আমিও বুঝিনি, সে–ও বোঝেনি!’
মেহেদীর সামনে বড় এক অর্জনের হাতছানি। ৭৪ রানে ৬ উইকেট নিয়ে অভিষেকে বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ে সবার ওপরে আছেন সোহাগ গাজী। তাঁকে ছুঁতে ১টি, ছাড়িয়ে যেতে ২ উইকেট লাগবে মেহেদীর। তবে রেকর্ডের চেয়েও নিশ্চয়ই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, ইংল্যান্ডের বাকি তিন উইকেট যত দ্রুত সম্ভব তুলে নেওয়া। রেকর্ড, সে তো এমনই আসবে-যাবে see more 

Info : Prothom-alo

ঝিনুক নীরবে সহো, নেইমারকে তিতে

একটা সময় নেইমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি কারণে-অকারণে ডাইভ দেন। বার্সেলোনায় আসার নেইমার এই দুর্নাম মুছে ফেলেছেন। কিন্তু এখনো প্রায়ই মাঠে পড়ে যেতে দেখা যায় তাঁকে। কারণটা আর কিছুই নয়, প্রতিপক্ষের কড়া ট্যাকলের শিকার হন বারবার।

এই কড়া ট্যাকল এড়ানো যেমন শিখতে হবে, একই সঙ্গে নেইমারকে আরও একটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে বললেন তিতে। আহত হয়ে পাল্টা আক্রমণ না করা। এই করতে গিয়ে নেইমার যে বারবার নিজের ও দলের বিপদ ডেকে আনছেন।

মাথা গরম করার কারণে লাল কার্ড দেখেছেন, হলুদ কার্ড তো হরহামেশাই। প্রতিপক্ষ নেইমারের এই ব্যাপার নিয়েও ‘খেলছে’ বলে মনে করেন ব্রাজিল কোচ। ইচ্ছে করেই নেইমারকে উসকানি দেওয়া হয় যেন নেইমার মাথা গরম করে ফেলেন। আর সেই ফাঁদে নেইমার পা দিচ্ছেন বারবার।

নেইমারকে নীরবে অনেক কিছু সয়ে যেতে বললেন তিতে। তবেই না ঝিনুকের মতো মুক্তো ফলাতে পারবেন!

হতাশা থেকে মাথা গরম করেই বলিভিয়া ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। ভেনেজুয়েলা ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে হয়েছে নেইমারকে। তিতে বলছেন, ‘নেইমারকে বলিভিয়া ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কতবার মাঠ থেকে তুলে আনার কথা ভেবেছি জানেন? প্রায় ১০ বার। ওকে এভাবেই পরিণত হতে হবে। আমি ওকে বলেছি, নেইমার, কার্ডের কথা ভুলে গিয়ে মন খুলে খেলো, ড্রিবল করো, শুট নাও। কার্ডের ব্যাপারটা আমার ওপর ছেড়ে দাও।’

নেইমারের বার্সেলোনায় আছেন জন্যই এ নিয়ে বেশি ভাবেন না তিতে, ‘এটাই পরিণত হওয়ার পদ্ধতি। প্রথমত ও ঠিক ক্লাব বেছে নিয়েছে। ঠিক জায়গায় আছে ও। ফলে আমি নিশ্চিত ও আরও উন্নতি করবে। ওকে শুধু এই ফাউলগুলো হজম করাটা শিখতে হবে। ও অন্য রকম এক প্রতিভা। কিন্তু এই ফাউলগুলো এড়ানো ওকে শিখতেই হবে see more 

Info : Prothom-alo

‘ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা অন্য রকম কিছু একটা’

টানা চার ম্যাচে চার জয়। কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বেই বিদায় নেওয়া লজ্জা, আর এর সঙ্গে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খোঁড়াতে থাকা ব্রাজিলের চেহারাই বদলে দিয়েছেন তিতে। সামনের ম্যাচটি নিয়ে তাই প্রত্যাশা বাড়ছেই। এবার যে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা!

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ মানেই তো বাড়তি এক রোমাঞ্চ। তিতে নিজেও তা অস্বীকার করতে পারলেন না। বললেন, ‘ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা অন্য রকম কিছু একটা ব্যাপার।’ তবে ব্রাজিল কোচ হয়তো চান না, এ নিয়ে বেশি বেশি ভেবে মনোযোগ সরে যাক। প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা যেমন সত্যি, তার চেয়ের বড় সত্যি, এটি বাছাইপর্বের আরেকটি ম্যাচও।

তবে ব্রাজিল কোচ হিসেবে প্রথম আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজের রোমাঞ্চও লুকোতে পারছেন না তিতে, ‘আমাদের লক্ষ্য বিশ্বকাপে যাওয়া, সেখানেই আমাদের পুরো মনোযোগ। এমন নয় তো এই ম্যাচের জন্য আপনি বেশি পয়েন্ট পাবেন। কিন্তু এই ম্যাচ নিয়ে সংবাদমাধ্যম, বাকি সবকিছু সব মিলিয়েই এটি অন্য রকম একটা ম্যাচ হয়ে ওঠে। এটা আমার জন্য সত্যি স্বপ্ন হওয়ার মতো। এই ম্যাচের দায়িত্ব পালন করতে পারাটাও তো সম্মানের।’

আগামী ১১ নভেম্বরের ম্যাচটির জন্য দলও ঘোষণা করেছেন তিতে। পুরো শক্তির ব্রাজিলকে নিয়েই আর্জেন্টিনার জন্য তৈরি হচ্ছেন কোচ see more 

Info : Prothom-alo

Saturday, October 15, 2016

ফ্লাইটে গ্যালাক্সি নোট ৭ নিষিদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের

স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি নোট ৭ ফ্লাইটে নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন দপ্তর। গতকাল শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গ্যালাক্সি নোট ৭-এ আগুন লাগার খবরের পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন পরিবহন দপ্তর ওই পদক্ষেপ নিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, আজ শনিবার থেকে যাত্রীরা ফ্লাইটে গ্যালাক্সি নোট ৭ তাঁদের সঙ্গে রাখতে পারবেন না। লাগেজেও রাখতে পারবেন না।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি (এফএএ) স্যামসাংয়ের এই ফোনটি লাগেজের ভেতরে না নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছিল।
চলতি সপ্তাহে স্যামসাং ঘোষণা দেয়, তারা আর গ্যালাক্সি নোট ৭ তৈরি করবে না। এই ফোন বিক্রি এবং বদলে দেওয়াও পুরোপুরিভাবে বন্ধ ঘোষণা করে প্রতিষ্ঠানটি।
স্যামসাং কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের কাছে গ্রাহকের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। এ কারণে তারা গ্যালাক্সি নোট ৭ আর তৈরি না করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এই ফোন বিক্রি ও বদলে দেওয়ার প্রক্রিয়াও বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে see more 

Info : .Prothom-alo

আফ্রিদিকে দাউদ ইব্রাহিমের হুমকি?

নিজের বিদায়ী ম্যাচ খেলার ইচ্ছা জানানোর পর শহীদ আফ্রিদির বাগ্‌যুদ্ধ লেগে গেছে জাভেদ মিয়াঁদাদের সঙ্গে। টাকার জন্য আফ্রিদি বিদায়ী ম্যাচ চাইছেন—মিয়াঁদাদের এমন মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে বড়ে মিয়াকে বললেন ‘টাকার কাঙাল’। মিয়াঁদাদও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বললেন, ‘আফ্রিদি জুয়াড়ি। ম্যাচ পাতায়।’ আফ্রিদিও পাল্টা হুমকি দিয়েছেন তাঁর একসময়ের কোচ ও পাকিস্তানের সাবেক এই কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার।

তবে মিয়াঁদাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যে খুব সহজ হবে না, সেটি বোধ হয় বুঝতে পারছেন আফ্রিদি। ভারতের একটি বার্তা সংস্থার খবরে জানা গেছে, আফ্রিদি নাকি সম্প্রতি হুমকি পেয়েছেন দাউদ ইব্রাহিমের কাছ থেকে। মাফিয়া নেতা দাউদের মেয়ের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছে মিয়াঁদাদের ছেলের। তাঁরা এখন পরস্পরের আত্মীয়। বেয়াইয়ের অপমানে ক্ষুব্ধ দাউদ হুমকি দিয়েছেন আফ্রিদিকে। সতর্ক করে দিয়েছেন ভবিষ্যৎ পরিণতির ব্যাপারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় নাকি দাউদ ইব্রাহিমের নামে হুমকিবার্তা পান আফ্রিদি। এ ব্যাপারে মিয়াঁদাদের কিছু বলার প্রশ্নই ওঠে না। আফ্রিদিও আছেন একেবার ‘স্পিকটি নট’ হয়ে see more 

Info : Prothom-alo

কুক–রুটকেই হুমকি ভাবছেন তামিম

একজনের নামের পাশে সাড়ে ১০ হাজার রান। আরেকজন বাংলাদেশে আসার আগের সিরিজেই খেলেছেন আড়াই শ রানের ইনিংস। ইংল্যান্ড সিরিজে এই দুজনকে ঠেকানোটাই মূল কাজ মনে করছেন তামিম ইকবাল। প্রথম জন ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুক ও দ্বিতীয়জন ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে থাকা জো রুট।

‘খুব ভালো ফর্মে আছে ইংল্যান্ড। দলের সবাই ভালো খেলছে। তবে সব দলেই এক-দুজন খেলোয়াড় থাকে, যাদের কথা আলাদা করে ভাবতে হয়। এই সিরিজে আমাদের ভাবতে হবে কুক আর রুটকে নিয়ে। টেস্ট সিরিজে কুক আর রুটই হবে আমাদের মূল টার্গেট’—কাল মুঠোফোনে বলেছেন টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক তামিম।

কাজটা যে বাংলাদেশি বোলারদের জন্য সহজ হবে না, তিনি মানেন সেটিও। কিন্তু টেস্টে ভালো কিছু পেতে হলে কুক-রুটকে থামানোর বিকল্পও দেখছেন না তামিম, ‌‘কুক টেস্টে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি রান করেছে। রুটও রান করেই যাচ্ছে। অন্য ব্যাটসম্যানদের ওপর থেকে মনোযোগ সরানো যাবে না, কিন্তু এ দুজনকে যে করেই হোক ভালোভাবে সামলাতে হবে।’

বোলারদের চ্যালেঞ্জ কুক-রুট, আর ব্যাটসম্যানদের সামলাতে হবে আদিল রশিদকে। আফগানিস্তান সিরিজের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও লেগ স্পিনের সামনে ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা প্রকট হয়ে ধরা পড়েছে। তিন ওয়ানডেতে ১০ উইকেট নেওয়া আদিল রশিদ তো আছেনই, ইংল্যান্ডের টেস্ট দলে যোগ হয়েছেন দুই মৌসুমি লেগিও। একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান গ্যারি ব্যালান্স ও আরেকজন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ১৯ বছর বয়সী হাসিব হামিদ।

লেগ স্পিনারদের প্রসঙ্গ উঠতেই তামিম সতর্কবার্তা জারি করলেন ব্যাটসম্যানদের জন্যও, ‌‌‘আমরা লেগ স্পিনারদের ভালোভাবে খেলতে পারছি না। আদিল রশিদের ১০ উইকেট পাওয়া সেটাই প্রমাণ করে। কিছু উইকেট হয়তো ও বাজে বলে পেয়েছে, তবে লেগ স্পিনারদের বলে আমাদের আরও সতর্ক হয়ে খেলতে হবে।’

ইংল্যান্ডের সঙ্গে শেষ ওয়ানডেতে তামিম নিজেও আউট হয়েছেন রশিদের বলে। লেগ স্পিন নিয়ে সতর্কবার্তাটা তাই তাঁর নিজের জন্যও প্রযোজ্য। অবশ্য টেস্টের প্রতিপক্ষ যখন ইংল্যান্ড, তামিমের কাছে চাওয়াটা এমনিতেই একটু বেশি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত খেলা চার টেস্টে ৬৩.১২ গড়ে রান করেছেন ৫০৫। দুটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটি। সেঞ্চুরি দুটিও এসেছে ২০১০ সালে দুই দলের সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে see more 

Info : Prothom-alo

বল হাতে উইকেট সাব্বিরের

ক্যারিয়ারের শুরুতে লেগ ব্রেকটা নিয়মিতই করতেন। কিন্তু জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার পর সাব্বির রহমান পরিচিতি একজন বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান হিসেবে। জাতীয় দলের হয়ে দুই-একটি ম্যাচ বাদে সাব্বিরকে বল হাতে ওইভাবে দেখা যায়নি। সেই সাব্বিরই আজ চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে নিজের বোলিংটাকে ঝালিয়ে নিলেন দারুণভাবে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৫ ওভারের প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশের হয়ে সাব্বির তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। যার একটি টেস্টে অন্যতম সেরা ইংলিশ ব্যাটসম্যান জো রুটের। টসে জিতে ব্যাট করতে নামা ইংল্যান্ড নির্ধারিত ৪৫ ওভারে ৩ উইকেটে করেছেন ১৩৭ রান। জো রুট ছাড়াও সাব্বিরের বলে আউট হয়েছেন আলোচিত তরুণ ব্যাটসম্যান হাসিব হামিদ ও মঈন আলী। ৯ ওভার বল করে সাব্বির ৩ উইকেট নিয়েছেন ২৭ রান দিয়ে।

৪৫ ওভারের খেলা হলেও ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা টেস্ট সিরিজেরই প্রস্তুতি নিয়েছেন। ৫৯ রান করে ‘অবসরে’ গেছেন বেন ডাকেট। গ্যারি ব্যালান্স করেছেন ২৭, মঈন আলী ২৪। ডাকেটের ইনিংসটা ওয়ানডে কেতার হলেও হাসিব হামিদ, গ্যারি ব্যালান্স, মঈন আলী, জনি বেয়ারস্টোরা উইকেটে সময় কাটিয়েছেন। হাসিব ১৫ রান করেছেন ১০০ মিনিট উইকেটে থেকে, ৫৬ বলে, ব্যালান্সের ২৭ ৭২ বল খেলে, মঈন আলী খেলেছেন ৬৩ বল। শেষের দিকে বেয়ারস্টোও ২ রান করতে সময় নিয়েছেন ১৫ মিনিট।

এর আগে, সাব্বিরের বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে নুরুল হাসানের হাতে ধরা পড়েন হাসিব। এরপর রুটকেও এলবিডব্লিউ করে ফেরান সাব্বির। মঈন আলী তাঁর বলে ধরা পড়েন কামরুল ইসলাম রাব্বীর হাতে।

প্রস্তুতি ম্যাচ বলে নিজেদের খেলোয়াড়দের বিভিন্নভাবে পরখ করে নেওয়াতে সমস্যা নেই। বিসিবি একাদশও এখনো পর্যন্ত ব্যবহার করেছে ৮ বোলারকে—ইবাদত হোসেন, সৌম্য সরকার, আবু জায়েদ, শুভাগত হোম চৌধুরী, সাব্বির রহমান, কামরুল ইসলাম রাব্বী, রুবেল হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেন। ভালো বল করেছেন সকলেই। ইবাদত ও আবু জায়েদ দুজনেই বল করেছেন ৬ ওভার করে। এই দুজনের মধ্যে জায়েদ দারুণ করেছেন। ৬ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৭ রান।

ইবাদতের ৬ ওভার থেকে এসেছে ২৭। সৌম্য ৫ ওভারে ২২, শুভাগত ৪ ওভারে ১০। কামরুল রাব্বীও কম যাননি ৬ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৪। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে না খেলা রুবেল ৫ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৪ রান।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় ব্যাট করছিল বিসিবি একাদশ। ৯ ওভারে তাদের সংগ্রহ ৩৭ রান। শাহরিয়ার নাফীস অপরাজিত আছেন ২৬ রানে। সৌম্য খেলছেন ৭ রান নিয়ে see more 

Info : Prothom-alo

Thursday, October 13, 2016

কোরসায়ার ব্র্যান্ডের নতুন গেমিং র‍্যাম বাজারে

দেশের বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে কোরসায়ার ব্র্যান্ডের ডমিনেটর প্লাটিনাম সিরিজের ডিডিআরফোর গেমিং র‍্যাম। এক্সট্রিম ওভারক্লকিং এবং হার্ডকোর গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এ র‍্যাম ইনটেল ১০০ সিরিজ সমর্থন করে। এর গতি ৩২০০ মেগাহার্টজ। ১৬ গিগাবাইটের এই র‍্যামে রয়েছে প্রোডাক্ট লাইফ টাইম ওয়্যারেন্টি। র‍্যামের দাম ১২ হাজার ৫০০ টাকা। বাংলাদেশের বাজারে এই র‍্যাম বিপণন করছে স্মার্ট টেকনোলজিস see more 

Info : Prothom-alo