Thursday, December 15, 2016

পাঠকের উকিল

জীবনে চলতে-ফিরতে যেসব আইনি জটিলতায়পড়তে হয়, পাঠকের উকিল বিভাগে তারই সমাধান পাওয়া যাবে। এ বিভাগে আইনি সমস্যার সমাধান দেবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ মাহতাব। স্পষ্ট করে নিজের সমস্যা লিখে পাঠান। প্রয়োজনীয় কাগজের অনুলিপি দিন।খামের ওপর লিখুন: পাঠকের উকিল, নকশা, দৈনিক প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। এ ছাড়া naksha@prothom-alo.info এই ঠিকানায়ই-মেইল করেও সমস্যার কথা জানাতে পারেন।
 আমার বয়স ৩০, অবিবাহিত। তিন বছর আগে বিবাহিত এক মুসলিম নারীর সঙ্গে আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল। নিজের ভুল বুঝতে পেরে আমি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে অন্যত্র বদলি হই। কিছুদিন পর ওই নারী মোবাইল ফোনে জানায় যে তার একটি ছেলেসন্তান হয়েছে এবং সেটি আমারই, তার স্বামীর নয়। সন্তান জন্মের পর তার ডিভোর্স হয়ে গেছে নিজের ইচ্ছাতেই। এরপর সে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা নিত। বর্তমানে তার ব্ল্যাকমেলে আমি অতিষ্ঠ। আমার প্রশ্ন হলো, পরীক্ষার মাধ্যমে ওই সন্তান যদি আমার বলে প্রমাণিত হয়, সে ক্ষেত্রে আমি আইনের আশ্রয় নিলে কি বিচার হবে? ওই সন্তান ভবিষ্যতে আমার সম্পত্তির অংশীদার হবে কি?
উল্লেখ্য, আমি তার সঙ্গে আর কখনো দেখা করিনি, সে মোবাইলে টাকাপয়সা নিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
 বিবাহিত থাকার সময় যদি একজন স্ত্রীর সন্তান হয় সে ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে ধরে নেওয়া হবে, সেই শিশুটির পিতা তার স্বামী। বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে কোনো শিশুর জন্ম হলে সেই সন্তানটি অবৈধ সন্তান হবে এবং আপনার সম্পত্তিতে তার কোনো অধিকার বর্তাবে না।
 আমার বিয়ে হয়েছে দুই বছর সাত মাস। স্বামী লন্ডনে থাকেন। তাঁর সঙ্গে আমার ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর এখনো তাঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। গত এক বছরে তিনি আমার ভরণপোষণ দেননি। আমি এখন তাঁকে ডিভোর্স দিতে চাই। কীভাবে আমি তাঁকে ডিভোর্স দেব?
নসরাত মারজিয়া
 আপনার বিয়ের কাবিননামায় তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া থাকলে আপনি নির্ধারিত কাজির মাধ্যমে তালাক দিতে পারেন। এ ধরনের তালাক সাধারণত তিন মাস পর কার্যকর হয়।
 আমার দুলাভাই পাটের একজন আড়তদার। তাঁর আড়তে একজন পাট বিক্রি করতে এলে শ্রমিকের
আজমল হোসেন
 মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে, তা চিঠির ভাষায় পরিষ্কার নয়। আপনার দুলাভাই আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা করতে পারেন। জামিন নামঞ্জুর হলে উচ্চতর আদালতে যাওয়া যাবে। একজন বিচক্ষণ ফৌজদারি উকিলের মাধ্যমে আপনাদের মামলাটি পরিচালনা করা প্রয়োজন।
সঙ্গে মারামারি হয়। লোকটি পরের দিন বাড়িতে গিয়ে মারা যান। পরে তাঁরা দুলাভাইয়ের নামে হত্যা মামলা করেন, অথচ তিনি ছিলেন আড়তের ভেতরে। এখন দুলাভাই হাজতে আছেন। কী করতে পারি?
 আমরা দুই বোন ও এক ভাই। আমি শুনেছি মৃত পিতার বসতবাড়ির সম্পত্তিতে মেয়েদের কোনো অধিকার থাকে না। এটা কি সত্য?
তানিয়া শারমীন
 মুসলিম আইনে নারীরা যেকোনো সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। সুতরাং মৃত পিতার বসতবাড়িতে আপনাদের অধিকার আছে। আপনার মা জীবিত থাকলে আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে তিনি আট ভাগের এক ভাগের অংশীদার হবেন। বাকি সম্পত্তিতে আপনারা দুই বোন এক ভাইয়ের সমান অংশ পাবেন।
অর্থাৎ আপনি আপনার ভাইয়ের প্রাপ্য অংশের অর্ধেক পাবেন see more 

Info : Protho4m-alo

শীতে চোখ ভালো রাখবেন যেভাবে

শীতের সময় ত্বক আর চুলের যত্নে অনেকেই তৎপর থাকেন। শীতের সময় ত্বক আর চুলের পাশাপাশি চোখের জন্য বাড়তি যত্ন নেওয়া দরকার। শীতের সময় চোখের পুরোপুরি যত্ন না নিলে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হয়। শীতে চোখের বাড়তি যত্ন হিসেবে যা করবেন:

চশমা ব্যবহার করুন: যখন বাইরে যাবেন, অবশ্যই চোখে চশমা ব্যবহার করুন। এ সময় বাতাসে ধূলিকণা বেশি থাকে। সরাসরি সূর্যের আলো যাতে চোখে না পড়ে, এ জন্য পুরো চোখ ঢেকে থাকে—এমন ফ্রেমের চশমা ব্যবহার করতে পারেন।

শরীর আর্দ্র রাখুন: শীতের সময় শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর তরলজাতীয় খাবার খান। শুধু পানি পানের পরিবর্তে গরম গরম স্যুপ খান, যা শরীর উষ্ণ ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে। এতে চোখের শুষ্কভাব কমবে।
ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার খান: ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ বেশি করে খান। এতে চোখে অশ্রু বেশি তৈরি হবে এবং চোখ শুষ্ক হবে না।

ফুলকপি: চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

মিষ্টিকুমড়া: প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ বলা যেতে পারে মিষ্টিকুমড়াকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত খাদ্যতালিকায় মিষ্টিকুমড়া রাখলে কেবল চোখ ও ত্বক সুস্থ থাকে না, এড়ানো যায় অনেক অসুখ-বিসুখ।

চোখের ব্যায়াম:
চোখের উপযোগী ব্যায়াম নিয়মিত করা উচিত। মাথা সোজা রেখে চোখ হাতের ডান থেকে বাঁয়ে ও বাঁ থেকে ডানে ১০ বার ঘোরাতে হবে। প্রতিদিন সম্ভব না হলে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন করা যেতে পারে।

চোখের ক্লান্তি দূর: চোখের ক্লান্তি দূর করতে প্রকৃতির সবুজ রঙের জুড়ি নেই। একটু সময় পেলে সবুজে ঘেরা কোথাও থেকে ঘুরে আসুন। মনও ভালো থাকবে, চোখও আরাম পাবে see more 

Info : Prothom-alo

সরষের যত সরেস গুণ!

সরষে কি শুধু তেলের জন্যই? না, এই রবিশস্যের মেলা গুণ। সরষের ফুল থেকে শস্য বীজ পর্যন্ত সবই খাওয়া হয়। শীত মৌসুমে অনেক বাড়িতেই সরষে শাকের বেশ কদর রয়েছে। সরষে ফুল দিয়ে উপাদেয় বড়া হয়। আর দানা? এর গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। এক সরষে-ইলিশের কথা মনে পড়লেই তো জিবটা বড় উতলা হয়ে ওঠে। এখন জানা যাক সরষের কিছু সরস গুণের কথা:

জ্বর সারাতে: সরষের মধ্যে আছে সেলেনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। হাঁপানি, ঠান্ডা জ্বর, সর্দি, কফ, কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দিতে পারে সরষে।

হজমশক্তি বাড়ায়: সরিষায় আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ফলিক অ্যাসিড, নিয়াসিন ও থায়ামিন, যা শরীরে মেটাবলিজমের পরিমাণ বাড়িয়ে হজমে শক্তি জোগায়।

ওজন কমাতে: সরিষা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
কোলেস্টেরল কমায়: কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ করে: সরিষার ক্যারোটিন, ফ্লেভোনয়েড অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, সি ও কে বয়সের ছাপ দূর করে এবং অন্ত্রের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর।
বাত দূর করে: বাতরোগ ও হাড়ের জোড়ায় ব্যথা উপশমে আক্রান্ত স্থানে সরষে বাটা বা তেল মালিশ করলে আরাম পাওয়া যাবে।
খুশকি দূর করে: সপ্তাহে এক দিন চুলে কুসুম-কুসুম গরম সরিষার তেল মালিশ করলে মস্তিষ্ক শিথিল হয়, খুশকি দূর হয় ও চুল দ্রুত বাড়ে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সরিষা কাজে লাগে।
চর্মরোগ দূর করে: সরিষা দানায় রয়েছে সালফার, ফাইবার, বিভিন্ন ছত্রাকনাশক ও জীবাণুনাশক উপাদান, যা চর্মরোগ প্রতিরোধ করে।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: সরিষায় বিদ্যমান মিনারেল যেমন লোহা, ম্যাংগানিজ, কপার, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ক্যালসিয়াম, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তথ্যসূত্র: হেলদিলিভিং ডটকম see more 

Info : Prothom-alo

১০০ কোটির বেশি ইয়াহু অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

  চুরি হওয়া তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ইমেইল রয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়াহু। ছবি: রয়টার্স২০১৩ সালেও ইয়াহু হ্যাকড হয়েছিল। এতে ১০০ কোটির বেশি ইউজার অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে ইয়াহু। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইয়াহু জানায়, ২০১৪ সালে হ্যাকাররা প্রায় ৫০ কোটি অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি করেছে। কোনো রাষ্ট্রের মদদে এ কাজ হয়েছিল বলে ইয়াহু ধারণা করে।
ইয়াহুর ভাষ্য, চুরি হওয়া তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ইমেইল রয়েছে। ব্যাংক ও পেমেন্টের কোনো তথ্য চুরি হয়নি।
ইয়াহুর মালিকানা প্রতিষ্ঠান ভেরিজোন বলছে, ব্যবহারকারীর তথ্য চুরির ঘটনায় তারা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে see more 


Info : Prothom-alo.

শাস্তির ব্যাপারে ভারতীয় খেলোয়াড়দের ছাড় দেয় আইসিসি!

মোহালিতে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ঝগড়া লেগেছিল বিরাট কোহলি ও বেন স্টোকসের মধ্যে। সেখানে আইসিসির কাছ থেকে শাস্তি পেলেন স্টোকস। মুম্বাইয়ে পরের টেস্টেও হলো ঝামেলা, এবার জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হলো রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। এবারও ডিমেরিট পয়েন্ট পেলেন শুধু ইংল্যান্ড পেসারই। অশ্বিনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন ম্যাচ রেফারি, কিন্তু কোনো শাস্তি পেতে হয়নি ভারতীয় স্পিনারকে।
এ থেকেই স্টোকসের উপলব্ধি, ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা শৃঙ্খলাজনিত ব্যাপারগুলোতে ভারতের খেলোয়াড়দের সুবিধা দিচ্ছে। সরাসরি কিছু বলেননি, তবে যে সুরে কথা বলেছেন স্টোকস, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, আইসিসির এমন ‘এক পাক্ষিক’ বিচারে মোটেও খুশি নয় ইংল্যান্ড। খেলোয়াড়ের নাম কী, কিংবা কোন দলে খেলেন—এসব বিবেচনা না করেই শৃঙ্খলাজনিত বিষয়গুলো বিচার করার জন্য বলছেন ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার।
সাংবাদিকদের স্টোকস বলেছেন, ‘এগুলো (খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি) খেলারই অংশ। এগুলোকে কেন দমিয়ে রাখতে চায়, সেটিরই কোনো কারণ খুঁজে পাই না। কিন্তু তা যদি করতেই হয়, তবে সবার জন্য নিয়মটা একই হওয়া উচিত। কিছু নির্দিষ্ট মানুষকে নির্দিষ্ট ব্যাপারে ছেড়ে দেবেন, অন্যদের দেবেন না, এটা হতে পারে না। যদি কোনো একজনের বিচার করেন, অন্যজনেরও করতে হবে। তা তিনি যে-ই হোন, বা যে দলেই খেলেন না কেন।’
কথা শুনে মনে হতে পারে, স্টোকসের ইঙ্গিতটা কোহলি ও অশ্বিনের শাস্তি না পাওয়ার দিকে। ইংলিশ অলরাউন্ডারকে জিজ্ঞেসও করেছিলেন সাংবাদিকেরা, কোহলি ও অশ্বিনের ম্যাচ রেফারিরা আগলে রাখছেন কি না। স্টোকস অবশ্য কারও নাম নেননি, ‘আমি জানি না (ম্যাচ রেফারি কোহলিদের আগলে রাখছেন কি না), অত ভাবিও না এসব নিয়ে। তবে যিনিই শৃঙ্খলাজনিত বিষয়গুলো দেখাশোনা করেন, তাঁর উচিত হবে সবার জন্য একই বিচার করা।’
তবে আইসিসিকে বাঁকা কথা শোনালেও কোহলির প্রতি ব্যক্তিগতভাবে স্টোকসের কোনো রাগ নেই। ভারত অধিনায়ককে যথেষ্ট সম্মান করেন তিনি। এ-ও জানালেন, দুজনের যেমন আবেগ, তাতে মাঠে এমন কথা-কাটাকাটিও আরও হতে পারে, ‘আমরা দুজনই অনেক প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের, আবেগের প্রকাশও অনেক বেশি করি। এটাই সম্ভবত শেষবার নয়, এমন কিছুতে আরও জড়িয়ে পড়তে পারি আমরা। তবে ব্যক্তিগতভাবে কোনো রাগ নেই। ও সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। এটা আপনাকে মেনে নিতেই হবে, খেলোয়াড় হিসেবেও ওকে অনেক সম্মান করতে হবে see more 

Info : Prothom-alo

Tuesday, December 13, 2016

সিডনির নেটে মোস্তাফিজের গা গরম

কাঁধের অস্ত্রোপচার থেকে সেরে ওঠার পর দেশেই বোলিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের অধীনে চলেছে তাঁর পুনর্বাসন। নিউজিল্যান্ড সফরকে পাখির চোখ বানিয়ে নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে গেছেন অনেক দিন ধরেই। নিউজিল্যান্ড সফরের দলে সুযোগ পেয়ে তাই সামর্থ্যের পুরোটাই ঢেলে দেওয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশের ‘কাটার মাস্টার’।
নিউজিল্যান্ড সফরের আগে বাংলাদেশ দল এখন অস্ট্রেলিয়ায় কন্ডিশনিং ক্যাম্পে। সিডনির ব্ল্যাকটাউন ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস পার্কে গোটা দলের সঙ্গে ঘাম ঝরিয়েছেন মোস্তাফিজ। নেটে টানা কয়েক ওভার বল করে নিজের সামর্থ্যে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন ভালোভাবেই। দেশে থাকতেই ৯০শতাংশ ফিটনেস ফিরে পেয়েছিলেন। সিডনিতে নিজের ফিটনেস একটু পরখ করে নিচ্ছেন আর কি!
আইপিএলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ইংল্যান্ডে সাসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন সীমিত ওভারের ক্রিকেট। সেখানেই কাঁধে চোট পেয়ে অস্ত্রোপচার করাতে হয় তাঁকে। এর পর থেকেই ক্রিকেটের বাইরে তিনি। ঘরের মাঠে আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে দর্শক হয়ে ছিলেন। দর্শক হয়ে ছিলেন সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল)। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে পুরোপুরি ফিট হয়েই মাঠে নামতে চান তিনি।
গত মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলকাতায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ বোলিং করেছিলেন মোস্তাফিজ। ২২ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। যদিও ব্যাটিং ব্যর্থতায় সে ম্যাচে বড় হারের লজ্জাই পেতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। দলের ইনিংস গুটিয়ে গিয়েছিল এক শর নিচে। এবারের নিউজিল্যান্ড সফরে তাই কলকাতার সেই স্পেল থেকেই শুরু করতে চান মোস্তাফিজ see more

Info : Prothom-alo

অবশেষে মেসির কোলে ‘প্লাস্টিক মেসি’

অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হলো মুর্তাজা আহমাদির, প্লাস্টিক মেসি নামে সারা বিশ্বে পরিচিতি ছড়িয়ে গিয়েছিল যাঁর। একেবারে সোজা লিওনেল মেসির কোলে গিয়ে উঠল এই শিশু। প্রীতি ম্যাচ খেলতে বার্সেলোনা এখন এসেছে কাতারের দোহা​য়। সেখানেই আহমাদিকে কোলে টেনে নিয়েছেন বার্সেলোনার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। গত জানুয়ারিতে আর্জেন্টিনার জার্সির আদলে প্লাস্টিকের ব্যাগ কেটে বানানো মেসির জার্সি পরে খেলছিল আহমাদি। তার এই ছবিটা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্বে। আফগানিস্তানের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিশু আহমাদি। জীবন বাঁচাতে যে মা-বাবার সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে। আসল জার্সি কেনার সামর্থ্য নেই বলে পলিথিনের ব্যাগ দিয়ে তৈরি করে নিয়েছিল মেসির জার্সি। এই ভালোবাসা দেখে আবেগে ভেসেছে সবাই। মেসিও।
মেসি নিজে শিশুটিকে ডেকে নিতে চেয়েছিলেন বার্সেলোনায়। ভিসা-জটিলতার কারণে তখন তা সম্ভব হয়নি। পরে ইউনিসেফ আফগানিস্তানের মাধ্যমে মেসি দুটি জার্সি ও কিছু ফুটবল উপহার পাঠান।
এবার বার্সেলোনা দোহায় এসেছে প্রীতি সফরে। এই সুযোগে আহমাদিকেও সেখানে ডেকে নেওয়া হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, আজ আল আহলির বিপক্ষে যখন মাঠে নামবে বার্সেলোনা; মেসি আহমাদিকেও সঙ্গে নিয়ে নামবেন see more

Info : Prothom-alo

নারীরা কেন মাইগ্রেনে বেশি ভোগেন?

পুরুষের তুলনায় নারীদের মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথার সমস্যা প্রায় চারগুণ বেশি। বিশেষজ্ঞরা এর নানা কারণ পেয়েছেন। তবে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল সম্প্রতি একটি উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে। সেটা হলো, যেসব নারী মাইগ্রেনে ভুগছেন, পরবর্তী সময় তাঁদের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেশি।
মাসের বিভিন্ন সময় নারীদের রক্তে নানা হরমোনের ওঠানামা মাইগ্রেনের জন্য কিছুটা দায়ী। গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, মাসিক হওয়ার প্রথম দুই দিন মাইগ্রেনে ভোগার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ৫০ শতাংশ মাইগ্রেন হয় মাসিকের সময় বা ঠিক আগে। তখন রক্তে ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন হরমোনের হঠাৎ নিম্নগামিতা এ জন্য দায়ী। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে মাইগ্রেন বাড়ে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তির পর মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকটাই কমে যায়। এ রকম ঘটে সাধারণত ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীদের। এ ছাড়া যেসব কারণকে দায়ী করা হয়, সেগুলো হলো: মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, কোনো একবেলার খাবার বাদ দেওয়া, হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন, অতিরিক্ত কফি ইত্যাদি। কিছু খাবারও এর জন্য দায়ী, যেমন: ফাস্ট ফুড, কৃত্রিম চিনি, টাইরামিন সমৃদ্ধ খাবার ইত্যাদি।
মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে আগে দায়ী কারণগুলো বের করুন। মাথাব্যথার দিনগুলো ক্যালেন্ডারে দাগ দিন, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় কী খেয়েছেন, কী করছেন, ভেবে দেখুন, মাসিকের দিনগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। দিনের ঠিক কোন সময়টায় ব্যথা শুরু হয়েছিল, মনে করে দেখুন। কারণগুলোকে এড়িয়ে চলতে শিখুন। ভালো ঘুম ও নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস রপ্ত করুন। সচল থাকুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন। অ্যালকোহল, কফি, চকলেট, ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা  see more 


Info : Prothom-alo

রসে রসে খান খেজুরের রস

কুয়াশা-ঢাকা শীতের সকালে টাটকা এক গ্লাস খেজুরের রসের তুলনা হয় না। এই মধুবৃক্ষ থেকে আহৃত রস কাঁচা ও জ্বাল দিয়ে খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এ রস দিয়ে তৈরি গুড় ও পাটালিরও তুলনা নেই। শীতের পিঠা-পায়েসের একটি উপাদেয় উপাদান খেজুরের রস। এই রসে তৈরি দানা, ঝোলা ও নলেন গুড়ের স্বাদ ও ঘ্রাণই আলাদা।

খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে, যা থেকে গুড় ও সিরাপ উৎপাদন করা হয়। খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য এ গুড়ের রয়েছে বিশেষ চাহিদা। খেজুরের গুড়ে আখের গুড়ের চেয়ে বেশি প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল রয়েছে। সকালের নাশতায় খেজুর রসের সিরাপ দিয়ে রুটি খেলেই বেশি তৃপ্তি পাওয়া সম্ভব।

খেজুরের রস কেন খাবেন: বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান (খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ) শামসুন্নাহার নাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এটাকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। যাঁরা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। রস ও গুড়—দুটোই তাঁরা খেতে পারবেন।

যাঁরা খাবেন না: যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন। এতে চিনির পরিমাণ বেশি।

কখন খাবেন, কখন খাবেন না: খেজুরের রস ভোরবেলায় খাওয়া ভালো। সারা রাত ধরে রস জমে থাকার পর সকাল সকাল এ রস খেলে উপকার পাওয়া যায়। তবে সময় যত গড়াতে থাকে, তত এতে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়া হতে থাকে। এতে রসের স্বাদ নষ্ট হয় এবং অম্লতা বাড়ে। অন্ধকারে এই প্রক্রিয়া কম হয়, কিন্তু দিনের আলোতে গাঁজন বেশি হয়। তাই দিনের বেলা রস খাওয়া ঠিক নয়। এতে বমিসহ পেটের নানা সমস্যা হতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, খেজুরের রসে যেন কোনো পোকামাকড় মুখ না দেয়। বাদুড় বা পাখির মুখ দেওয়া রস খেলে রোগ হতে পারে।

কতটুকু রস খাবেন: একজন সুস্থ মানুষ সকালে এক থেকে দুই গ্লাস রস খেতে পারেন। সকালে খালি পেটে খেলেও সমস্যা নেই। যেহেতু এটি এনার্জি ড্রিংক, তাই শরীরে শক্তি জোগাতে পরিমাণমতো রস খাওয়া ভালো।

কীভাবে খাবেন: পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদের পরামর্শ হচ্ছে, রাতে বা সকালে রস খেতে পারেন বা রসের তৈরি বিভিন্ন খাবার খেতে পারেন। তবে রস যেহেতু খোলা অবস্থায় গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়, তাই এতে জীবাণু থাকতে পারে। এটা অস্বাস্থ্যকর। এ জন্য রস হালকা আঁচ দিয়ে বা ফুটিয়ে নিয়ে খাওয়া ভালো। এ ছাড়া রস জ্বাল দিয়ে বিভিন্ন খাবার তৈরি করে খেতে পারেন see more

Info : Prothom-alo

Saturday, November 12, 2016

চোখের ধকল কাটাতে ৪ ব্যায়াম

যাঁরা কাজের ধকল কাটিয়ে কিছুটা আরাম পেতে চান, তাঁরা চোখের চারটি সহজ ব্যায়াম করতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন মানুষ টিভি বা কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে অনেক সময় কাটাচ্ছেন। অনেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বা ঘরে বাতি নিভিয়ে ছবি দেখছেন বা ভিডিও গেম খেলছেন। এতে চোখের ওপর অনেক ধকল যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে ঝাপসা দেখা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া কিংবা চোখের পেশি চুলকানোর মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

সম্প্রতি চোখের ধকল কাটানোর উপায় নিয়ে এনডিটিভি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে ভারতের কলকাতার চক্ষুরোগের চিকিৎসক অমিত সাহার বরাতে বলা হয়েছে, পর্দায় দিকে তাকিয়ে থাকার সময় চোখের পলক ফেলা গুরুত্বপূর্ণ। এতে চোখ ভেজে। পলক পড়া বন্ধ হলে চোখ শুকিয়ে যায়। সাধারণত প্রতি মিনিটে ২০ বার চোখের পলক পড়ে, কিন্তু কম্পিউটারের পর্দায় তাকানোর সময় তা সাতবারে নেমে আসে।

চোখের ধকল কাটাতে যে ব্যায়ামগুলো করতে পারেন:
১. ফোকাস বা দৃষ্টি দেওয়া ব্যায়ামটি চোখের অভ্যন্তরীণ মাংসপেশির। দাঁড়িয়ে বা আরাম করে বসে এ ব্যায়াম করা যায়। আরাম করে বসার পর হাতের বুড়ো আঙুল মুখ থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে রেখে তার ওপর মনোযোগ দিতে হবে। এরপর দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে ১০ থেকে ২০ ফুট দূরের কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। প্রতিবার শ্বাস নেওয়ার পর ফোকাসের বিষয়টি পরিবর্তন করে এ ব্যায়াম চালিয়ে যেতে হবে।

২. কলকাতার চক্ষু বিশেষজ্ঞ শ্যামল সেনের মতে, বাঁ বা ডানে তাকানোর ব্যায়ামটি চোখের পেশির ওপর চাপ ফেলে তা শক্তিশালী করে এবং চোখের অনুভূমিক ও উল্লম্ব দৃষ্টিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ ব্যায়াম করতে সোজা হয়ে আরাম করে বসতে হবে। মাথা না নড়িয়ে যত দূর সম্ভব বাঁ দিকে তাকানোর চেষ্টা করতে হবে। বাঁ দিকের কোনো বস্তুর ওপর পাঁচ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এবার চোখ স্বাভাবিক করে কয়েকবার পলক ফেলুন। একই প্রক্রিয়া ডান দিকে অনুসরণ করুন।

৩. যাঁরা বেশি সময় কম্পিউটারের সামনে থাকেন, তাঁদের জন্য চোখের প্রশান্তির ব্যায়ামটি অধিক কার্যকর। এ ব্যায়াম করলে ধকল কাটে এবং মানসিক প্রশান্তি মেলে। চক্ষু বিশেষজ্ঞ শ্যামল সেনের মতে, চাপ কমাতে যখনই সুযোগ পাবেন ব্যায়ামটি করা ভালো। তাঁর পরামর্শ, আরাম করে বসে কয়েকবার দীর্ঘ শ্বাস নিন। আপনার টেবিল বা ডেস্কে কনুইয়ে হেলান দিন। পারলে কনুইয়ের নিচে নরম কিছু রাখুন। দুহাতের তালু আস্তে আস্তে ঘষে কিছুটা উষ্ণ করুন। চোখ বন্ধ করুন। আপনার হাতের তালু দিয়ে চোখ ঢেকে ফেলুন। আপনার হাতের আঙুল থাকবে কপালে আর তালু চোয়াল স্পর্শ করে থাকবে। খেয়াল রাখতে হবে, চোখের ওপর যেন কোনো চাপ না পড়ে। পরীক্ষা করে দেখুন, এভাবে থাকলে যেন চোখের পলক পড়তে পারে। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট এ ব্যায়াম করতে পারেন।

৪. ধকল কাটাতে চোখের হালকা ম্যাসাজের পরামর্শ দিয়েছেন কলকাতার এন আর এস হাসপাতালের চিকিৎসক অমল ঘোষ। তাঁর মতে, চোখের হালকা ম্যাসাজ রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে চোখের ধকল দূর করতে পারে। চোখের অশ্রুনালির কাছে হালকা চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের আর্দ্রতা বাড়ে এবং চোখের প্রশান্তি দেয়। এ ধরনের ব্যায়াম করতে চোখের পাতার ওপর মৃদুভাবে তিন আঙুল দিয়ে চক্রাকারে ম্যাসাজ করতে পারেন। ১০ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ১০ বার বিপরীত দিকে এ ম্যাসাজ করুন। চোখের দুই পাতার মাঝখানে তিনবার ম্যাসাজ করতে পারেন see more 

Info : prothom-alo.

২০০ কোটি যন্ত্রে ক্রোম

কিছু অর্জন আছে, যা গুগলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানকেও গর্বিত করে তোলে। গুগলের তৈরি ইন্টারনেট ব্রাউজার এমন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। গুগল ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটির বেশি যন্ত্রে সক্রিয়ভাবে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহৃত হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে ক্রোম ডেভেলপার সম্মেলনে ক্রোম ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডারিন ফিশার ক্রোমের এই মাইলফলক ছোঁয়ার ঘোষণা দেন।
ফিশার বলেন, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল সব ধরনের প্ল্যাটফর্ম মিলিয়ে গুগল ক্রোম ইনস্টল ও সক্রিয় ব্যবহারকারী সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়েছে। গুগলের কোনো সফটওয়্যার বা পণ্যের ক্ষেত্রে ২০০ কোটির মাইলফলক পেরোনোর ঘটনা এটাই প্রথম। এর আগে গুগলের পণ্য হিসেবে ১০০ কোটির মাইলফলক পেরিয়েছে বেশ কয়েকটি সেবা। এর মধ্যে আছে গুগল ম্যাপস, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লেস্টোর, গুগল সার্চ ও জিমেইল see more

Info : Prothom-alo

আবারও মাহমুদউল্লাহর শেষ ওভারের জাদু

কী জাদুই না জানেন মাহমুদউল্লাহ! রাজশাহী কিংস-খুলনা টাইটানসের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি আজ খুলনা-চিটাগংস ভাইকিংস ম্যাচেও। সেদিন রাজশাহীর দরকার ছিল শেষ ওভারে ৭ রান। মাহমুদউল্লাহ তুলে নেন ৩ উইকেট। রাজশাহী হারে ৩ রানে। আজ চিটাগংয়ের দরকার ছিল শেষ ওভারে ৬ রান। এবারও মাহমুদউল্লাহ তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। চিটাগং হেরেছে ৪ রানে।
আজ আরেকটি লো-স্কোরিং ম্যাচ দেখল বিপিএল। তবে এই ম্যাচের সব উত্তেজনা যেন জমা ছিল একেবারে শেষ ওভারটির জন্য। ম্যাচটা প্রায় জিতিয়েই ফেলেছিলেন চিটাগংয়ের মোহাম্মদ নবী আর চতুরাঙ্গা ডি সিলভা। শেষ ৩০ বলে তাদের দরকার ছিল ৫০ রান। সপ্তম উইকেটে ২৫ বলে ৪৫ রান যোগ করে খুলনার নিয়ন্ত্রণে থাকা ম্যাচটা হাতের মুঠোয় এনে ফেলেছিলেন চিটাগংয়ের দুই বিদেশি খেলোয়াড়। কিন্তু শেষ ওভারে মাহমুদউল্লাহর ভেলকিতে আরেকটি পরাজয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে চিটাগংকে।
যদিও এই হারে চিটাগংয়ের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরাও কম দায়ী নয়। প্রথম ১০ ওভারে তাদের বাউন্ডারি মাত্র দুটি। ছক্কা নেই একটিও। কেভিন কুপারের বলে আউট হওয়ার আগে তামিম ইকবাল ১২ বলে করেছেন ৩ রান আর ডোয়াইন স্মিথ ১০ বলে ৩। তামিমের স্ট্রাইকরেট ২৫ আর স্মিথের ৩০! উদ্বোধনী জুটির এই ভগ্নদশার প্রভাব পড়েছে পরের ব্যাটসম্যানদের ওপরও।
তবে খুলনা যেভাবে ব্যাটিং শুরু করেছিল, সেভাবে শেষ করতে পারেনি। দুই ওপেনার ১৮ বলে তুলে ফেলেন ৩৪ রান। এর পর ৩৪ বলে খুলনা তুলেছে ১৮ রান, হারিয়েছে ৪ উইকেট। যার মধ্যে আছে মাহমুদউল্লাহর উইকেটটি। তাসকিন আহমেদের শর্ট বল পুল করতে চেয়েছিলেন খুলনা অধিনায়ক। মিড উইকেট থেকে উল্টো দৌড়ে চোখ ধাঁধানো ক্যাচ নিয়েছেন তামিম ইকবাল। ষষ্ঠ উইকেটে নিকোলাস পুরান-আরিফুল হকের ৪৮ রানের জুটি খুলনাকে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। বিপিএলে এখন ১২৭ রানও চ্যালেঞ্জিং স্কোর। এবং সেটি শেষ পর্যন্ত পেরোতে পারেনি চিটাগং see more 

Info : Prothom-alo.

Tuesday, November 8, 2016

চাকরির সুবিধা ফেসবুকে

চাকরির বিজ্ঞাপন পোস্ট ও আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করে তুলতে ফেসবুক নতুন একটি ফিচার যুক্ত করছে। পেশাদার সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট হিসেবে খ্যাত লিঙ্কডইনে এ সেবা রয়েছে। ফেসবুক নতুন ফিচারের মাধ্যমে লিঙ্কডইনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ল।
গত সোমবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে, যা ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনদের নিয়োগ বিজ্ঞাপন পোস্ট করা ও আবেদন গ্রহণ করার সুবিধা দেবে। ফেসবুকে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছেন, যাঁরা লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে এ ফিচার কাজে লাগাতে পারবেন।
বর্তমানে লিঙ্কডইনের আয়ের সিংহভাগই আসে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের মাসিক ফি থেকে। জীবনবৃত্তান্ত পোস্ট ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এ ফি নেয় লিঙ্কডইন। এটি পেশাদার ব্যবসায়ীদের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট হিসেবে খ্যাত।
প্রযুক্তি-বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফেসবুকের চাকরি খোঁজার এই ফিচারের মাধ্যমে ফেসবুক পেজে আরও বেশি মানুষ আকৃষ্ট হবে। এ ছাড়া নিয়োগদাতারাও অনেক মানুষের কাছে বিজ্ঞাপন পৌঁছাতে পারবেন।
ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের আরও বেশি যোগাযোগ বাড়াতে গত অক্টোবর মাসে স্থানীয়ভাবে পণ্য কেনাবেচার সুবিধার জন্য মার্কেটপ্লেস নামের একটি ফিচার উন্মুক্ত করে ফেসবুক see more 

Info : Prothom-alo.

স্যামসাংয়ের নতুন ফোনে নতুন সফটওয়্যার

গ্যালাক্সি ৮ নামের স্মার্টফোনের সঙ্গে নিজস্ব ডিজিটাল সহকারী সফটওয়্যার আনবে স্যামসাং। নতুন স্মার্টফোন ছাড়াও হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্যে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার সফটওয়্যার যুক্ত করছে স্যামসাং।

এ বছরের অক্টোবর মাসে স্যামসাং ভিভ ল্যাবস নামের একটি প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করে। ভিভসের উদ্যোক্তা এর আগে অ্যাপলের সিরি নামক ভার্চ্যুয়াল সহকারী সফটওয়্যার তৈরি করেছিলেন। ভিভ নামের ওই সফটওয়্যার গ্যালাক্সি এস ৮-এ থাকবে।

আগামী বছরের শুরুতেই নতুন স্মার্টফোন আনতে পারে স্যামসাং। অবশ্য এর ফিচারগুলো এখনো নির্দিষ্ট করে বলেনি স্যামসাং। তবে নতুন সফটওয়্যার যুক্ত করার বিষয়টি ইঙ্গিত দিয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সফটওয়্যার যুক্ত করার মাধ্যমে আমাজন, অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফটের পথে পা বাড়াল স্যামসাং।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্মার্টফোনের বাজারে নোট ৭ নিয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খাওয়ার পর এস ৮ স্মার্টফোনটির সফলতার ওপর ক্রেতাদের মন জয় করার বিষয়টিতে নির্ভর করছে স্যামসাং। নোট ৭ স্মার্টফোনটিতে আগুন ধরে যাওয়ার অভিযোগ ওঠায় তা বাজার থেকে ফিরিয়ে নেয় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি see more 

Info : Prothom-alo

না-ও হতে পারে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট!

টেস্টটা শুরু হতে আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। দুই দলও টেস্টের ভেন্যু রাজকোটে চলে এসেছে। অথচ এখনো ইংল্যান্ড আর ভারতের সিরিজের প্রথম টেস্টটি নিয়ে শঙ্কা কাটছে না। আয়োজক ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পক্ষ থেকে যেসব কথা বলা হচ্ছে, তাতে এই প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক—শেষ পর্যন্ত হবে তো টেস্ট!
শঙ্কার কারণটা পুরোনো, আদালতের নির্দেশের কারণে বিসিসিআই তহবিল আপাতত জব্দ হয়ে আছে। ভারত সফরে আসা ইংল্যান্ড দলের থাকা-খাওয়ার খরচ দিতে পারছিল না বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বোর্ডটি। এমনকি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে (ইসিবি) অনুরোধও করেছিল খরচ পাঠিয়ে দেওয়ার। এখন বিসিসিআইয়ের ভাবনা ম্যাচের খরচ। এসব নিয়েই উল্টো ভারতীয় বোর্ড হুমকি দিয়ে বসেছে, খরচ করার অনুমতি না পেলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টটা বাতিল হয়ে যেতে পারে।
কয়েক মাস ধরেই লোধা কমিটির নির্দেশনা পালন করা না-করা নিয়ে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে ঝামেলা চলছে। সুপ্রিম কোর্ট নিয়োজিত এই কমিটি বিসিসিআইয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আনতে কিছু সংশোধনের সুপারিশ করেছিল। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে গত মাসে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। যার মধ্যে একটি—টেস্ট যেখানে হবে, সেখানকার রাজ্য বোর্ডকে টাকা দেওয়ার আগে আদালত নিয়োজিত একটি বিশেষ প্যানেলের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে বিসিসিআইকে।
টেস্ট সামনে রেখে আজ সুপ্রিম কোর্টের কাছে অর্থ ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে পিটিশনও করেছে বিসিসিআই। সেখানে লেখা আছে, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত বোর্ডের জন্য অর্থ ছাড় না দেওয়া হচ্ছে, ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে টেস্ট ততক্ষণ হচ্ছে না।’ পিটিশনের শুনানি আজই হওয়ার কথা।
অবশ্য আদালত নিয়োজিত বিশেষ প্যানেলটি এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তাদের বয়সের যে সীমা আদালত বেঁধে দিয়েছিলেন, সেটি এখনো বাস্তবায়ন না করে বিসিসিআই ‘আদালত অবমাননা’ করেছে। যার জবাবে বিসিসিআইও বলেছে, তারা কোথাও ‘পালিয়ে যাচ্ছে না’, সংশোধনের সবগুলো নির্দেশ তারা ঠিকমতো পালন করবে।
এর আগে গত মাসে নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়ও এমন অর্থ নিয়ে ঝামেলায় পড়েছিল বিসিসিআই। যদিও শেষ পর্যন্ত তিন টেস্টের সেই সিরিজ ঠিকঠাকই শেষ হয়েছে। এবার এই সিরিজ নিয়ে দেখা দিল শঙ্কা। যে সিরিজ আগামীকাল থেকেই শুরু হওয়ার কথা, রাজকোটে প্রথম টেস্ট দিয়ে। এই সিরিজে ভারত ও ইংল্যান্ড খেলবে পাঁচটি টেস্ট।
এর আগের দিনও চলছে এসব অনিশ্চয়তামাখা কথাবার্তা! যদিও সবকিছু এক পাশে সরিয়ে মাঠে খেলা ঠিকই গড়াবে বলেই আশা see more

Info : Prothom-alo.

পার্থে অজেয় প্রোটিয়ারা

পার্থ টেস্টটা কী আয়েশ করেই না জিতে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৭৭ রানের জয়টাও  বোঝাতে পারছে না দুই দলের আসল ব্যবধান। এই পরাজয়ে তো চূর্ণ হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ২৮ বছরের দর্প। ১৯৮৮ সালের পর অস্ট্রেলিয়ান গ্রীষ্মের প্রথম টেস্টে হারল স্বাগতিক দল।
অথচ শুক্রবার সকালে ডান কাঁধটা চেপে ধরে যখন মাঠ ছেড়েছিলেন ডেল স্টেইন, তখনই টেস্টের ফলটা অস্ট্রেলিয়ার অনুকূলেই দেখছিল সবাই। এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়া খেলতে এসে প্রথম ইনিংসে ২৪২ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা। ১ উইকে​েট অস্ট্রেলিয়ার রান ১৬৬, প্রোটিয়াদের মূল বোলিং অস্ত্রও মাঠের বাইরে। স্বাগতিকদের জয় ছাড়া আসলেই আর কিছু ভাবা যাচ্ছিল না।
আপত্কালীন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিও জানেন তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোটা কতটা দুর্দান্ত ছিল, ‘প্রথম দিন শেষে নিজেদের মধ্যে বেশ কড়া কথাবার্তা হয়েছে। সেদিনের খেলায় খুব হতাশ ছিলাম এবং ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছি। আমরা যে প্রতিক্রিয়া দেখালাম সেটা অসাধারণ। দ্বিতীয় দিন থেকেই আমরা অবিশ্বাস্য খেলেছি।’
দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের বিশ্বাসটা এনে দিয়েছেন কাগিসো রাবাদা। স্টেইনের অভাবটা বুঝতে দেননি একদম। পেস, বাউন্স, সুইং, রিভার্স সুইং, ইয়র্কার—কী ছিল না রাবাদার বলে! ২১ বছর বয়সেই পরিপূর্ণ এক ফাস্ট বোলার হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান। পরশু তাঁর বোলিংয়েই অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারে ধস নামে আর কাল দুই মিচেল—মার্শ ও স্টার্ককে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ড্রয়ের আশাটাও শেষ করে দিয়েছেন তিনি। তবে রিভিউতে মার্শের আউটের ঘটনা ‘হক-আই’ প্রযুক্তিকে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা রাবাদা।
তবে পুরো কৃতিত্ব রাবাদাকে দিলে মন খারাপ করতে পারেন টেম্বা বাভুমা, জেপি ডুমিনিরা। পরশু অবিশ্বাস্য এক থ্রোতে ডেভিড ওয়ার্নারকে আউট করেছিলেন। কাল তো আরেকটুর জন্য ইতিহাসেই নাম লিখিয়ে ফেলছিলেন বাভুমা। টেস্টে তাঁর প্রথম বলেই এলবিডব্লু উসমান খাজা! কিন্তু রিভিউতে দেখা গেল সেটা ছিল নো-বল। তাতেই ২১তম বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম বলে উইকেট পাওয়ার কীর্তি গড়া হলো না তাঁর। খাজা পরে ফিরলেন ডুমিনির বলে, এলবিডব্লু হয়ে।
সবার মিলিত প্রচেষ্টাতেই ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি ১৮-তে থামিয়ে দিল প্রোটিয়ারা। ২০১২ সালে পার্থেই সর্বশেষ এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া see more 

Info : Prothom-alo

তামিমদের বিপক্ষে আজ সেই মাশরাফি?

মাশরাফি বিন মুর্তজা-তামিম ইকবাল মাঠে নামার আগেই কাল একবার মুখোমুখি হলেন। বিসিবি একাডেমি মাঠে দুজনের সাক্ষাতে অবশ্য বিপিএলের প্রথম ম্যাচের ঝাঁজটা বোঝার উপায় থাকল না। দুজনের সেকি হাসি-ঠাট্টা!
ছবিটা নতুন নয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভিন্ন দলে খেললেও ব্যক্তিগত সম্পর্কে সেটি আঁচড় ফেলে না। তবে যেহেতু পেশাদার খেলোয়াড়, আবেগটা খেলোয়াড়েরা দূরে সরিয়েই মাঠে নামেন। সর্বোচ্চটাই দেন নিজের দলকে জেতাতে। গতবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস-চিটাগং ভাইকিংস প্রথম ম্যাচটির কথা মনে আছে নিশ্চয়ই! ১৭৭ রান তাড়া করতে নেমে ৩২ বলে অপরাজিত ৫৬ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন ‘ব্যাটসম্যান’ মাশরাফি। ম্যাচের আগে তামিম রসিকতা করে বলেছিলেন, মোহাম্মদ আমিরকে দিয়ে বিপাকে ফেলবেন তাঁকে। আমিরকেই বাউন্ডারি মেরে ৭ বল বাকি থাকতে কুমিল্লাকে জয় এনে দিয়েছিলেন মাশরাফি। এরপর ব্যাট ছুড়ে, মুষ্টিবদ্ধ হাতে খ্যাপাটে দৌড়! বিপিএলের সেরা তিনটি ছবি বাছাই করলে মাশরাফির এই উদ্‌যাপনকে রাখতেই হবে।
আজও প্রতিপক্ষ সেই চিটাগং, দেখা যাবে সেই অলরাউন্ডার মাশরাফিকে? কুমিল্লা অধিনায়ক নিরাসক্ত কণ্ঠে বললেন, এখনো বিপিএলের উত্তাপটা গায়ে লাগেনি। মাঠের খেলা নিয়ে তাই আগাম কিছু বলতে পারছেন না।
গতবার সাদামাটা দল নিয়েই কুমিল্লাকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন মাশরাফি। এবারও দলের চেহারাটা ভিন্নতর নয়। ৪ নভেম্বর বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া প্রথম ম্যাচের খেলোয়াড় তালিকা সেটিই বলে। মাশরাফি, ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, আল আমিন, নাজমুল হোসেন, নাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শরিফের সঙ্গে চার বিদেশি (পাকিস্তানি) সোহেল তানভীর, ইমাদ ওয়াসিম, আসহার জাইদি ও আহমেদ শেহজাদ।
চিটাগং ভাইকিংসের বিষয়টি ভিন্ন। গতবার কাগজে-কলমে শক্তিশালী হয়েও ব্যর্থ হয়েছে তারা। এবারও চিটাগং দলটা অনেক ভারসাম্যপূর্ণ। ‘আইকন’ তামিমের সঙ্গে আছেন স্থানীয় তারকা তাসকিন আহমেদ, আবদুর রাজ্জাকরা। বিশ্ব টি-টোয়েন্টির ‘ফেরিওয়ালা’ ক্রিস গেইল খেলবেন তামিমের দলেই। দুই দিন আগে চিটাগং অধিনায়ক জানিয়েছেন, শক্তিশালী দল গড়ে এবার আর ব্যর্থ হতে চান না, ‘আমরা খুব ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল করেছি। দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়ের সমন্বয়টা বেশ ভালো। গতবারও দল হিসেবে খারাপ ছিলাম না। এবার আরও ভালো। এখন আমাদের মাঠে ভালো খেলতে হবে। যদি দলগতভাবে ভালো খেলতে পারি তবেই ভালো কিছু সম্ভব।’
মাশরাফি-তামিমদের পরই সন্ধ্যায় অন্য ম্যাচে মুখোমুখি মুশফিকুর রহিমের বরিশাল বুলস ও সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। ‘দেখ সাকিব কী সিরিয়াস’—বাঁহাতি অলরাউন্ডারের অনুশীলন দেখে তামিমকে কালই বলছিলেন মাশরাফি। মাঠে যে আরও বেশি ‘সিরিয়াস’ থাকবেন, সেটিরই ইঙ্গিত থাকল ঢাকা অধিনায়ক সাকিবের কথায়, ‘প্রথম ম্যাচের সব সময়ই আলাদা একটা গুরুত্ব থাকে। ভালো ফল করতে পারলে তখন আত্মবিশ্বাস চলে আসে। আমরা এখন সেই দিকটায় মনোযোগ দিচ্ছি।’
প্রথম ম্যাচ নিয়ে সাকিবকে দুবার আসতে হলো সংবাদমাধ্যমের সামনে। ঢাকা অধিনায়কের কী করার আছে! বিপিএল যে শুরুই হচ্ছে দুবার। বিশ্বের আর কোনো টুর্নামেন্ট এভাবে দ্বিতীয়বার শুরু হয়েছে কি না, জানা নেই।
কাগজে-কলমে অবশ্য এবার সাকিবদের দল অনেক এগিয়ে। অধিনায়ক নিজে তো আছেনই, নাসির হোসেন-মোসাদ্দেক হোসেনের মতো স্থানীয় তারকারাও এই দলে। বিদেশিদের মধ্যে থাকছেন কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, ডোয়াইন ব্রাভো, রবি বোপারা, ওয়েইন পারনেলের মতো খেলোয়াড়েরা। এত তারকা সমাবেশ নিয়ে সাকিবের রসিকতা, ‘আমি যে দলে খেলি ওই দলেই তারকা বেশি থাকে। বিষয়টা বুঝি না! গতবার সবাই বলছিল, রংপুর সবচেয়ে ভালো দল। আসলে ভালো দল তারাই, যারা মাঠে ভালো খেলে। এখন মাঠে ভালো করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ see more 

Info : Prothom-alo

বিপিএলেও দুর্দান্ত তামিম

তামিম ইকবাল দুই রানের জন্যই দৌড়েছিলেন। নন-স্ট্রাইক প্রান্তে পৌঁছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু সঙ্গী এনামুল হক প্রান্ত বদলের ঝুঁকি নিতে চাইলেন না। এমন রান আউটে রাগ হওয়াই স্বাভাবিক। গজরাতে গজরাতে ড্রেসিং রুমে ফিরলেন তামিম। অবশ্য তার আগে পেয়ে গেছেন এবারের বিপিএলে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। বেশ কদিন ধরেই তামিম মানে যে ধারাবাহিকতার প্রতিমূর্তি। দুর্দান্ত ফর্মটা বিপিএলেও টেনে আনলেন এই ওপেনার।

তামিমের ফিফটিতে ৩ উইকেটে ১৬১ রান তুলেছে চিটাগং ভাইকিংস। ব্যাটে বল আসছে কিছুটা ধীরে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের সামনে তাই ১৬২ রানের লক্ষ্যটা সহজ হওয়ার কথা নয়।

তামিমের পর এনামুলও ফিরেছেন রান আউটে (১৮ বলে ২২)। সে সময় বেশ চাপে পড়ে যায় চিটাগং। পরে শোয়েব মালিক (২৮ বলে ৪২) ও জহুরুল ইসলামের (২১ বলে ২৯) ​অবিচ্ছিন্ন ৬০ রানের জুটি ভালো সংগ্রহ এনে দেয়। তবে মূল ভূমিকা তাতে তামিমেরই।

গত বছর এপ্রিলে পাকিস্তান সিরিজ থেকে এই বিপিএল-সংস্করণ-প্রতিপক্ষ বদলেছে, সিরিজ বা টুর্নামেন্টেও বদলেছে। কিন্তু ফর্মে এতটুকু মরচে পড়েনি তামিমের। কদিন আগে আফগানিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। আজও তামিমের ব্যাট হেসেছে। ৩৮ বলে করেছেন ৫৪ রান। এর মধ্যে ৩৬ এসেছে বাউন্ডারি থেকে। অবশ্য রান আউটে দৃষ্টিগ্রাহী ইনিংসটির অপমৃত্যু না হলে তামিম-সুবাস পাওয়া যেত আরও see more

Info : Prothom-alo.

Saturday, November 5, 2016

আসছে ফেসবুক ফোন, থাকছে যুগান্তকারী পরিবর্তন

এর আগেও শোনা গেছে, ফেসবুকের নিজস্ব স্মার্টফোন বাজারে আসছে। কিন্তু আজ যে খবরটি জানা গেছে, তা গুজবের চেয়ে একটু বেশি কিছুই। সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই ফেসবুক তাদের নিজস্ব স্মার্টফোন অবশেষে উদ্বোধন করতে যাচ্ছে। আর এই ফেসবুক ফোনটি তৈরি করার জন্য জোর গবেষণা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে সিনেট।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের এ যুগান্তকারী ফোনটি আনা হচ্ছে স্মার্টফোনের বাজারকে সম্পূর্ণ পাল্টে দিতে। ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠান যখন এ হুমকি দেয় তখন অন্য সবারই তা গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।

তবে নতুন এ স্মার্টফোনে যে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েডই ব্যবহার করা হবে, তা অনেকাংশেই নিশ্চিত। দি নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, আসন্ন অনুষ্ঠানে যে ফোন দেখানো হবে তা একটি বিশেষ ধরনের অ্যান্ড্রয়েড ফোন যা ফেসবুকের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত। যেমন অ্যান্ড্রয়েডের হোমস্ক্রিনের বদলে ফেসবুকের নিউজ ফিড আসতে পারে এই ফোনে। অর্থাৎ, ফেসবুকের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়েই এই স্মার্টফোনের জন্য অ্যান্ড্রয়েডকে কাস্টোমাইজ করা হয়েছে।

অন্যান্য সুবিধার মধ্যে থাকবে ক্যামেরা ও মেসেজিং এ ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশন। সাধারণত আমরা অ্যান্ড্রয়েডে যে ক্যামেরা বা মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি তা অ্যান্ড্রয়েডের স্টক অ্যাপ্লিকেশন। কিন্তু এই ফেসবুক ফোনে মেসেজিং এর জন্য থাকবে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশনে থাকবে ফেসবুক ক্যামেরা।

যুগান্তকারী পরিবর্তন
স্মার্টফোনের জগতে ফেসবুক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে যে হুমকি দিয়েছে তার বাস্তব ভিত্তি হলো স্মার্টফোনটির বিশেষ ডিজাইন। স্মার্টফোনটি হতে যাচ্ছে লেগোর মতো। অর্থাৎ এতে বহু খণ্ড থাকবে। এ খণ্ডগুলো জোড়া দিয়েই ফোনটি তৈরি হবে। যেকোনো ব্যবহারকারী ইচ্ছে করলেই এটি নিজের মতো করে সাজিয়ে নিতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, স্মার্টফোনটির ক্যামেরা পছন্দ না হলে চট করে তা খুলে পছন্দমতো ক্যামেরা লাগিয়ে নেওয়া যাবে। একইভাবে প্রসেসর ও অন্যান্য অংশও বদলানো যাবে। এ ধরনের স্মার্টফোনের ক্যামেরার ছবিও অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে, যা স্মার্টফোনে স্থাপন করা যাবে।

এর আগে গুগল এ ধরনের বিচ্ছিন্ন স্মার্টফোন বানানোর চেষ্টা করলেও সে প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত হয়। তবে ফেসবুক সে প্রকল্পটি এগিয়ে নিচ্ছে।

বিশ্বসেরা টিম
ফেসবুকের নতুন স্মার্টফোনটি বানানোর জন্য বিশ্বের অন্যতম সেরা গবেষক ও প্রকৌশলীদের নিয়োগ করেছে ফেসবুক। এ জন্য তারা বেশ কিছুদিন আগেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ফেসবুকের এ ধরনের ৫০টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সন্ধান পাওয়া যায়, যেখানে স্মার্টফোন নির্মাণের কাজে দক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের অনুসন্ধান করা হয়েছে। এরপর তারা যে টিম তৈরি করেছে সেখানে রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি পেশাজীবীদের সমন্বয়ে টিম। এ টিমে যাদের নাম রয়েছে তারা মাইক্রোসফট, সনি এরিকসন, আইফোন, মটোরোলা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে আগে কাজ করেছেন। ফলে ফেসবুক যে স্মার্টফোন নির্মাণ কাজটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে শুরু করেছে তা বলাই বাহুল্য। তবে স্মার্টফোনটি কবে নাগাদ বাজারে আসবে, সে সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য জানাতে পারেননি বিশ্লেষকরা। see more

Info : Kalerkantho.

উইন্ডোজ ৭ এবং ৮.১ এর ইতি টানল মাইক্রোসফট

উইন্ডোজ ৭ এবং ৮.১ এর যাত্রা এখানেই শেষ। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করল মাইক্রোসফট। অবশেষে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটো অপারেটিং সিস্টেম বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

এক বিবৃতিতে মাইক্রোসফট জানায়, বিক্রি বন্ধ মানে উইন্ডোজের নির্দিষ্ট সংস্করণ আর খুচরা ক্রেতা বা অরিজিনাল ইকুইপমেন্টের (ওইএমএস) এর কাছে যাবে না। ওইএমএস হিসাবে ডেল বা তোশিবার নাম বলা যায়। উইন্ডোজ ৭ বা উইন্ডোজ ৮.১ পাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল ওইএমএস।

কম্পিউটার নির্মাতারা দুই বছর আগেই পুরনো দুটো উইন্ডোজসম্পন্ন কম্পিউটার বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এখন থেকে সব নতুন কম্পিউটার উইন্ডোজ ১০ নিয়েই আসবে। আবার যদি আপনি উইন্ডোজ ৭ বা ৮.১ অপারেটিং সিস্টেমের কোনো পিসি কেনেন, তবে তা আর বেশিদিন চলবে না।

২০০৯ সালে উইন্ডোজ ৭ বাজারে আসে। প্রায় ৭ বছর এটি বাজারে প্রতাপের সঙ্গে চলেছে। এরপর উইন্ডোজ ৮ বা ৮.১ টিকে ছিল ৪ বছর। যদিও ৭ ও ৮.১ এর জন্য আপডেট হবে যথাক্রমে ২০২০ সালের জানুয়ারি এবং ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু নতুন করে আর কেউ এ দুটো উইন্ডোজ কিনতে পারবেন না। ফলে উইন্ডোজ ১০ বিক্রি বেড়ে যাবে।

উইন্ডোজ ৭ এবং ৮.১ ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ ১০-এ নিয়ে আসতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। এর মধ্যে অ্যাপল নতুন ম্যাকবুক প্রো এর মাধ্যমে নতুনভাবে বাজারে এসেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, পারসোনাল কম্পিউটারের বিষয়টি শেষ তো হবেই না, বরং নতুন নতুন আপডেট নিয়ে আসতেই থাকবে।see more 

Info : Kalerkantho.

আচমকা পায়ে টান?

সারা দিন হয়তো একটানা দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয় আপনাকে, কিংবা টানা দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন। কারও আবার পায়ে প্রচণ্ড চাপ পড়ে সারা দিনের দৌড়ঝাঁপে। তাঁরা ঘুমের মধ্যে পায়ের মাংসপেশিতে হঠাৎ প্রচণ্ড টান ও ব্যথা অনুভব করতে পারেন। এতে ব্যথায় ঘুম ভেঙে যায়, পা নাড়াতে গেলেও কষ্ট হয়। এ রকম নাজুক সময়ে কী করতে পারেন?
যে পেশিতে ব্যথা অনুভব করছেন, সেটিতে তাৎক্ষণিকভাবে হাত দিয়ে ম্যাসাজ করুন। সম্ভব হলে একটি কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে নিয়ে তা দিয়ে ম্যাসাজ করুন।
মাংসপেশিটি টানটান করতে চেষ্টা করুন। বসা বা শোয়া অবস্থায় পা সোজা রেখে পায়ের আঙুলগুলোকে ভেতরের দিকে টেনে আনতে চেষ্টা করুন। এর ফলে পায়ের পেছনের মাংসপেশি টানটান হবে।
ব্যথা খানিকটা কমে এলে কুসুম গরম পানি ঢালতে পারেন আক্রান্ত স্থানে। গরম সেঁকও দিতে পারেন।
যাঁরা ব্যায়াম করেন, তাঁরা ব্যায়ামের আগে ও পরে পায়ের পেছনের মাংসপেশি টানটান করে স্ট্রেচিং করার অভ্যাস করুন। এতে ব্যায়ামের ফলে পায়ের পেশিতে হঠাৎ চাপ পড়বে না। নতুন কোনো ব্যায়াম করতে চাইলে হঠাৎ করেই বেশি মাত্রায় শুরু করবেন না। যেকোনো ব্যায়ামের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ান।
একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করতে হলেও মাঝে মাঝে পায়ের অবস্থান পরিবর্তন করুন। নিয়মিত বিরতিতে একটু এদিক-ওদিক পা নাড়ান।
প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করুন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
অনেক সময় এসব ক্ষেত্রে পায়ে ব্যথা ও টান ধরে থাকা ছাড়াও পায়ের পেশিতে চাকা বেঁধে আছে বলে মনে হতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই।

ডা. রাফিয়া আলম
মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল see more 
Info : Prothom-alo.

সব যন্ত্রে এক পাসওয়ার্ড

ইন্টারনেটে পাসওয়ার্ড নিয়ে কম বিড়ম্বনায় পড়তে হয় না। এত সব ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন। ভুলে গেলে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করা আরেক ঝামেলা। এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থেই সব ওয়েবসাইটে এক কিংবা সহজ কোনো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে নিষেধ করেন বিশেষজ্ঞরা। তাহলে উপায় কী?

পাসওয়ার্ড ম্যানেজার সফটওয়্যার ব্যবহার করে সহজে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব। এই সফটওয়্যারগুলো কম্পিউটার কিংবা মুঠোফোনে ইনস্টল করে নিলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপে ব্যবহার করা পাসওয়ার্ড নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়। এতে বারবার পাসওয়ার্ড লেখা কিংবা মনে রাখার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যারের মাস্টার পাসওয়ার্ড মনে রাখলেই হলো। সফটওয়্যারটি চালুর সময় একবার সে পাসওয়ার্ড দিতে হয়।
পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার হিসেবে লাস্টপাস সবচেয়ে জনপ্রিয়, নির্ভরযোগ্যও। কম্পিউটারের জন্য সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিয়ে বিনা মূল্যে ব্যবহার করা গেলেও স্মার্টফোনে ব্যবহার করতে হলে নির্দিষ্ট ফি দিতে হতো। তবে নভেম্বর মাস থেকে লাস্টপাসের সব ধরনের সেবা বিনা মূল্যে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে কম্পিউটার হোক কিংবা স্মার্টফোন, যেকোনো একটি যন্ত্রে সংরক্ষণ করা পাসওয়ার্ড পাওয়া যাবে নিজের ব্যবহার করা সব যন্ত্রে।
লাস্টপাসের প্রিমিয়াম সংস্করণও রয়েছে। এতে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রিমিয়াম সংস্করণে কোনো বিজ্ঞাপন দেখাবে না। তবে সেটির জন্য মাসে এক ডলার করে ব্যয় করতে হবে।
সফটওয়্যারটি কম্পিউটারের জন্য https://goo.gl/ufd6Vf ঠিকানায়, অ্যান্ড্রয়েডে https://goo.gl/TMNc0j ঠিকানায় এবং আইওএস যন্ত্রে https://goo.gl/zKpSqt ওয়েব ঠিকানায় পাওয়া যাবে see more 
Info : Prothom-alo.

‘নারী’ মেসিকেও পেয়ে গেছে বার্সেলোনা

বারবারা লাতোরে নামটা খুব পরিচিত ছিল না ফুটবলপ্রেমীদের কাছে। বার্সেলোনা নারী ফুটবল দলের এই খেলোয়াড়টি সম্প্রতি যে গোলটি করেছেন, তাতে তাঁকে বলা হচ্ছে ‘নারী মেসি’। নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসপানিওলের বিপক্ষে এই বারবারার গোলটি অনেকটা মেসির মতোই। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বারবারার এই গোলটি পরিচিতি পেয়েছে ‘আশ্চর্য গোল’ হিসেবেই।গোলটি দেখলে মেসির দৃষ্টিতেও ঝরে পড়বে অপার মুগ্ধতা। এসপানিওলের সীমানার বাঁ প্রান্তে একেবারে টাচলাইনের কাছে বলটি ধরে তীব্র গতি দিয়ে বারবারা পেছনে ফেললেন একের পর এক এসপানিওল খেলোয়াড়কে। চতুর্থজনের ট্যাকলে পড়েও গেলেন। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে আবারও শুরু করলেন দৌড়। বক্সের মধ্যে ঢুকে আরও একজনকে কাটিয়ে গোলকিপারের বাঁ দিক দিয়ে বাঁকানো শটে পাঠিয়ে দিলেন জালে।
এমন একটি গোল করে আলোচিত বারবারার মন্তব্য কিন্তু বেশ নির্লিপ্তই, ‘আসলে আমি বলটি পেয়ে গোলপোস্টের দিকেই দৃষ্টি রেখে এগোচ্ছিলাম। শেষ পর্যন্ত গোলটি করে আনন্দিত। আমিও বুঝতে পারছি না কী করে জানি গোলটা হয়ে গেল।’
গোলটির ভিডিও ফুটেজ এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। এতটাই জনপ্রিয় হয়ে গেছে, বার্সেলোনা ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে গোলটি নিয়ে মন্তব্য করার লোভ সামলাতে পারেননি, ‘বারবারার এ গোলটির শুরুটা গেটাফের বিপক্ষে মেসির করা সেই গোলটির মতো। শেষটা রোনালদোর (ব্রাজিলের) কমপোসতেয়ার বিপক্ষে করা গোলটির মতো।’
একই গোলে যদি মেসি আর রোনালদো দুজনই থাকেন, তাহলে সেই গোলটি সেরা না হয়ে কি কোনো see more 

Info : Prothom-alo

‘হাথুরুসিংহে অনেক সৌভাগ্যবান’

ইংল্যান্ডকে স্পিনজালে আটকানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু স্বাগতিক দল কি আগে থেকেই কখনো প্রতিপক্ষকে আটকানোর কৌশলটা বলে দেয়? বালক-বীর মেহেদী হাসান এসেই চমকে দিলেন। কিন্তু এর পর থেকে তাঁকে নিয়ে সারা দেশে যা হচ্ছে, তা কি ঠিক? চন্ডিকা হাথুরুসিংহে নিঃসন্দেহে সফল কোচ। কিন্তু সবকিছুতেই তাঁকে অবাধ স্বাধীনতা দিয়ে দেওয়াটা কি ভালো? মিরপুরে গত পরশু তারেক মাহমুদকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাত্কারে এ রকম আরও অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম
 মাঝখানে ১৫ মাস টেস্ট খেলেনি বাংলাদেশ। তারপরও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এত ভালো খেলা কীভাবে সম্ভব হলো? 

মুশফিকুর রহিম: ইংল্যান্ডের সঙ্গে জেতা বা ভালো খেলার চেয়ে বড় ব্যাপার ছিল, ১৫ মাস পর টেস্ট খেলতে নেমেও যেন আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলতে পারি। আমাদের প্রস্তুতি ভালো ছিল। দীর্ঘ পরিসরের ম্যাচ না খেললেও প্রায় সবাই খেলার মধ্যে ছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের খুব ভালো পরিকল্পনা ছিল, যেটা আমরা কাজে লাগাতে পেরেছি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে উইকেট কী রকম হবে, একাদশ কী হবে...সিরিজের দুই মাস আগে থেকেই এসব নিয়ে পরিকল্পনা শুরু হয়। মিরাজ টেস্ট খেলবে, এই পরিকল্পনাও আগে থেকেই ছিল। ওদের দলে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান অনেক। অন্যদিকে মিরাজের চেয়ে ভালো অফ স্পিনার বাংলাদেশে এখন নেই। সে জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল, যত ভালোই খেলুক ওয়ানডেতে ওকে খেলাব না। টেস্টে ইংল্যান্ডকে একটা বিস্ময় উপহার দিতে চেয়েছিলাম আমরা। মিরাজই সেই বিস্ময়। আল্লাহর রহমতে আমাদের পরিকল্পনা সফল হয়েছে।
* এ রকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে আগে কখনো খেলেছেন? ১৫ মাস পর খেলা সিরিজকে কেন বেছে নিলেন এটার জন্য?
মুশফিক: খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট—সবাই মিলে ভেবে দেখলাম, আর কত দিন এ রকম ফ্ল্যাট উইকেটে খেলব! আমাদের শক্তির জায়গাটাই যদি কাজে লাগাতে না পারি তো কীভাবে হবে? ফ্ল্যাট উইকেটে স্পিন করানো খুব কঠিন। বিশেষ করে প্রথম দুই-তিন দিন। শেষ দুই দিনের অপেক্ষায় থাকতে হয়। আর ওরা যদি টসে জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে ৪৫০-৫০০ রান করে ফেলে আমরা ওখান থেকেই অনেক ব্যাকফুটে চলে যাব। সে জন্যই মনে হলো, এবার একটু পরিবর্তন করে দেখি কী হয়। প্রথমে সিনিয়র খেলোয়াড়েরা একমত হলো, হয়তো কষ্ট হবে রান করতে। তবু চেষ্টা করে দেখি। এত দিন একভাবে করে সাফল্য পাইনি। এবার নিজেদের শক্তি কাজে লাগিয়ে দেখি কী হয়।
* পরিকল্পনাটা প্রথম কার মাথা থেকে আসে? আপনি নাকি বলেছিলেন, তিন দিনে খেলা শেষ হয়, এমন উইকেট চান...
মুশফিক: যেদিন জানলাম ইংল্যান্ড নিশ্চিত আসছে, আমরা সিনিয়র খেলোয়াড়েরা তখনই পরিকল্পনা করি, তিন দিনের একটা উইকেট বানিয়ে খেলা যায় কিনা। আমি কথাটা কোচকে বলি। কোচেরও আইডিয়াটা খুব পছন্দ হয়।
* অনেক দিন ধরেই তো দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আপনি। আগের টেস্টগুলোর চেয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই দুই টেস্টে খেলোয়াড়দের মানসিকতায় কী পরিবর্তন লক্ষ করেছেন?
মুশফিক: সবচেয়ে বড় হলো আত্মবিশ্বাস। ভালো করার জন্য যে টেস্টেই আপনাকে নিয়মিত ভালো খেলতে হবে, এমন নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাঁচ-ছয় মাস ভালো খেললে এমনিতেই আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। গত এক-দেড় বছরে আমরা ওয়ানডে খুব ভালো খেলেছি। টি-টোয়েন্টিও খারাপ খেলিনি। সে জন্যই দলের মধ্যে বিশ্বাসটা ছিল। এই জিনিসগুলোই যদি আমরা লম্বা সময় ধরে করতে পারি, টেস্টেও কেন ভালো ফল হবে না? এ ছাড়া পুরো সিরিজে সিনিয়ররা যেভাবে জুনিয়রদের সাহায্য করেছে, এটা বিশাল ব্যাপার। মিরাজও বলেছে, ওর কখনো মনেই হয়নি ও জাতীয় দলে খেলছে।
* মিরাজের ওপর আপনাদের অনেক বেশি আস্থা ছিল। আপনারা যেন একরকম নিশ্চিতই ছিলেন যে, মিরাজ এসেই ভালো করবেন। দলের পরিকল্পনারও বড় অংশ ছিলেন তিনি। মাত্র ১৯ বছর বয়সী নতুন একজন খেলোয়াড়ের ওপর এত আস্থার কারণ কী? 
মুশফিক: মিরাজ যা করেছে তার পুরো কৃতিত্ব ওরই। ক্রিকেটে ভাগ্য না থাকলে কিছু হয় না, তবে সে যেভাবে বল করেছে, নিজের শক্তির দিকটা কাজে লাগিয়েছে, এগুলোর কৃতিত্ব শুধু তারই প্রাপ্য। ওর সম্পর্কে আমাদের এ রকমই ধারণা ছিল, বিশ্বাস ছিল সে এ রকম কিছু করে দেখাবে।
* এখন থেকে কি সব সিরিজেই বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামবেন?
মুশফিক: আমরা এখন যে পর্যায়ে আছি, এ রকম নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই খেলা উচিত। আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ দেশের বাইরে ধারাবাহিক ভালো খেলা। সে ক্ষেত্রে কন্ডিশন অনুযায়ী দলের কম্বিনেশনও অন্য রকম হতে হবে।
* অধিনায়কত্ব কেমন উপভোগ করছেন?
মুশফিক: অবশ্যই খুব উপভোগ করছি। ১৫ মাস পর টেস্ট খেলতে নেমে আমরা ভালো খেলেছি, সে জন্যই বেশি ভালো লাগছে। আরও ভালো লাগছে আমার ৫০তম টেস্টে আমরা জিতেছি বলে। এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে! হয়তো আমি খুব বেশি অবদান রাখতে পারিনি। কিন্তু এমনও তো হতে পারত, আমি সেঞ্চুরি করলাম আর দল হারল। সেটা কোনোভাবেই ভালো হতো না।
* নিজের এই ৫০ টেস্টের ক্যারিয়ার নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট?
মুশফিক: অবশ্যই আরও ভালো কিছু করা উচিত ছিল আমার। ৫০টির মধ্যে ২০-৩০টিতেই মনে হয়েছে এ বুঝি আমার প্রথম টেস্ট! অনেক সময় কীভাবে টেস্ট খেলতে হয় সেটাই বুঝতে পারিনি বা বুঝতে অনেক সময় লেগেছে। নিয়মিত টেস্ট খেললে হয়তো এত বেশি সময় লাগত না। অনেকে সহজে মানিয়ে নিতে পারে, তবে আমার একটু সমস্যাই হয়। অবশ্য কয়েক বছর ধরে যেভাবে খেলছি, সেটা ধরে রাখতে পারলে ক্যারিয়ার শেষে অত বেশি আফসোস থাকবে না, ইনশা আল্লাহ।
* ক্যারিয়ার শেষে টেস্টে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
মুশফিক: ওয়ানডে, টেস্ট দুটি মিলিয়ে রানের গড় অন্তত ৪০ দেখতে চাই। ইচ্ছা আছে আরও অন্তত ৫০টি টেস্ট খেলার। এটা আমার স্বপ্ন বলতে পারেন।
* একটু অন্য প্রসঙ্গ। স্বাগতিক দলের হোম কন্ডিশনের সুবিধা নেওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেটা নিয়ে স্বাগতিকদের কখনোই প্রকাশ্যে কথা বলতে দেখা যায় না। বাংলাদেশ দলের ক্ষেত্রে এবার দেখা গেল উল্টোটা। উইকেট নিয়ে পরিকল্পনার কথা আপনারা সিরিজের মধ্যে বারবার প্রকাশ্যে বলেছেন...
মুশফিক: আমরা এ বিষয়টা প্রথম থেকে বলার চেষ্টা করেছি এই কারণে, ওরা যেন এ নিয়ে অনেক ভয়ে থাকে। আপনি যখন একজন খেলোয়াড়কে বারবার বলবেন এই উইকেটে এই হয়, বা উইকেটটা ও রকম হতে পারে, যত বড় ব্যাটসম্যানই হোক, অবচেতনে নার্ভাসনেস কাজ করবেই। কুকের খেলা দেখে তাই মনে হয়েছে। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে আমার মনে হয়েছে, টেস্টে ১০ হাজার রান করে ফেললেও কুক জানে না নতুন বলে অফ স্পিন কীভাবে খেলতে হয়। তারা যেহেতু স্পিনে দুর্বল, আমরা আমাদের স্পিনশক্তির কথাই তাদের আগে থেকে জানাতে চেয়েছি। আর আমরা যখন ইংল্যান্ডে যাই জীবনেও কিন্তু আমরা আশা করি না যে ফ্ল্যাট উইকেট হবে।
* তবু তারা তো কখনো মুখে বলে না যে, বাংলাদেশের জন্য ফাস্ট-বাউন্সি উইকেট বানানো হচ্ছে। উইকেট ও রকম হবে এটা আপনারা অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝেন...
মুশফিক: (হাসি) মাঠে কিন্তু ওরা সারাক্ষণই এসব বলতে থাকে। এখানেও খেলার সময় বারবার বলেছে, ‘তোমরা ইংল্যান্ডে আসো। তখন দেখব কেমন খেলো।’ বেয়ারস্টো, স্টোকস অনেকবার বলেছে, ‘ইংল্যান্ডে কিন্তু এ রকম উইকেট কখনো পাবে না।’ তামিমকেও বলেছে, ‘ইংল্যান্ডে আসো। তুমি প্রতি বলে লেগ বিফোর হবে।’ তামিমও জবাব দিয়ে বলেছে, ‘তুমি মনে হয় জানো না ইংল্যান্ডে আমার দুটি সেঞ্চুরি আছে।’ বলতে পারেন এটা একটা মাইন্ড গেম। আমার মনে হয় এটা একটু হলেও ওদের মানসিক চাপে ফেলেছে।
* উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেই আপনি বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। কিন্তু এবার বলেছেন, টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভূমিকায় চাইবে সে ভূমিকায়ই খেলবেন। চিন্তাভাবনায় এই পরিবর্তন কীভাবে এল?
মুশফিক: (হাসি) টিম ম্যানেজমেন্ট যদি ভাবে আমাকে সব বাদ দিয়ে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে হবে, আমি তো তাদের ওপরে কিছু বলতে পারব না। তারা আমাদের অভিভাবক। তারা যেটা ভালো মনে করবে তাই হবে।
* আপনি নিজে কি এখনো উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেই বেশি স্বচ্ছন্দ?
মুশফিক: তা তো অবশ্যই। এটা আমি সব সময়ই মনে করি এবং সব সময় উপলব্ধিও করি। উইকেটকিপার হিসেবে স্টাম্পের পেছন থেকে যা দেখতে পাই, সেটা আমাকে ব্যাটসম্যান বা অধিনায়ক সবভাবেই অনেক সাহায্য করে। ব্যাটিংয়ের সময় আমাকে কী করতে হবে, সে ধারণাও অনেক সময় আগে থেকে পেয়ে যাই। সব সময় হয়তো সেভাবে রান করতে পারি না, তবে উইকেট সম্পর্কে ধারণাটা সবার আগে আমারই হয়। দলের অন্য ব্যাটসম্যানরা, বিশেষ করে তামিম আমার সঙ্গে আলোচনা করে, জেনে নেয় উইকেটে কী হচ্ছে। কী শট খেলা উচিত।
* কোনো সন্দেহ নেই, চন্ডিকা হাথুরুসিংহে একজন ভালো কোচ। তাঁর অধীনে দল সাফল্যও পাচ্ছে। কিন্তু তাঁকে নিয়ে কিছু নেতিবাচক আলোচনাও আছে। নিজের সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিতে চান, বিসিবি তাঁকে অনেক বেশি স্বাধীনতা দিয়েছে ইত্যাদি। এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য?
মুশফিক: কেউ সাফল্য পেলে তাকে তো কৃতিত্ব দিতেই হবে। তবে আমি বলব, হাথুরুসিংহে অনেক সৌভাগ্যবান। কারণ দলে এখন এমন অনেক পারফরমার আছে, যারা নিয়মিত ভালো খেলছে। নতুনরা এসেও ভালো খেলছে। এটা তিন বছর আগেও ছিল না। এখানেও অবশ্য কোচকে কৃতিত্ব দিতে হবে, কারণ নতুন হোক বা অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হোক—তিনি স্বাধীনতা দেন। যার যেটা শক্তির জায়গা, সেটা দিয়ে খেলতে বলেন। তাতে কেউ বাজে আউট হলেও কোচ কিছু বলেন না। সৌম্য, সাব্বিরের মতো যারা স্ট্রোক বেশি খেলে তাদের জন্য এটা অনেক বড় স্বাধীনতা। তবে একটা পরিবারের ভেতর তো অনেক কথাই থাকে। বাংলাদেশ দলও একটা পরিবার। পরিবারের যেসব কথা বাইরের মানুষ না জানলেই ভালো, সেগুলো না বলাই ভালো।
* টেস্ট ক্রিকেটে এসেই দুর্দান্ত পারফর্ম করে হইচই ফেলে দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সংবাদমাধ্যমসহ সারা দেশ এখন তাঁকে নিয়েই আছে। এটাকে কীভাবে দেখেন?
মুশফিক: একজন ক্রিকেটারের কাজই হলো পারফর্ম করা। এটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। ভালো খেলবে বলেই তো মিরাজ জাতীয় দলে! তবে হ্যাঁ, সে অবশ্যই বিশেষ প্রতিভা। এসেই দারুণ খেলেছে। তবে এটা নিয়ে যে এত কিছু হচ্ছে, তা আসলেই অপ্রত্যাশিত। ও এখনো ১৯ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে। দুই-তিন বছর টানা ভালো খেলার পর এ রকম হতে পারে, তার আগে নয়। আল্লাহ না করুন, ওর যখন বাজে ফর্মে যাবে, তখন কিন্তু এত কিছু সে পাবে না। চাপটা অন্য রকম হবে। জাতীয় দলে ভালো খেলতে খেলতে আপনার ওপর সবার আস্থা আসবে। তারপর যখন আপনি খারাপ খেলবেন, মানিয়ে নেওয়াটা তখনই বেশি কঠিন। নাসির-সৌম্যরা এখন সেটা বুঝতে পারছে। তবে মোস্তাফিজের ব্যাপারটা পুরোই ব্যতিক্রম। আমার বিশ্বাস, আমার জীবদ্দশায় ওকে আমি কোনো দিন বাজে ফর্মে দেখব না। ওর মধ্যে আল্লাহপ্রদত্ত কিছু একটা আছে। কোনো কিছুই গায়ে মাখে না।
* এ রকম পরিস্থিতিতে মিরাজের জন্য কোনো পরামর্শ?
মুশফিক: প্রত্যাশা যেহেতু বেড়ে গেছে, এখন ওকেই এটা সামলাতে হবে। আমাদের সমর্থন সব সময়ই থাকবে। তবে সবার মনে রাখা উচিত, খেলাটা আমাদের রুটিরুজি, আমাদের দায়িত্ব। ১০ রান করে চলে আসব, সে জন্য আমাকে জাতীয় দলে নেওয়া হয়নি। আমাদের কাজই ৫০ করা, ১০০ করা। মিরাজেরও কাজ ৫ উইকেট নেওয়া, ১০ উইকেট নেওয়া। এটুকু করার পরই এত কিছু হলে সেটা ওই খেলোয়াড়ের ওপরই বাড়তি চাপ তৈরি করে। এখন তো ও কোথাও গেলে শান্তিমতো ঘুরতে পারবে না see more 


Info : Prothom-alo.

অস্ট্রেলিয়ার হাসি কাড়ল প্রোটিয়ারা

দ্বিতীয় দিনে পার্থ টেস্ট ঘুরে গেল ১৮০ ডিগ্রি। কে জানত, প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়ার হাসি এমনভাবে কেড়ে নেবে দক্ষিণ আফ্রিকা? দ্বিতীয় দিন শেষে ৮ উইকেট হাতে রেখে ১০২ রানে এগিয়ে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার হাতেই তো এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ।
অথচ সকালটা আভাস দিচ্ছিল অন্য কিছুর। আগের দিনের সঙ্গে আরও ৫৩ রান যোগ করে ফেলেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার। ডেভিড ওয়ার্নারের সেঞ্চুরিটা তখন মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। দক্ষিণ আফ্রিকার ২৪২ রানকেও তখন মনে হচ্ছিল ছোট্ট একটা টিলা। কে জানত, সেটি টপকাতেই অস্ট্রেলিয়ার এমন দম ফুরিয়ে যাবে? সেঞ্চুরি থেকে ৩ রান দূরে ওয়ার্নার যখন আউট হলেন, অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ১৫৮। এরপর ৮৬ রান যোগ করতেই হারিয়ে ফেলেছে ৯ উইকেট। তার চেয়েও বড় কথা, দক্ষিণ আফ্রিকা শেষ ৯ উইকেট তুলে নিয়েছে ডেল স্টেইনকে ছাড়াই। 
দিনের প্রথম আঘাতটা দিয়েছিলেন স্টেইনই। কিন্তু ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর করতে পারলেন মাত্র আটটি বল। কাঁধের পেশিতে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছেন প্রোটিয়া পেসার। সফরটাই শেষ হয়ে গেছে তাঁর।
দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য যেটি বড় আঘাত হওয়ার কথা ছিল, সেটিকে তারা যেন নিল উল্টো প্রেরণা হিসেবে। ভারনন ফিল্যান্ডার, কাগিসো রাবাদা ও অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার কেশব মহারাজের বলে এরপর একের পর এক উইকেট হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। রাবাদার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ছত্রখান খাজার স্টাম্প, কেশবের প্রথম টেস্ট উইকেটের শিকার অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। শন মার্শও ৬৩ রান করে ফিল্যান্ডারের বলে এলবিডব্লু। দুই ওপেনার ওয়ার্নার-মার্শের পর অ্যাডাম ভোজেস (২৮), পিটার নেভিল (২৩) ও পিটার সিডলের (১৮*) ব্যাটিংয়েই মাত্র ২ রানের লিড নিতে পারে অস্ট্রেলিয়া। ফিল্যান্ডার ৫৬ রান দিয়ে পেয়েছেন ৪ উইকেট, মহারাজও ওই ৫৬ রানেই পেয়েছেন তিনটি। ৭৮ রান দিয়ে রাবাদা পেয়েছেন ২ উইকেট। 
ব্যাটিংয়ের হতাশা বোলিংয়েও আরও বেড়েছে অস্ট্রেলিয়ার। ৪৫ রানের ভেতর কুক ও আমলাকে ফিরিয়ে একটু আশা দেখাচ্ছিলেন সিডল-হ্যাজলউড। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের হতাশ করে ৫৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে মাঠ ছেড়েছেন এলগার-ডুমিনি। স্টার স্পোর্টস see more 
Info : Prothom-alo.

বিপিএলের প্রথম দিনে বৃষ্টিবাধা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ও রাজশাহী কিংসের টসটাই শুধু নির্বিঘ্নে হয়েছে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের প্রথম দিনের বাকিটা ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। টিপ টিপ বৃষ্টিতে দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে নিরাশ হয়েই ঘরে ফিরেছেন দর্শকেরা।
কাল প্রথম ম্যাচটি ছিল কুমিল্লা-রাজশাহীর। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। টসের খানিক পরেই শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সেই যে শুরু, বৃষ্টি আর থামেনি। বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে জানিয়ে দেওয়া হয়, ম্যাচ পরিত্যক্ত। বৃষ্টিবাধা উপেক্ষা করে তবুও দর্শকেরা অপেক্ষায় থাকেন সন্ধ্যায় খুলনা টাইটানস ও রংপুর রাইডার্সের ম্যাচটির জন্য। বৃষ্টির কারণেও সেটি হয়নি। রাত ৯টা ২৫ মিনিটে জানিয়ে দেওয়া হয়, এই ম্যাচও পরিত্যক্ত।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়ার যে পূর্বাভাস, বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে আরও কয়েক দিন। তাই এবার বিপিএলের শুরুর দিকে ম্যাচগুলো নির্বিঘ্নে হবে কি না, তা নিয়ে আছে সংশয়।
বৃষ্টির মধ্যেও কাল ছুটির দিনে গ্যালারিতে দর্শকদের উপস্থিতি ছিল বলার মতোই। সন্ধ্যায় বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ শুরু হয় কনসার্ট। ব্যান্ড এলআরবির পরিবেশনা শেষ হতেই আকস্মিক আতশবাজির ফোয়ারায় কেঁপে ওঠে স্টেডিয়াম! বড় উপভোগ্য সে দৃশ্য। কিন্তু মাঠে যদি ব্যাটে-বলের লড়াইটাই না দেখা যায়, দুধের সাধ কি আর ঘোলে মেটে see more 

Info : Prothom-alo.