তীরে এসে তরি ডোবার যন্ত্রণা বাংলাদেশ কতবারই সয়েছে। পরশু সিরিজের প্রথম
ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের হয়েছে এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা। সাকিব আল হাসান বলেছেন,
আফগানিস্তান হেরেছে অনভিজ্ঞতার কারণে। মাহমুদউল্লাহ অবশ্য মনে করেন,
স্নায়ুক্ষয়ী মুহূর্তে জয় হাতছাড়া না করাটাই বড় দলের লক্ষণ।
জিততে জিততে হেরে যাওয়ার উদাহরণ বাংলাদেশের কম নেই। ২০১২ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে হার কিংবা গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ১ রানের পরাজয়ের সাক্ষী মাহমুদউল্লাহ নিজেই। ছোট্ট ভুল কীভাবে গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য, সেটি তাঁর ভালোই জানা। বড় দলই পারে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতে নিতে। বাংলাদেশ যে সেই পথে হাঁটছে সেটিই বললেন মাহমুদউল্লাহ, ‘আমরা এমন অনেক ক্লোজ ম্যাচ হেরেছি। হয়তো জিততে পারতাম, কিন্তু ছোট ছোট ভুলের কারণে কাছে গিয়েও হেরে যেতাম। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এই পরিবর্তনটা এসেছে। আশা করছি, সামনেও এটা আমরা ধরে রেখে আরও ভালো খেলতে পারব।’
২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুই আফগান ব্যাটসম্যান রহমত শাহ ও হাসমতউল্লাহ শহীদি যেভাবে এগোচ্ছিলেন, জয়টা তাঁদের জন্য কঠিন ছিল না। কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত হতে দেননি তাসকিন আহমেদ ও রুবেল হোসেন। শেষ ৩ ওভারে আফগানদের ৫ উইকেট ফেলে দিয়ে ম্যাচটা নিজেদের করে নিয়েছেন দুই বোলার। ম্যাচ জয়ে তাসকিন-রুবেল দারুণ অবদান রাখলেও মাহমুদউল্লাহর কাছে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানের বোলিং বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, ‘মাশরাফি ভাইয়ের শেষ স্পেলের আগের তিনটা ওভার এবং সাকিবের করা ৪৭তম ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সাকিবের ওই ওভারে মাত্র ১ রান এসেছিল। এরপরই রানরেট নয়ে চলে যায়। আমাদের বিশ্বাস ছিল রুবেল ও তাসকিন যদি ওদের ইয়র্কারগুলো ভালোভাবে দিতে পারে আমরা ম্যাচে ফিরতে পারব। ওই সময় উইকেটগুলো দ্রুত তুলে নেওয়ায় আমরা এগিয়ে গিয়েছি।’
বাংলাদেশ দল দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকায় সেটির প্রভাব পড়েছে ম্যাচে। মাহমুদউল্লাহর আশা, পরের ম্যাচগুলোয় ঠিক হয়ে যাবে এই সমস্যা। আর সমস্যার সমাধান মানেই তো জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হওয়া। আফগানিস্তানকে অবশ্য সমীহ করেই মাহমুদউল্লাহ বলছেন, সিরিজটা তাঁরা নিশ্চিত করতে চান কালই, ‘যেহেতু প্রথম ওয়ানডে ১০ মাস পর খেলেছি, ফেরাটা ভালো হয়েছে। এখন আরও ভালো কীভাবে করা যায়, সেদিকেই আমাদের মনোযোগ। সিরিজটা যাতে পরের ম্যাচে নিশ্চিত করতে পারি সেটাই চেষ্টা করব।’
প্রথম ম্যাচে তামিম ইকবালের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে বেশ স্বচ্ছন্দেই এগোচ্ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আরেকটু ধৈর্যের পরিচয় দিলে হাফ সেঞ্চুরিটা তিন অঙ্কে রূপ দেওয়া তাঁর জন্য কঠিন কিছু ছিল না। যদিও তাঁর ভাবনায় সেঞ্চুরি ছিল না, ‘আমি তখন সেঞ্চুরির কথা চিন্তা করিনি। বল সুন্দর ব্যাটে আসছিল। যতটা সম্ভব রান বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। শেষ পাওয়ার প্লেটা ছিল। চিন্তা করছিলাম ৪৮ ওভার পর্যন্ত যদি থাকি হয়তো বড় শটে যাব। দুর্ভাগ্য সেটা হয়নি। ইনশা আল্লাহ, পরের ম্যাচে see more
Info : prothom-alo
জিততে জিততে হেরে যাওয়ার উদাহরণ বাংলাদেশের কম নেই। ২০১২ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে হার কিংবা গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ১ রানের পরাজয়ের সাক্ষী মাহমুদউল্লাহ নিজেই। ছোট্ট ভুল কীভাবে গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য, সেটি তাঁর ভালোই জানা। বড় দলই পারে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতে নিতে। বাংলাদেশ যে সেই পথে হাঁটছে সেটিই বললেন মাহমুদউল্লাহ, ‘আমরা এমন অনেক ক্লোজ ম্যাচ হেরেছি। হয়তো জিততে পারতাম, কিন্তু ছোট ছোট ভুলের কারণে কাছে গিয়েও হেরে যেতাম। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এই পরিবর্তনটা এসেছে। আশা করছি, সামনেও এটা আমরা ধরে রেখে আরও ভালো খেলতে পারব।’
২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুই আফগান ব্যাটসম্যান রহমত শাহ ও হাসমতউল্লাহ শহীদি যেভাবে এগোচ্ছিলেন, জয়টা তাঁদের জন্য কঠিন ছিল না। কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত হতে দেননি তাসকিন আহমেদ ও রুবেল হোসেন। শেষ ৩ ওভারে আফগানদের ৫ উইকেট ফেলে দিয়ে ম্যাচটা নিজেদের করে নিয়েছেন দুই বোলার। ম্যাচ জয়ে তাসকিন-রুবেল দারুণ অবদান রাখলেও মাহমুদউল্লাহর কাছে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানের বোলিং বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, ‘মাশরাফি ভাইয়ের শেষ স্পেলের আগের তিনটা ওভার এবং সাকিবের করা ৪৭তম ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সাকিবের ওই ওভারে মাত্র ১ রান এসেছিল। এরপরই রানরেট নয়ে চলে যায়। আমাদের বিশ্বাস ছিল রুবেল ও তাসকিন যদি ওদের ইয়র্কারগুলো ভালোভাবে দিতে পারে আমরা ম্যাচে ফিরতে পারব। ওই সময় উইকেটগুলো দ্রুত তুলে নেওয়ায় আমরা এগিয়ে গিয়েছি।’
বাংলাদেশ দল দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকায় সেটির প্রভাব পড়েছে ম্যাচে। মাহমুদউল্লাহর আশা, পরের ম্যাচগুলোয় ঠিক হয়ে যাবে এই সমস্যা। আর সমস্যার সমাধান মানেই তো জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হওয়া। আফগানিস্তানকে অবশ্য সমীহ করেই মাহমুদউল্লাহ বলছেন, সিরিজটা তাঁরা নিশ্চিত করতে চান কালই, ‘যেহেতু প্রথম ওয়ানডে ১০ মাস পর খেলেছি, ফেরাটা ভালো হয়েছে। এখন আরও ভালো কীভাবে করা যায়, সেদিকেই আমাদের মনোযোগ। সিরিজটা যাতে পরের ম্যাচে নিশ্চিত করতে পারি সেটাই চেষ্টা করব।’
প্রথম ম্যাচে তামিম ইকবালের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে বেশ স্বচ্ছন্দেই এগোচ্ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আরেকটু ধৈর্যের পরিচয় দিলে হাফ সেঞ্চুরিটা তিন অঙ্কে রূপ দেওয়া তাঁর জন্য কঠিন কিছু ছিল না। যদিও তাঁর ভাবনায় সেঞ্চুরি ছিল না, ‘আমি তখন সেঞ্চুরির কথা চিন্তা করিনি। বল সুন্দর ব্যাটে আসছিল। যতটা সম্ভব রান বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। শেষ পাওয়ার প্লেটা ছিল। চিন্তা করছিলাম ৪৮ ওভার পর্যন্ত যদি থাকি হয়তো বড় শটে যাব। দুর্ভাগ্য সেটা হয়নি। ইনশা আল্লাহ, পরের ম্যাচে see more
Info : prothom-alo

No comments:
Post a Comment