Thursday, September 29, 2016

বিপিএলে ফিরলেন নির্বাচকেরা

কাউকেই এবার অখুশি রাখবে না বিপিএল। জাতীয় দলের বিদেশি কোচিং স্টাফ ছাড়া বিসিবির অধীনে থাকা কোচরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে কাজ তো করতে পারবেনই, দরজা খোলা থাকছে নির্বাচকদের জন্যও। তাঁরাও চাইলে সম্পৃক্ত হতে পারবেন বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে।
বিপিএলে নির্বাচকেরা আগেও ছিলেন। তবে স্বার্থের সংঘাত এড়াতে গত বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে দেওয়া হয়নি তাঁদের। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সেই অবস্থান থেকে ফিরে গেছে পুরোনো অবস্থানে। নির্বাচকেরা বিপিএলে থাকলে স্বার্থের সংঘাতের আশঙ্কা নেই বলেই তাঁদের নতুন ধারণা। অবশ্য যেখানে বোর্ড পরিচালকেরাই সম্পৃক্ত বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে, অন্যদের তখন বাধা দেওয়ার উপায় থাকে না। কাল এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানালেন, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজিদের অনুরোধে এটা করা হয়েছে। তা ছাড়া নির্বাচকেরা খেলা চলাকালে ড্রেসিংরুমে থাকবেন না। তাঁরা শুধু টেকনিক্যাল বিষয়ে সাহায্য করবেন।’
আগামীকাল বিকেলে অনুষ্ঠেয় প্লেয়ারস ড্রাফট এবং টুর্নামেন্টের নিয়ম-কানুন সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হয়েছে। ড্রাফটের জন্য ১৬৮ জন বিদেশি খেলোয়াড়ের তালিকা দেওয়া হয়েছে। ‘এ’ শ্রেণির বিদেশিদের মূল্য ৭০ হাজার ডলার, ‘বি’ শ্রেণির ৫০ হাজার, ‘সি’ শ্রেণির ৪০ হাজার ও ‘ডি’ শ্রেণির বিদেশিদের মূল্য ৩০ হাজার ডলার। এর বাইরে ৩৯ জন বিদেশি এরই মধ্যে বিভিন্ন দলে খেলা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ক্রিস গেইল চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে ৩-৪টি ম্যাচ খেলবেন। শোয়েব মালিককেও নিশ্চিত করেছে দলটি। ঢাকা ডাইনামাইটস নিশ্চিত করেছে কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, আন্দ্রে রাসেল, ডোয়াইন ব্রাভো, এভিন লুইস ও রবি বোপারাকে। শহীদ আফ্রিদি খেলবেন রংপুরে, ড্যারেন স্যামি রাজশাহীতে।
বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে শুধু ইংল্যান্ডেরই আছেন ৩৬ জন। বাংলাদেশ সফর নিয়ে কিছুদিন আগেও উদ্বিগ্ন থাকা দেশটির এত খেলোয়াড়ের বিপিএলে নাম লেখানোটা বেশ আশা-জাগানিয়া। গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিবও সেটি বলরেন, ‘শুধু ইংলান্ডেরই নয়, সব দেশ থেকেই বিপিএলে খেলোয়াড় আসছে। এটা প্রমাণ করে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ। বিদেশি খেলোয়াড়, কোচ সবার নিরাপত্তার কথাই আমরা বিবেচনা করছি। বিসিবি ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মিলেই এটা দেখবে।’
প্লেয়ারস ড্রাফট থেকে প্রত্যেক ফ্র্যাঞ্চাইজিকেই কমপক্ষে ১০ জন স্থানীয় ও ৩ জন বিদেশি খেলোয়াড় নিতে হবে। প্রতি ম্যাচে বিদেশি খেলানো যাবে তিন থেকে চারজন। এ ছাড়া স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে গতবারের দল থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ধরে রাখছে দুজন করে। ঢাকা ডাইনামাইটস রেখেছে মোসাদ্দেক হোসেন আর নাসির হোসেনকে, চিটাগং ভাইকিংসে আছেন তাসকিন আহমেদ ও এনামুল হক, রংপুরে মোহাম্মদ মিঠুন ও আরাফাত সানি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসে ইমরুল কায়েস ও লিটন কুমার দাস এবং বরিশাল বুলসে আল আমিন হোসেন ও তাইজুল ইসলাম।
বিপিএলের শীর্ষ সাত খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকারের মূল্য জানা গিয়েছিল আগেই। কিন্তু তাঁদের শ্রেণিটা ‘আইকন’ নাকি ‘এ প্লাস’, সেটা একটা প্রশ্ন। আগে বলা হয়েছিল, এবার ‘আইকন’ থাকবে না, সর্বোচ্চ শ্রেণি ‘এ প্লাস’। কিন্তু বিপিএল টেকনিক্যাল কমিটির ২২ সেপ্টেম্বরের সভার পর সব ফ্র্যাঞ্চাইজির পাঠানো চিঠিতে শীর্ষ সাত ক্রিকেটারকে রাখা হয় ‘আইকন’ শ্রেণিতে। কাল সংবাদ সম্মেলনে ইসমাইল হায়দার মল্লিক আবার বললেন, ‘আইকন’ নয়, ‘এ প্লাস’ই সর্বোচ্চ শ্রেণি।
‘এ প্লাস’দের মধ্যে সাকিবের মূল্য কমপক্ষে ৫৫ লাখ টাকা। মুশফিক, তামিম, মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফির ৫০ লাখ এবং সাব্বির ও সৌম্যর ৪০ লাখ। খেলোয়াড়েরা চাইলে দর-কষাকষি করে ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে বেশি দামও নিতে পারেন। ‘সাকিব নিশ্চয়ই শুধু ৫৫ লাখ টাকায় যায়নি। তেমনি তামিমও নিশ্চয়ই চিটাগং ভাইকিংস থেকে ৫০ লাখের বেশি নিচ্ছে। এটা নির্ভর করছে খেলোয়াড় এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির আলোচনার ওপর’—বলেছেন মল্লিক। তবে দেশি-বিদেশি সব খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেই বিসিবি শুধু ভিত্তিমূল্যের দায়িত্ব নেবে, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কাছ থেকে প্রতিশ্রুত বাড়তি টাকার নয়।
সাত ‘এ প্লাস’ ও পুরোনো ১০ ক্রিকেটার বাদ দিয়ে প্লেয়ারস ড্রাফটে উঠবেন প্রায় দেড় শ স্থানীয় ক্রিকেটার। ৪ নভেম্বর থেকে শুরু বিপিএলে ম্যাচ হবে মোট ৪৬টি। খেলা হবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে see more

Info : Prothom-alo

মোসাদ্দেকের কাছে জীবনটা অনেক বড়

মোসাদ্দেককে কাল ওয়ানডে অভিষেকের টুপিটা পরিয়ে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। দুই ‘ম’-এর বাড়ি ময়মনসিংহ। নাম আর বাড়িতেই শুধু তাঁদের মিল নয়, দলে নিজেদের ভূমিকাও অনেকটা এক. মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি অফ স্পিন বোলিং। তবে কি মাহমুদউল্লাহর পর ময়মনসিংহ থেকে আরেকজন অলরাউন্ডার পেল বাংলাদেশ?
উত্তরটা সময়ই বলে দেবে। তবে অভিষেকেই মোসাদ্দেক যেভাবে ঔজ্জ্বল্য ছড়িয়েছেন, তাঁকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখতেই পারে বাংলাদেশ। অবশ্য তাঁকে আবেগ ছুঁয়ে যেতে পারে বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্নটা পূরণ হওয়ায়।
গত বছর জাতীয় লিগে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রেকর্ড ৩টি ডাবলসহ ৬টি সেঞ্চুরির পর মোসাদ্দেক বলেছিলেন বুকের গহিনে জমিয়ে রাখার স্বপ্নের কথাটা, ‘বাবা মারা যাওয়ার পর মাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। পড়াশোনায় ঠিকভাবে মনোযোগ দিতে পারিনি। ভবিষ্যতে কী করব—নানা চিন্তা ছিল মাথায়। তবে মায়ের পুরোপুরি সমর্থন ছিল বলেই ক্রিকেট চালিয়ে যেতে পেরেছি। অথচ একটা সময় তিনি চাইতেন না আমি খেলাধুলা করি। বাবা মারা যাওয়ার পরই তাঁর ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। তিনি এখন চান বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্নটা যেন পূরণ করি।’
বাবা আবুল কাশেম ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার চাকুরে। মোসাদ্দেকের জীবনে মানুষটির প্রভাব প্রবল। মূলত বাবার উত্সাহে তাঁর ক্রিকেটে হাতেখড়ি। যখন কুঁড়িটা ক্রমেই বড় হচ্ছে, তখনই পাশ থেকে সরে গেছে ভরসার ছায়া। নয় বছর আগে বাবা মারা যাওয়ার পর বিরাট হোঁচটই খেতে হয় মোসাদ্দেককে। পরে এগিয়ে যাওয়ার পথটা দেখিয়ে দেন মা। সেই পথ ধরেই মোসাদ্দেকের এত দূরে আসা।
শৈশব থেকেই জীবনের কঠিন একটা লড়াইয়ে বাবার ছায়া পাননি বলেই হয়তো কঠিনতম পরিস্থিতিতেও এমন অবিচল থাকতে পারেন। শৈশবেই জেনে গিয়েছিলেন, জীবনটা অনেক বড়। জীবনের লড়াইটা অনেক কঠিন। জীবনসমুদ্রে ক্রিকেটের ২২ গজ সেখানে ছোট্ট একটা পুকুরমাত্র। জীবনের উত্তাল সমুদ্রে যে সাঁতরাতে জানে, তার কাছে পুকুরের নিস্তরঙ্গ ঢেউ তো কিছুই না!
বাংলাদেশের হয়ে অবশ্য অভিষেক মোসাদ্দেকের আগেই হয়ে গেছে। গত জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন। কিন্তু তাঁর প্রিয় সংস্করণ ওয়ানডে। কদিন আগেই জানিয়েছেন, ভীষণ অপেক্ষায় আছেন ওয়ানডে অভিষেকের।
এনামুল হক, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, জুবায়ের হোসেনদের সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন মোসাদ্দেক। জাতীয় দলে আসতে তাঁর একটু দেরিই হয়েছে। তবে আফগানিস্তান সিরিজে মোসাদ্দেক খেলবেন, বোঝা যাচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই জানান দিচ্ছিল তিনি আসছেন। গত বছর প্রথম শ্রেণিতে অসাধারণ পাফরম্যান্সের পর সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর হয়ে মোসাদ্দেক আলো ছড়িয়েছেন দোর্দণ্ড প্রতাপেই।
সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালরা তো ছিলেনই; ইউসুফ পাঠান, দিনেশ কার্তিক, মনোজ তিওয়ারি, রজত ভাটিয়ার মতো খেলোয়াড়েরা খেলেছেন আবাহনীর হয়ে। তারকাদের ভিড়, লিগের মাঝে দলের ব্যর্থতা, একটু নিচে ব্যাটিং করা—ভীষণ চাপেই খেলতে হয়েছে মোসাদ্দেককে। চাপ জয় করেই নিজেকে চিনিয়েছেন অন্যভাবে। ১৬ ম্যাচে ৫ ফিফটিতে ৭৭.৭৫ গড়ে তাঁর রান ৬২২। স্ট্রাইকরেট ১০০-এর ওপর। বোলিংয়েও জাদু দেখিয়েছেন মোসাদ্দেক, নিয়েছেন ১৫ উইকেট।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ৭৬ রান করার পর মোসাদ্দেকের অভিষেক মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। সেটিও হয়ে গেছে কাল। অভিষেকটাও হয়েছে রঙিন। ভীষণ চাপে খেলেছেন অপরাজিত ৪৫ রানের দারুণ এক ইনিংস। ওয়ানডে ইতিহাসে ২৪তম বোলার হিসেবে অভিষেকে প্রথম বলেই পেয়েছেন উইকেট! মোসাদ্দেক একবার বলেছিলেন, ‘ক্রিকেটে আমার সব অর্জন বাবাকে উত্সর্গ করি। আফসোস, তিনি কোনো অর্জনই দেখতে পাবেন না। এ আক্ষেপ বয়ে বেড়াতে হবে আজীবন see mrore 




Info : Prothom-alo

Tuesday, September 27, 2016

বড় দল হয়ে উঠছে বাংলাদেশ!

তীরে এসে তরি ডোবার যন্ত্রণা বাংলাদেশ কতবারই সয়েছে। পরশু সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের হয়েছে এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা। সাকিব আল হাসান বলেছেন, আফগানিস্তান হেরেছে অনভিজ্ঞতার কারণে। মাহমুদউল্লাহ অবশ্য মনে করেন, স্নায়ুক্ষয়ী মুহূর্তে জয় হাতছাড়া না করাটাই বড় দলের লক্ষণ।
জিততে জিততে হেরে যাওয়ার উদাহরণ বাংলাদেশের কম নেই। ২০১২ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে হার কিংবা গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ১ রানের পরাজয়ের সাক্ষী মাহমুদউল্লাহ নিজেই। ছোট্ট ভুল কীভাবে গড়ে দেয় ম্যাচের পার্থক্য, সেটি তাঁর ভালোই জানা। বড় দলই পারে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতে নিতে। বাংলাদেশ যে সেই পথে হাঁটছে সেটিই বললেন মাহমুদউল্লাহ, ‘আমরা এমন অনেক ক্লোজ ম্যাচ হেরেছি। হয়তো জিততে পারতাম, কিন্তু ছোট ছোট ভুলের কারণে কাছে গিয়েও হেরে যেতাম। আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে এই পরিবর্তনটা এসেছে। আশা করছি, সামনেও এটা আমরা ধরে রেখে আরও ভালো খেলতে পারব।’
২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুই আফগান ব্যাটসম্যান রহমত শাহ ও হাসমতউল্লাহ শহীদি যেভাবে এগোচ্ছিলেন, জয়টা তাঁদের জন্য কঠিন ছিল না। কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত হতে দেননি তাসকিন আহমেদ ও রুবেল হোসেন। শেষ ৩ ওভারে আফগানদের ৫ উইকেট ফেলে দিয়ে ম্যাচটা নিজেদের করে নিয়েছেন দুই বোলার। ম্যাচ জয়ে তাসকিন-রুবেল দারুণ অবদান রাখলেও মাহমুদউল্লাহর কাছে মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানের বোলিং বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, ‘মাশরাফি ভাইয়ের শেষ স্পেলের আগের তিনটা ওভার এবং সাকিবের করা ৪৭তম ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সাকিবের ওই ওভারে মাত্র ১ রান এসেছিল। এরপরই রানরেট নয়ে চলে যায়। আমাদের বিশ্বাস ছিল রুবেল ও তাসকিন যদি ওদের ইয়র্কারগুলো ভালোভাবে দিতে পারে আমরা ম্যাচে ফিরতে পারব। ওই সময় উইকেটগুলো দ্রুত তুলে নেওয়ায় আমরা এগিয়ে গিয়েছি।’
বাংলাদেশ দল দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকায় সেটির প্রভাব পড়েছে ম্যাচে। মাহমুদউল্লাহর আশা, পরের ম্যাচগুলোয় ঠিক হয়ে যাবে এই সমস্যা। আর সমস্যার সমাধান মানেই তো জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হওয়া। আফগানিস্তানকে অবশ্য সমীহ করেই মাহমুদউল্লাহ বলছেন, সিরিজটা তাঁরা নিশ্চিত করতে চান কালই, ‘যেহেতু প্রথম ওয়ানডে ১০ মাস পর খেলেছি, ফেরাটা ভালো হয়েছে। এখন আরও ভালো কীভাবে করা যায়, সেদিকেই আমাদের মনোযোগ। সিরিজটা যাতে পরের ম্যাচে নিশ্চিত করতে পারি সেটাই চেষ্টা করব।’
প্রথম ম্যাচে তামিম ইকবালের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে বেশ স্বচ্ছন্দেই এগোচ্ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আরেকটু ধৈর্যের পরিচয় দিলে হাফ সেঞ্চুরিটা তিন অঙ্কে রূপ দেওয়া তাঁর জন্য কঠিন কিছু ছিল না। যদিও তাঁর ভাবনায় সেঞ্চুরি ছিল না, ‘আমি তখন সেঞ্চুরির কথা চিন্তা করিনি। বল সুন্দর ব্যাটে আসছিল। যতটা সম্ভব রান বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। শেষ পাওয়ার প্লেটা ছিল। চিন্তা করছিলাম ৪৮ ওভার পর্যন্ত যদি থাকি হয়তো বড় শটে যাব। দুর্ভাগ্য সেটা হয়নি। ইনশা আল্লাহ, পরের ম্যাচে see more 


Info : prothom-alo

তাসকিনের চাপ, তাসকিনের স্বস্তি

আফগানদের বিপক্ষে দারুণ জয়ের মূল নায়ক সাকিব আল হাসানের প্রতিক্রিয়া পরশু রাতেই শোনা হয়েছে। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। কিন্তু ম্যাচের আরেক নায়ক তাসকিন আহমেদের যে দেখা নেই! কাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত অনুশীলনে বাংলাদেশ দলের এই পেসার অবশ্য ছিলেন। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেননি।
মাশরাফি বিন মুর্তজা, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ...অনুশীলন শেষে একে একে সবাই টিম বাসে উঠে গেলেও তাসকিনের দেখা নেই। টিম বাস ছেড়ে গেলে তবেই ড্রেসিংরুম থেকে বেরোলেন। ‘টিম বাসে গেলেন না যে!’—পরনে শার্ট আর নীল জিন্‌স দেখে বোঝা গেল তাঁর গন্তব্য অন্য কোথাও। অনুমান ঠিক হলো তাসকিনের কথায়, ‘কিছুক্ষণের জন্য বাসায় যাব। ছোট বোনটার কাল (আজ) জন্মদিন। ওকে কিছু উপহার কিনে দিয়ে আসব। ম্যাচের আগের দিন কোথাও যেতে পারব না বা এসব নিয়ে ভাবার সময়ও থাকবে না।’
তাসকিন তাঁর মোহাম্মদপুরের বাসায় রওনা হলেন বিসিবির দেওয়া গাড়িতে। কিন্তু তাঁর কাছে যে অনেক কিছু জানার ছিল। বোলিং নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে ফেরার অভিজ্ঞতা, কতটা চাপে ছিলেন ম্যাচে, শুরুর দিকে অমন বিপর্যস্ত লেগেছে কেন? শেষ দিকে কীভাবে ছন্দটা ধরে রেখেছেন—কত প্রশ্ন। তাসকিনের মুখে অবশ্য তালা। সিরিজ চলার সময় ‘কথা বলা নিষেধ’—কড়া নির্দেশনায় আপাতত প্রতিক্রিয়াহীনই থাকতে হচ্ছে তাঁকে। বারবার অনুরোধে অবশ্য গাড়িতে ওঠার আগে বললেন, ‘কাল (পরশু) ভীষণ টেনশনে ছিলাম। সত্যি বলতে কী, আন্তর্জাতিক অভিষেকেও এত টেনশন কাজ করেনি আমার!’
আফগানিস্তানের সঙ্গে তাসকিনের ওপর চাপ কতটা জেঁকে বসেছিল, সেটি তাঁর প্রথম স্পেল দেখেই বোঝা যাবে। ৩ ওভারে দিয়েছেন ২৮ রান, উইকেট পাননি একটিও। তৃতীয় ওভারে আফগান উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শেহজাদ মেরেছেন পরপর তিনটি বাউন্ডারি। তাসকিনের ওই ওভারে আফগানিস্তান তুলেছে ১৭ রান। দ্বিতীয় স্পেলটাও বিবর্ণ। ২৭ ও ২৯তম—২ ওভারে উইকেটশূন্য থেকে দিয়েছেন ১২ রান। আর তৃতীয় স্পেলে ১ ওভারে ৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য।
আসল তাসকিনের দেখা মিলেছে শেষ স্পেলে। আফগানদের ১৮ বলে দরকার ২৭ রান। বাংলাদেশের কাছ থেকে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া মোহাম্মদ নবী। গতির সঙ্গে কখনো ইয়র্কার—তাসকিনের মূল শক্তি এটিই। কিন্তু নবীর বিপক্ষে ভিন্ন এক অস্ত্র ব্যবহার করলেন তিনি। শর্ট অফ কাটারটা তাড়িয়ে চালাতে গিয়ে লং অফে সাব্বির রহমানের হাতে ধরা পড়লেন আফগানিস্তান ব্যাটসম্যান। এক বল পরে ফিরলেন অধিনায়ক আসগার স্টানিকজাই, যিনি ২০১৪ এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেওয়া ম্যাচের অন্যতম চরিত্র।
তাসকিনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল শেষ ওভারটা। আফগানিস্তানের দরকার ১৩ রান, হাতে ২ উইকেট। ফিল্ডিং পজিশন আর ব্যাটসম্যানের মুভমেন্ট দেখে বোলিং করার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। উইকেট না পাওয়া গেলেও যেন রান তুলতে না পারে আফগানরা—এমনই ছিল রণকৌশল। তাতে শতভাগ সফল। আফগানিস্তান তো রান তুলতে পারেইনি, উল্টো হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়েছে ব্যাটিং লাইনআপ। প্রথম ৩ উইকেট পাওয়ার পর উচ্ছ্বাস পরিমিত হলেও শেষ উইকেটের পর দেখা গেল তাসকিনের চেনা সেই উদ্‌যাপন—ডানা মেলে সবুজ মাঠটায় প্রজাপতি হয়ে ওড়া!
দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকায় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দলের জড়তা ছিল লক্ষণীয়। তাসকিনের পরিস্থিতি ছিল আরও কঠিন। বোলিং নিষেধাজ্ঞা থাকায় গত পাঁচ মাসে তাঁকে যেতে হয়েছে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে। দলের সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলন করলেও চরম অনিশ্চয়তায় ম্যাচ খেলার মানসিক প্রস্তুতি ঠিকভাবে নিতে পারেননি। ২৩ সেপ্টেম্বর বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার ফল দেওয়ার আগ পর্যন্ত নিশ্চিত ছিলেন না, আদৌ এই সিরিজে খেলতে পারবেন কি না।
স্নায়ুচাপে ভোগায় শুরুর বোলিংটা ভালো হয়নি। তবে ম্যাচের বয়স যত বেড়েছে ততই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। ধীরে ধীরে ফিরে পেয়েছেন নিজেকে। শেষ দিকে দল চাপে থাকলেও তাসকিন ছিলেন স্বচ্ছন্দ। শেষের স্পেলটা দুর্দান্ত হওয়ার সেটিই হয়তো কারণ see more 

Info : prothom-alo

মুশফিকের ‘ঘাতক’ যখন তাঁর প্রিয় ‘বন্ধু’

আফগানিস্তানের রশিদ খানের গুগলিটা পড়তেই পারেননি মুশফিকুর রহিম। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড। কে বলবে এটিই তাঁর প্রিয় শট! স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হতেই পারেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই শট খেলতে গিয়ে বারবার যেভাবে আউট হচ্ছেন, তাতে প্রিয় শটটাই তাঁর কাছে হয়ে গেছে ‘প্রাণঘাতী’! এক সময় যে শট ছিল তাঁর সবচেয়ে নির্ভরতার, সবচেয়ে কাছের বন্ধু, সেটাই এখন ডেকে আনছে বিপদবার্তা।
গত বছর জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি জেপি ডুমিনির বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ডেভিড মিলারের ক্যাচ হয়েছিলেন মুশফিক। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেও ডুমিনির বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। গত জানুয়ারিতে খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চার ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও দেখা গেছে একই ছবি। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে সিকান্দার রাজার হাতে ধরা পড়েছেন।
অনেক সময় আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি কিংবা ফিটনেস সমস্যার কারণে প্রিয় শট খেলতে আউট হন ব্যাটসম্যান। কিন্তু টেকনিকে দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিক কেন আটকা পড়ছেন নিজের প্রিয় শটে? অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা অবশ্য দাবি করছেন, এখনই এ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন। বরং সতীর্থকে লাইসেন্স দিচ্ছেন তাঁর প্রিয় শটটা খেলতে, ‘ওর শক্তির জায়গা হচ্ছে ওই শট। এই শটে সে অনেক রান করে। যদি এটা বন্ধ করে দেয়, তাহলে রানের জায়গাও কমে যাবে। কোচ আর মুশফিক খুব ভালো জানে ওদের কী পরিকল্পনা। সতীর্থ হিসেবে ওর প্রতি আমার যথেষ্ট আস্থা আছে। আশা করি মাঠে সে যেটা করবে, যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমাদের পক্ষেই আসবে।’
বারবার একই শটে আউট হলেও প্রশ্নটা উঠত না যদি মুশফিক ধারাবাহিক জ্বলে উঠতেন। এই বছর বাংলাদেশ দলের হয়ে এখনো নিজেকে চেনাতে পারেননি। ১৪ টি-টোয়েন্টিতে ১৪.৮৮ গড়ে করেছেন ১৩৪ রান। পরশু ১০ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নেমে করেছেন ৬ রান। তবে গত বছর ওয়ানডেতে মুশফিকের ফর্মটা মনে করিয়ে দিচ্ছেন মাশরাফি। ২০১৫ সালটা স্বপ্নের মতোই গেছে। ১৮ ম্যাচে ৫১.১৩ গড়ে ২ সেঞ্চুরি ও ৪ হাফ সেঞ্চুরিতে করেছেন ৭৬৭ রান, যেটি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ছিল সর্বোচ্চ।
সময়টা ভালো না গেলেও তাই মুশফিকেই আস্থার কমতি নেই মাশরাফির, ‘আপনি যদি গত দেড় বছরের পরিসংখ্যান দেখেন, মুশফিকের গড় রান ৫০-এর কাছাকাছি। এই গড়ে যে রান করেছে, সে রানের মধ্যে নেই, এটা বলা ঠিক কি নয়! আমার কাছে তো মনে হয় না see more 

Info : Prothom-alo

Saturday, September 24, 2016

বিশ্ব নদী দিবস

নদী ও মানুষের জীবন যেন অবিচ্ছেদ্য। এ কথা বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটু বেশিই সম্পর্কিত। আমাদের মৃতপ্রায় নদী নিয়ে তাই প্রায়ই পরিবেশবাদীসহ সাধারণ মানুষের যত উদ্বেগ। তবে নদী রক্ষার তৎপরতা গোটা দুনিয়াজুড়েই। নদী সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালন করা হচ্ছে বিশ্ব নদী দিবস। তবে এই দিনটি হুট করে আসেনি।
১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার (চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব নদী দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া (বিসি) ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। যার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল বিসি রিভারস ডে পালন দিয়ে। ১৯৮০ সালে কানাডার খ্যাতনামা নদীবিষয়ক আইনজীবী মার্ক অ্যাঞ্জেলো দিনটি ‘নদী দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বিসি রিভারস ডে পালনের সাফল্যের হাত ধরেই তা আন্তর্জাতিক রূপ পায়।
২০০৫ সালে জাতিসংঘ নদী রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরি করতে ‘জীবনের জন্য জল দশক’ ঘোষণা করে। সে সময়ই জাতিসংঘ দিবসটি অনুসমর্থন করে। এরপর থেকেই জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা দিবসটি পালন করছে, যা দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। গত বছর বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে পালন করা হয়েছে বিশ্ব নদী দিবস। বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে এ দিবস পালিত হচ্ছে see more 

Info : Prothom-alo

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি নিয়ে কিছু কথা

ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে, আর ক্যালসিয়াম শরীরে শোষণ করে কাজে লাগাতে দরকার হয় ভিটামিন ডি। এসব আজকাল প্রায় সবাই জানে। হাড় ক্ষয় রোধ করতে বা হাড় মজবুত করতে ওষুধের দোকান থেকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডির কৌটা কিনে খাওয়াটা অনেকের কাছেই এখন নৈমিত্তিক ব্যাপার। কিন্তু আসলে বয়স হলেই কি ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি বড়ি খাওয়া উচিত?
গড়পড়তা একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈনিক ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৬০০ ইউনিট ভিটামিন ডি হলে চলে। রজঃনিবৃত্তির (মেনোপজ) পর নারীদের এবং সত্তরোর্ধ্ব পুরুষদের দরকার হয় একটু বেশি ক্যালসিয়াম—১২০০ মিলিগ্রাম। গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েরও লাগে একটু বেশি। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, এমনকি উন্নত পশ্চিমা বিশ্বেও নারীরা প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৫০০ মিলিগ্রাম কম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করে থাকেন। জেনে রাখা ভালো যে ওষুধপত্র ছাড়া কীভাবে আমরা এগুলো বেশি করে পেতে পারি।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে ক্যালসিয়াম আছে। এক কাপ ননিবিহীন দুধ বা এক কাপ সয়া দুধে পাবেন ৩০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। এক কাপ টকদইয়ে থাকে আরও বেশি—৪০০ মিলিগ্রামের মতো। আধা বাটি রান্না করা সবুজ পাতাঅলা শাক খেলে ১০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাওয়া হবে। এক গ্লাস কমলার রসে ১৫০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম। এ ছাড়া ক্যালসিয়াম আছে কাঁটাযুক্ত মাছ, ব্রকলি ইত্যাদি খাবারে। তারপরও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম বড়ি সেবন করা যাবে বটে, তবে এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। ক্যালসিয়াম কার্বনেট বড়ি তাই খাওয়ার পরপর খাওয়া উচিত। বেশ কিছু ওষুধ অন্ত্রে ক্যালসিয়ামের শোষণ কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে যেসব ওষুধ অ্যাসিডিটি কমাতে ব্যবহৃত হয়। একসঙ্গে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যালসিয়াম ওষুধ অন্ত্রে শোষিত হয় না, তাই বেশি মাত্রার ওষুধ খেয়ে লাভ হয় না। ক্যালসিয়াম অন্ত্রে শোষণ করতে ভিটামিন ডি লাগে, তাই ভিটামিন ডি কম থাকলে এটিসহ খেতে হবে। এ ছাড়া সূর্যালোকে আছে প্রচুর ভিটামিন ডি। ডিমের কুসুম, লোনা পানির মাছেও আছে এ ভিটামিন। তবে যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে যেমন, তেমনি দীর্ঘদিন ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি বড়ি খাওয়ার বেলায়ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা see more 

Info : Prothom-alo

হারিয়ে গেল মঙ্গলযান!

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা—নাসা তাদের নভোযান ‘মার্স ক্লাইমেট অর্বিটার’ নামের নভোযানের সাফল্য নিয়ে কতই না জল্পনা-কল্পনা করেছিল। সাড়ে ১২ কোটি ডলার মূল্যের সে নভোযান নাসার বিজ্ঞানীদের মঙ্গলগ্রহ নিয়ে সুখবর না দিলেও দিয়েছে ছোট ‘শিক্ষা’!
সামান্য ভুলেই যে কত ভয়ানক ঘটনা ঘটতে পারে, নাসা তখন টের পেয়েছিল। ঘটনাটি ১৯৯৯ সালের। ‘মার্স ক্লাইমেট অর্বিটার’ হারিয়ে যায়, যার পেছনে ছিল একটিমাত্র মানবিক ভুল। নভোযানটি উৎক্ষেপণের ২৮৬ দিন পরে এই ভুল ধরতে পারেন বিজ্ঞানীরা। ভুলটির কথা শুনে আপনার টনক নড়ে যেতে পারে।
নভোযানটি তৈরি করেছিলেন লকহিড মার্টিন নামের প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা। তাঁরা এটা তৈরি করেছিলেন ব্রিটিশ পরিমাপ একক অনুসরণ করে। ১৮ ইঞ্চিতে ১ কিউবিট, ৩ মাইলকে ১ লিগ হিসেবে নানান অঙ্ক কষতেন তাঁরা। উল্টোদিকে নাসার প্রকৌশলীরা হিসাব করতেন মেট্রিক পদ্ধতিতে। দুই দলের হিসাবের গন্ডগোলে মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে প্রবেশের কয়েক ঘণ্টা আগেই হারিয়ে যায় অর্বিটার। ‘মানুষ মাত্রই ভুল করে’, এমন একটি প্রেসনোট দিয়ে সেবার নাসার অধিকর্তারা ক্ষমা পেয়েছিলেন see more 

Info: Prothom-alo

নাসার নতুন ‘চমক’ কি এলিয়েন?

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা শিগগিরই নতুন একটি ‘চমক’ হাজির করতে যাচ্ছেন। এমন আভাস দিয়ে বলা হচ্ছে, এ চমক হতে পারে আমাদের এই সৌরজগতে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীর গতিবিধি আবিষ্কারের তথ্য।
বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপার ছবি বিশ্লেষণ করে নাসার গবেষকেরা আসছে সোমবার নাগাদ ওই উপগ্রহপৃষ্ঠের নিচে থাকা সমুদ্র সম্পর্কে তথ্য জানাতে পারেন। ১ হাজার ৯০০ মাইল প্রশস্ত এই উপগ্রহের বরফাছাওয়া খোলসের নিচে বিশাল সমুদ্র থাকতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা। এই সমুদ্র গবেষকেদের আরও বেশি আকৃষ্ট করছে ইউরোপার পাথুরে আবরণ। যার মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানোর মতো উপাদান থাকতে পারে।
হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে ইউরোপার নতুন এই ছবিগুলো তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ইউরোপার রহস্য উদ্‌ঘাটনে সেখানে নভোযান পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন গবেষকেরা। ওই মিশনে নভোযান ১ হাজার ৭০০ মাইল থেকে শুরু করে ১৬ মাইল উচ্চতায় ৪৫ বার ইউরোপাকে চক্কর দেবে। ওই মিশনের ফলেই ইউরোপার বর্তমান অবস্থার কথা জানা যাবে।
গত মে মাসে নাসার প্লানেটারি ভূপ্রকৃতিবিদ স্টিভ ভ্যান্স বলেন, পৃথিবীর মতোই ইউরোপার সমুদ্রে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন চক্র সেখানকার সামুদ্রিক রসায়ন ও সেখানকার সম্ভাব্য জীবনের জন্য মূল চালিকা রূপ হতে পারে see more

Info :  Prothom-alo

বৃষ্টিতে বিঘ্নিত বাংলাদেশের অনুশীলন


বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত এক ঘন্টার প্রবল বৃষ্টিতে পুরো অনুশীলন করতে পারল না বাংলাদেশ দল। গা গরমের পর ইন্ডোরের বাইরের উইকেটে ঘন্টা খানেক ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন করেই গুটিয়ে ফেলতে হয়েছে সব। এ প্রতিবেদন লেখার সময় অবশ্য মিরপুরে বৃষ্টি নেই। বিকেল ৩টার দিকে অনুশীলন শুরু করে আফগানিস্তানও। তবে বৃষ্টির পর মাঠ কাভারে ঢাকা থাকায় সফরকারীদের অনুশীলন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে ইনডোরে।
 সিরিজ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, আফগানদের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডেই জয়ের লক্ষ্য তাদের। বোলিং নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর পেসার তাসকিন আহমেদ দলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তারা। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে আগামীকাল। দিবারাত্রির ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে see more 

Info :  Prothom-alo

সেরা পেস আক্রমণ নিয়েই নামছে বাংলাদেশ


কাঁধের চোটে দলের বাইরে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। দলের অন্যতম সেরা এই বোলারের অভাব অনুভব করলেও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা মনে করেন, সেরা পেস আক্রমণ নিয়েই বাংলাদেশ নামছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে ছিলেন মাশরাফি, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন। পরে আল আমিনের জায়গায় দলে ঢুকেছিলেন শফিউল ইসলাম। এই বোলিং আক্রমণ নিয়েই বাংলাদেশ পেয়েছিল সাফল্য। এবার আফগানিস্তান সিরিজেও একই আক্রমণ। আজ সিরিজ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি জানালেন, বোলিং আক্রমণ নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা, ‘আমরা সর্বশেষ বিশ্বকাপ যখন খেলেছিলাম আমাদের এই আক্রমণই ছিল। সত্যি বলতে আমরা ফিজকে মিস করব। তবে আমরা যারা আছি তাদেরও প্রমাণ করার একটা সুযোগ থাকছে। যারা বাইরে ছিল এবার তারা নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছে। আর এখন ওয়ানডেতে আমাদের পেস বোলারদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আমি মনে করি আমাদের সেরা আক্রমণই আছে।’
ওয়ানডেতে দুই দলের সাক্ষাতে ১-১ সমতা থাকলেও এবার এগিয়ে প্রত্যাশা বাংলাদেশের। ঐতিহ্য ও শক্তিমত্তায় এগিয়ে থাকলেও মাশরাফিকে ভাবাচ্ছে প্রায় এক বছর ওয়ানডে না খেলার বিষয়টি, ‘এটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ। আমরা গত এক বছরে কোনো ওয়ানডে খেলেনি। এখন একটা সিরিজ খেলতে নামছি। তা ছাড়া আফগানিস্তানও এখন খুব ভালো করছে। সব দিক দিয়েই সিরিজটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ see more

Info : Prothom-alo

আল আমিন-সানিকে না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন কোচ

আফগানিস্তান সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে রাখা হয়নি আল আমিনকে। আরাফাত সানি নেই আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড সিরিজের ওয়ানডে পুলেই। গত কিছুদিনে বাংলাদেশ দলের অপরিহার্য হয়ে ওঠা এই দুই বোলারকে দলে না রাখার ব্যাখ্যা দিলেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।
দুদিন আগে নির্বেচকেরা জানিয়েছিলেন, ফিটনেস ও ফিল্ডিংয়ের কারণে আল আমিনকে রাখা হয়নি দলে। এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চারদিকে। বাংলাদেশ কোচ হাথুরুসিংহে আজ সংবাদ সম্মেলনে যে ব্যাখ্যা দিলেন তাতে অবশ্য আশা খুঁজে পেতে পারেন আল আমিন, ‘দলে নেই মানে এই না যে, সে ফুরিয়ে গেছে। যদি অন্য কোনো দলের বিপক্ষে আমরা খেলতাম তাহলে ছবিটা অন্যরকম হতে পারত। অধিনায়ককে সেরা বৈচিত্র্যময় আক্রমণটাই দিচ্ছি। ও অতীতে অনেক ভালো করেছে। শফিউল ফিট থাকলে সেও অন্যদের মতো ভালো বোলার। আমরা দুটি ম্যাচের জন্য তাকে নিয়েছি, দেখতে চাই সে (শফিউল) কেমন করে।’
৬ সেপ্টেম্বর দেওয়া আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০ জনের ওয়ানডে পুলে রাখা হয়নি সানিকে। কাল তাসকিনের সঙ্গে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষায় উতরে গেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। সানির জায়গায় অবশ্য আগেই দলে সুযোগ পেয়েছেন আরেক বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
সানিকে দলে না রেখে তাইজুলকে নেওয়ার কারণটা বললেন কোচ, ‘আরাফাত সানি ভালো করছিল বলে তাইজুল সুযোগ পায়নি। যখনই সে (তাইজুল) খেলেছে ভালো করেছে। আমি আশাবাদী আরাফাত (সানি) যেভাবে খেলত, তাইজুলও সেটি করবে বা তার চেয়েও ভালো করবে। আর তাসকিনের চেয়ে আরাফাতের সমস্যাটা ভিন্ন। তাকে তাসকিনের চেয়ে বেশি অ্যাকশন বদলাতে হয়েছে। আমরা চাই ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলুক। নতুন অ্যাকশনের সঙ্গে অভ্যস্ত হোক। আমরা তার ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করব see more

Info : Prothom-alo

Tuesday, September 20, 2016

মোস্তাফিজ আছেন তাঁর মতোই

মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে কথা বলা মানেই ‘চমকে’র অপেক্ষা। যদি এক-দুই শব্দের জায়গায় এক-দুইটা লাইনই বলে ফেলেন! ঘনিষ্ঠ মহলে আড্ডাপ্রিয় মোস্তাফিজই সংবাদমাধ্যমের সামনে এতটা আড়ষ্ট।
কালও ব্যতিক্রম হলো না। যত বড় প্রশ্ন, তত ছোট উত্তর। একটা উদাহরণ—
*বয়সের কারণেই কোর্টনি ওয়ালশের খেলা আপনার দেখার কথা নয়। তবু তাঁর সম্পর্কে কতটুকু ধারণা আছে?
মোস্তাফিজের উত্তর: কঠিন প্রশ্ন।
এ রকম আরও অনেক প্রসঙ্গই এক-দুই কথায় বা হেসে পার করে দেন মোস্তাফিজ। তবে কাঁধের চোট ও চলমান পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া নিয়ে একটু বিস্তারিত বলেছেন। তারপরও সেটি এমন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো অবস্থা এখন। অস্ত্রোপচারের পর ডাক্তার দেখেছিল। তখন থেকে এখন পর্যন্ত ছয় সপ্তাহর মতো পার হয়েছে। যেভাবে বলা হচ্ছে, সেভাবেই কাজগুলো করছি। সবকিছু ভালোর দিকে যাচ্ছে।’
অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলার সময় একবার চোটে পড়েছিলেন। পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে তাই ভালোই ধারণা আছে মোস্তাফিজের। কিন্তু খেলা থেকে দূরে থাকতে কার ভালো লাগে! আর মোস্তাফিজ তো জাতীয় দলে ঢোকার পর পুরো সিরিজের জন্য বাদ পড়লেন এই প্রথম!
হতাশাটা লুকালেন না বাঁহাতি পেসার, “যখন জাতীয় দলে ছিলাম না, তখন তো এমন সময়ই কাটাতাম। তবে এই পর্যায়ে আসার পর কাটানো হয়নি। জাতীয় দলে আসার পর খেলার মধ্যেই ছিলাম। এখন খেলতে পারছি না। মিস তো অবশ্যই করছি।’
আসন্ন আফগানিস্তান বা ইংল্যান্ড কোনো সিরিজেই মোস্তাফিজের খেলার সম্ভাবনা নেই। সব ঠিকভাবে এগোলে হয়তো ডিসেম্বর-জানুয়ারির নিউজিল্যান্ড সফরেই ফিরবেন মোস্তাফিজ। দেশের বাইরে সেটাই হবে তাঁর প্রথম সিরিজ খেলা। মোস্তাফিজও আছেন সেই অপেক্ষায়, ‘সুস্থ হওয়ার পর আশা তো থাকবেই খেলার। দেশে সফল হয়েছি, চেষ্টা করব দেশের বাইরে খেললে সেখানেও সফল হতে।’
চোটের কারণে আপাতত জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও পুনর্বাসন চলছে বলে মিরপুরের একাডেমি ভবনেই থাকছেন মোস্তাফিজ। মাঝেমধ্যে মাঠের দিকে এসে ঢুঁ মারেন অনুশীলনে, সতীর্থদের সঙ্গে চলে আড্ডা, দুষ্টুমি। কাল সেসবেরই একফাঁকে কথা বললেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। সেখানে কথাবার্তায় মোস্তাফিজ যেমন আগের চেহারাতেই দেখা দিলেন, চোট কাটিয়ে মাঠেও ফিরতে চান পুরোনো রূপে see more 

Info : .prothom-alo

বাবা হারালেন আশরাফুল

ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে কিছুদিন ধরেই রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের বাবা আবদুল মতিন। কাল দিবাগত রাত দেড়টায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। আজ বাদ জোহর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের নিজ গ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে see more
Info : Prothom-alo

ব্যালন ডি’অরের নিয়মে পরিবর্তন

ফিফা-ব্যালন ডি’অর আলাদা হচ্ছে—এই খবর পুরোনো। ফিফার সঙ্গে ছয় বছরের চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় আবার নিজেদের নিয়মে ব্যালন ডি’অর দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ফিরে যাচ্ছে ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল। বর্ষসেরা ফুটবলার পুরস্কারের পরিকল্পনা নিয়ে ফিফা এখন পর্যন্ত কিছু না বললেও ব্যালন ডি’অরের দেওয়ার নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন আনছে ফ্রান্স ফুটবল।
এখন থেকে ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের জন্য সেরা খেলোয়াড় বাছাই করবে আগের মতোই আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের একটি দল। ফিফা সদস্য দেশগুলোর জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও কোচের ভোট দেওয়ার ব্যাপারটি তাই থাকছে না আর।
খেলোয়াড়দের মনোনয়ন তালিকাও বড় হচ্ছে। ফিফা ব্যালন ডি’অরের বেলায় ২৩ জন ফুটবলারের প্রাথমিক তালিকা থেকে সেরা তিনজনের নাম ঘোষণা করা হতো। ‘ফাইনালিস্ট’ এই তিনজনের একজনই হতেন ব্যালন ডি’অর জয়ী। ফ্রান্স ফুটবল জানিয়েছে, এখন থেকে প্রাথমিক তালিকাটা ২৩ জনের পরিবর্তে হবে ৩০ জনের। চূড়ান্ত বিজয়ীকেও বেছে নেওয়া হবে এই ৩০ জনের তালিকা থেকেই। এর মাঝে আর তিনজনের কোনো সংক্ষিপ্ত তালিকা থাকছে না। সাধারণত ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেওয়া হয় জানুয়ারির শুরুর দিকে। তবে এখন থেকে ব্যালন ডি’অর বছরের শেষেই দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স ফুটবল।
১৯৫৬ সালে শুরু হওয়ার পর টানা ৫৪ বছর ব্যালন ডি’অর পুরস্কারটি ছিল ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর একক সম্পত্তি। সাংবাদিকদের ভোটে দেওয়া হতো ইউরোপের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের এই পুরস্কার। ওদিকে ১৯৯১ থেকে ফিফার সব সদস্য দেশের কোচ ও অধিনায়কদের ভোটে ফিফা আলাদাভাবে দিয়ে আসছিল ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার। কিন্তু ২০১০ সালে ফিফার সঙ্গে ফ্রান্স ফুটবল–এর চুক্তির পর দুটি পুরস্কার এক হয়ে যায় see more 

Info : Prothom-alo

বার্সার স্কুলে মেসি-পিকে-সুয়ারেজের ছেলে

টাইম মেশিনে চড়ে চলুন এক লাফে ২০৩৫ সালে চলে যাই। ইউরোপের ফুটবলে তখন কী হচ্ছে জানেন? বার্সেলোনা আরও একবার ট্রেবল জিতেছে। ক্লাবের দুই ফরোয়ার্ড থিয়াগো মেসি আর বেঞ্জামিন সুয়ারেজ মিলে করেছেন ১০০ গোল! অধিনায়কের জার্সি গায়ে রক্ষণভাগে দুর্দান্ত একটা মৌসুম কেটেছে মিলান পিকের।

কল্পকাহিনী মনে হচ্ছে? আসলেই তাই। তবে সেই কল্পকাহিনী যে একদিন সত্যি হবে না, তা কে বলতে পারে! অন্তত সত্যি হওয়ার প্রথম ধাপটা গত পরশু ঘটে গেছে বার্সেলোনায়।

বার্সেলোনার স্কুল এফসিবি এসকোলায় যোগ দিয়ে প্রথম দিনের অনুশীলন করেছে লিওনেল মেসির ছেলে থিয়াগো আর লুইস সুয়ারেজের ছেলে বেঞ্জামিন ও জেরার্ড পিকের ছেলে মিলান!

বার্সেলোনার ফুটবলপ্রধান এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চার বছর বয়সের আগে যোগ দেওয়া যায় না। এখান থেকেই পরে খুদে ফুটবলারদের উত্তরণ হয়ে বার্সার যুব একাডেমি লা মাসিয়াতে। থিয়াগো, বেঞ্জামিন ও মিলান-তিনজনেরই বয়স চার পেরিয়ে গেছে। নিজের ক্লাবের স্কুলে তাই ছেলেদের ভর্তি করিয়ে দিতে দেরি করেননি তাদের বিখ্যাত বাবারা। প্রথম দিন তিন খুদে ফুটবলার অনুশীলনও করেছে একসঙ্গেই।

তিনজনের একসঙ্গে অনুশীলনের ছবি দেখতে ইচ্ছে করছে? তিন বিখ্যাত বাবার সন্তান বলেই সংবাদমাধ্যমেরও তুমুল আগ্রহ ছিল তাদের নিয়ে। তবে বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই শক্ত করে রেখেছিল। কোনো আলোকচিত্রীই তাই পারেননি তিনজনের এক সঙ্গে বা আলাদা ছবি তুলতে। মার্কা see more 

Info : .Prothom-alo

Thursday, September 8, 2016

যে ডিফেন্ডার দামে রোনালদো-বেল-পগবাদেরও ছাড়িয়ে

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার কে? উত্তরটি জানাই আছে সবার, পল পগবা! এই মৌসুমেই জুভেন্টাস থেকে ১০৫ মিলিয়ন ইউরোতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন ফ্রেঞ্চ মিডফিল্ডার। তাঁর আগে সবচেয়ে দামি ফুটবলার ছিলেন গ্যারেথ বেল। ২০১৩ সালে বেল ভেঙেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড। কিন্তু পগবা-বেল-রোনালদোরা যা করতে পারেননি, সেটাই করে দেখালেন ডেভিড লুইজ!
ফরোয়ার্ডদের দাম ফুটবলে বেশি হবেই। কিন্তু লুইজ ডিফেন্ডার হয়েও দলবদলের বাজারে রোনালদোদের ছাড়িয়ে গেলেন। এখন পর্যন্ত ট্রান্সফার মার্কেটে তাঁর পেছনে খরচ হয়েছে ১০৩ মিলিয়ন পাউন্ড। যেখানে বেল, রোনালদোর জন্যও এখনো ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হয়নি দলবদলের বাজারে। লুইজের আগে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের মাইলফলক ছুঁয়েছেন কেবল অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, হামেস রদ্রিগেজ ও গঞ্জালো হিগুয়েইন।
অবশ্য একবারেই লুইজের পেছনে এত টাকা খরচ হয়নি। এটি সর্বমোট হিসাব। ৩২ মিলিয়ন পাউন্ডে প্যারিস সেন্ট জার্মেই থেকে চেলসিতে ফিরে এলেন এই মৌসুমে। মাত্র দুই বছর আগে এই চেলসি থেকেই পিএসজিতে গিয়েছিলেন দলবদলের রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন পাউন্ডে। একজন ডিফেন্ডারের জন্য এ পরিমাণ টাকা কোনো ক্লাব এর আগে কখনো খরচ করেনি। লুইজকেই আবার ২০১১ সালে চেলসি বেনফিকা থেকে ২১ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনে এনেছিল চেলসি।
অর্থাৎ ২৯ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের জন্য দলবদলের বাজারে সব মিলিয়ে ১০৩ পাউন্ড বা ১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা খরচ হলো তাঁর পেছনে!
কোনো ডিফেন্ডারের জন্য ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করার ঘটনা এবারই প্রথম ঘটল। ডি মারিয়া, রদ্রিগেজ ও হিগুয়েইন তো আর ডিফেন্ডার​ নন। সব মিলিয়ে এই চারজনের পেছনে সর্বমোট ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করার রেকর্ড আছে ফুটবলে।
বেল, রোনালদোকে রিয়াল মাদ্রিদ দ্রুত বিক্রির চিন্তাভাবনা না করলে আরও বেশ কিছুদিন ‘১০০ মিলিয়ন পাউন্ড ক্লাবে’র সদস্য এ চারজনই থাকার কথা।
তবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো এবার দলবদলের বাজারে যা দেখাল, তাতে আগামী মৌসুমেই এ তালিকায় অনেকেই চলে আসতে পারেন। এবারের দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খেলোয়াড় কেনাবেচায় খরচ করেছে ‘মাত্র’ ১ বিলিয়ন ১৬৫ মিলিয়ন পাউন্ড see more 


Info : Prothom-alo

‘পরের বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল’

অলিম্পিক-সোনা বদলে দিয়েছে ব্রাজিলের মানসিকতা। বিশ্ব ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় আসরে প্রথমবারের মতো ফুটবল-শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে দিয়েছে হারানো আত্মবিশ্বাসটাও। দলটি এখন বিশ্বাস করা শুরু করেছে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ জিততে পারে তারা।
ব্রাজিল ফরোয়ার্ড ডগলাস কস্তার বিশ্বাস ২০১৮ বিশ্বকাপ জয়ের সব সম্ভাবনাই তাঁর দেশের আছে। নতুন কোচ তিতের অধীনে বিশ্বকাপ জিততেও পারে তারা।
দলে নেইমার, কুতিনহোদের মতো খেলোয়াড়েরাই এই বিশ্বাসে রসদ জোগাচ্ছে। জার্মান পত্রিকা আবেনজেইতাংকে কস্তা বলেন, ‘দলে নেইমার ও কুতিনহোদের মতো খেলোয়াড় আছে। আছে তিতের মতো কোচ। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো সবকিছুই আমাদের আছে। ব্রাজিলের হয়ে আমি ২০১৮ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বাদ পেতেও পারি।’
ব্রাজিল সত্যিই গত কিছুদিন ধরে অসাধারণ খেলছে। তরুণ দলটার ওপর ভরসা রাখাই যায়। বিশ্বের করে অলিম্পিক আর ইকুয়েডর ধাঁধা যেভাবে মিলিয়ে দিল, এই ব্রাজিলের মানসিক শ​ক্তি বেশ ধারালো। কস্তাও বললেন, ‘আমরা নিজেদের ফিরে পেয়েছি।’
অলিম্পিকে অবশ্য চোটের কারণে খেলতে পারেননি কস্তা। যে কয়টি কারণে ব্রাজিল সত্যি সত্যি ২০১৮-তে কাঁপিয়ে দিতে পারে, তাঁর একটি কারণ হতে পারেন কস্তা নিজেই। যদিও বিশ্বকাপ এখন দূর হনুস্ত see more 


Info : prothom-alo

Saturday, September 3, 2016

আকরামের একমাত্র আক্ষেপ

খেলোয়াড়ি জীবনে পেয়েছেন প্রায় সবকিছুই। বল হাতে আগুনে গোলা ছুড়েছেন, হয়ে উঠেছেন সর্বকালের সেরা বাঁ হাতি ফাস্ট বোলারদের একজন। দেশের হয়ে স্বাদ নিয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ের। কিন্তু সেই ওয়াসিম আকরামের আছে ‘না পাওয়ার’ এক আক্ষেপ! কী সেটা? ক্যারিয়ারে এত কিছু করেছেন, কিন্তু লর্ডসের ‘অনার্স বোর্ডে’ নাম তুলতে পারেননি যে!
এই আক্ষেপটা এখনো রয়ে গেছে আকরামের মনে। টেস্ট ক্যারিয়ারে ৫ উইকেট আছে ২৫ বার, কিন্তু তার একটিও লর্ডসে নয়। এমসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাই কিংবদন্তি এ পাকিস্তানি পেসার বলেছেন, ‘এটাই আমার খেলোয়াড়ি জীবনের একমাত্র আক্ষেপ। আমার নাম লর্ডসের সেই বিখ্যাত অনার্স বোর্ডে নেই!’
লর্ডসে চারটি টেস্ট খেলেছেন আকরাম। দুটোতে জয় পেয়েছেন, বাকি দুটোর একটিতে হেরেছেন, ড্র হয়েছে একটি টেস্ট। ১৯৯২ ও ১৯৯৬ সালে লর্ডসে পাকিস্তানের হয়ে দুটো টেস্ট জয়ের স্মৃতি আজও উজ্জ্বল আকরামের, ‘মনে আছে আমাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩৮ বা এমন কিছু। আমি আর ওয়াকার মিলে দলকে নিয়ে গিয়েছিলাম জয়ের বন্দরে। টেস্ট ক্রিকেটে আমার ২৫৭ রানের ইনিংস আছে, কিন্তু লর্ডস টেস্ট জেতার মুহূর্তটি অনন্য। ব্যাট হাতে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। আমি জয়সূচক রানটা নিয়েছিলাম, তাই হয়তো ওই মুহূর্ত আমার কাছে বিশেষ কিছু।’
১৯৯৬ সালে লর্ডসে জিতেছিলেন অধিনায়ক হিসেবেই। সেই স্মৃতি মনে করে বললেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টা অনেক বড় ব্যাপার। লর্ডসে জয়টা আরও অনেক বড় ব্যাপার। অধিনায়ক হিসেবে সেই জয়ের নেতৃত্ব দেওয়াটা সত্যিই খুব বড় অর্জন see more


Info : Prothom-alo

বোলিং নিয়েও ভাবছেন সাব্বির

মারকুটে ব্যাটসম্যান, দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার—এমন তকমা সাব্বির রহমানের গায়ে আগেই লেগে গেছে। ফিটনেসেও তিনি সবার চেয়ে এগিয়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার পর এখনো পর্যন্ত চোটের কারণে দলের বাইরে থাকতে হয়নি তাঁকে। কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ফিটনেস পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নাম্বার পান তিনিই। ফিটনেস, ব্যাটিং, ফিল্ডিংয়ের সঙ্গে সাব্বির এখন মনোযোগ দিতে চান বোলিংয়েও।
দলে মূলত তাঁর ভূমিকা ব্যাটসম্যান হিসেবেই। তবে পরিস্থিতি বুঝে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের আটকাতে কখনো আবির্ভূত হন বোলার হিসেবেও। লেগ স্পিন বোলিংয়ে এখনো অবশ্য সাফল্য পাননি খুব বেশি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৫ ম্যাচে পেয়েছেন ১১ উইকেট, ৯৪ লিস্ট ‘এ’-তে ৪৪ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও উজ্জ্বল নয় তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান—২৩ ওয়ানডের ১১ ইনিংসে পেয়েছেন ২ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য তুলনামূলক কিছুটা সফল। ২৬ ম্যাচের ৮ ইনিংসে বোলিং করে পেয়েছেন ৬ উইকেট।
গত জানুয়ারিতে খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দেখা গিয়েছিল সাব্বিরের বোলিং ঝলক। ১১ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট, যেটি তাঁর ক্যারিয়ারসেরা। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংও যে তাঁকে ভীষণ টানে, সেটিই কাল বললেন সাব্বির, ‘বোলিং করতে সব সময়ই আগ্রহী। ঘরোয়া ক্রিকেটে যে সংস্করণই হোক অধিনায়ককে বলি আমাকে বোলিংয়ে দাও। তবে বোলিংয়ে ছন্দে থাকার বিষয় থাকে। কয়েকটি উইকেট পেলেই ছন্দ আসবে। এর পর সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশ দল একজন লেগ স্পিনারের অভাব অনেক আগ থেকেই। সাব্বির তাই কাজে লাগাতে পারেন তাঁর লেগ স্পিনকে। তিনি অবশ্য চেষ্টা করছেন বোলার হিসেবে নিজেকে আরও ধারালো করতে, ‘কোচ সব সময়ই বলেন, ম্যাচে বোলিং করবে। মাশরাফি ভাইও বলেন, যখন সুযোগ হয় তোকে বোলিং দেওয়া হবে। যখনই সুযোগ পাই সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। বোলিং নিয়ে আমি কাজ করছি। বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে সামনে আরও ভালো করার চেষ্টা করব  see more 

Info : Prothom-alo