Wednesday, August 24, 2016

মাশরাফির বিশ্বাস ইংল্যান্ড আসবে

বাংলাদেশ সফরে আসার সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের ওপর ছেড়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। বাংলাদেশে ঘুরে যাওয়া তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের কাছে এখানকার পরিস্থিতি জেনে খেলোয়াড়রাই সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশে আসবেন কি আসবেন না। তবে মাশরাফি বিন মুর্তজার বিশ্বাস, ইংল্যান্ড আসবে। ‘প্রথমতো আমি তাদের অনুরোধ করব আসতে এবং এখনো আমি বিশ্বাস করি তারা আসবে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও সব দলকে এখানে কঠোর নিরাপত্তা দেওয়া হয়। আমরা আত্মবিশ্বাসী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং সরকারের পক্ষ থেকে ইংল্যান্ড দলকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হবে’—মিরপুরে সাংবাদিকদের বলেছেন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
মাশরাফি বিন মুর্তজার প্রথম পরিচয় তিনি একজন খেলোয়াড়। সে হিসেবেই তাঁর দাবি, কোনো কারণেই যেন খেলাটা বন্ধ না হয়। সন্ত্রাসী হামলা এখন বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এর জন্য খেলা বন্ধ হতে থাকলে একসময় খেলাধূলা আর হবেই না, এমন শঙ্কা তাঁর, ‘সব জায়গাতেই এই ঘটনাগুলো ঘটছে। এটার জন্য এভাবে খেলা বাদ দিতে থাকলে একসময়তো খেলাই বন্ধ হয়ে যাবে! ফ্রান্সের মতো জায়গায় সন্ত্রাসী হামলার পর ইউরো হয়েছে। সব দল খেলেছে। সব জায়গাতেই কম বেশি সমস্যা হচ্ছে। আমি মনে করি খেলোয়াড়দের উচিত খেলার দিকে দৃষ্টি দেওয়া।’
বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের আশ্বস্ত করেছেন অধিনায়ক, ‘যতটুকু জেনেছি আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ অবস্থায় থাকবে। প্রয়োজনে সেটা আরও বাড়ানো হবে। সেই সুযোগ ক্রিকেট বোর্ডের আছে। বড় বড় টুর্নামেন্টে এরকম নিরাপত্তা আমরা দিয়ে এসেছি। আমার বিশ্বাস, পরিস্থিতি এই মূহুর্তে যথেষ্ট ভালো।’
এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিসিবি সবসময়ই ইসিবিকে পাশে পেয়েছে। গত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া নিরাপত্তার অজুহাত তুলে দল না পাঠালেও খেলে গেছে ইংল্যান্ডের যুবারা। মাশরাফির বিশ্বাস, এবারও ব্যতিক্রম হবে না, ‘এটাতো শুধু একটা খেলাই নয়। এর মধ্যে অনেক কিছু জড়িয়ে আছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড সব সময় আমাদের পক্ষে ছিল। আগের দুইবার তারা এখানে এসেছে। আমরা এ জন্যই আশাবাদী, তারা এখানে আসবে  see more




Info : Prothom-alo

পুরোনো ফোন নতুন করে বেচবে স্যামসাং!


স্মার্টফোনের ব্যবসা নিয়ে অ্যাপলের মতো চিন্তাভাবনা শুরু করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। সম্প্রতি পুরোনো ফোন নতুন করে বেচতে একটি কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে ব্যবহৃত প্রিমিয়াম স্মার্টফোনগুলো ‘রিফ্রাবিশড’ বা পরিমার্জন করে বিক্রি করবে তারা। আগামী বছরের শুরু থেকে এ ফোন বিক্রি শুরু হতে পারে। স্যামসাং ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, খরচ বাঁচাতে এবং আয়ের ধারা বজায় রাখতে স্যামসাং এ কর্মসূচি চালু করছে।
বর্তমানে বিশ্বে শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এক বছরের হালনাগাদ চুক্তিতে গ্রাহকের কাছে স্মার্টফোন বিক্রি করে স্যামসাং। এক বছর পর পুরোনো ফোন ফিরিয়ে দিয়ে নতুন ফোন নেন গ্রাহকেরা। ওই পুরোনো ফোনগুলো আবার ঠিকঠাক করে অন্য দেশের বাজারে বিক্রি করার পরিকল্পনা করছে স্যামসাং। অ্যাপলও একই কাজ করে।
স্যামসাংয়ের সূত্র রয়টার্সকে বলেছে, রিফাব্রিশড ফোনগুলো কম দামে বিক্রি করা হবে। এই ঘোষণা এখনো প্রকাশ্যে দেওয়া হয়নি বলে ওই ব্যক্তি নাম প্রকাশ করেননি। ঠিক কত কমে ফোনগুলো বিক্রি হবে বা কোন দেশে কত পরিমাণ ফোন বিক্রি হবে, তা তিনি বলেননি।
স্যামসাংয়ের এক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ধরনের অনুমানের ওপর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
স্যামসাংয়ের ফোনগুলোতে কী কী পরিবর্তন হবে, তা পরিষ্কার নয়। তবে রিফ্রাবিশড ফোনগুলোতে সাধারণত কেসিং ও ব্যাটারি পরিবর্তন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অ্যাপলের এক বছরের পুরোনো ফোনগুলো বিক্রির সময় ৬৯ শতাংশ দাম মেলে। স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ গ্যালাক্সি ফোনগুলোতে দাম পাওয়া যায় ৫১ শতাংশ।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলেন, রিফ্রাবিশড ফোন বিক্রি শুরু করলে ভারতের মতো বর্ধিঞ্চু বাজারে নিজেদের অবস্থান বাড়িয়ে নিতে পারবে স্যামসাং। কারণ, এসব বাজারে হাইএন্ড ফোনের দাম ৮০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হয়, যা অধিকাংশ ক্রেতার নাগালের বাইরে থাকে।
সম্প্রতি অ্যাপলও ভারতের বাজারে রিফ্রাবিশড আইফোন বিক্রির চেষ্টা চালিয়েছে। স্যামসাং যদি এ ধরনের ফোন বিক্রি করে, তবে কম দামি চীনা ব্র্যান্ডের অনেক ফোনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে। কারণ, চীনা ফোনগুলো স্যামসাংয়ের বাজার দখলে ভাগ বসাচ্ছে।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিলোটির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ব্যবহৃত বা হাতফেরতা মোবাইলের বাজার দাঁড়াবে ১ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলারের মতো। প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন খুব কম হওয়ায় ব্যবহৃত ফোনের বাজার আরও see more 





Info : Prothom-alo

Tuesday, August 23, 2016

ঈর্ষার লাগাম টানবেন যেভাবে

পরশ্রীকাতরতা ও ঈর্ষার কাঁটা মানুষকে সুখী হতে দেয় না। গবেষকেরা বলছেন, ঈর্ষা হওয়ার মতো ঘটনা এখন বেড়ে গেছে। এতে মানুষের বিষণ্নতাও বেড়েছে। এখন কর্মক্ষেত্র, পরিবার, বন্ধুত্ব, এমনকি অন্যান্য সম্পর্কের ওপর গিয়েও পড়ছে ঈর্ষার প্রভাব।
যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলস সেন্টার ফর ইমোশনাল ইনটেলিজেন্সের করা ‘কোপিং উইথ এনভি অ্যান্ড জেলাসি’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, জীবনে ঈর্ষাকাতর হওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্বনির্ভরতা ও আত্মোপলব্ধির মাধ্যমে তা দূর করা যেতে পারে।
গবেষকদের মতে, ঈর্ষার মাত্রা একেক মানুষের ক্ষেত্রে একেকভাবে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। ঈর্ষার ভাব বাড়তে থাকলে প্রত্যকের তা সামলানোর পদ্ধতি জানা উচিত। তা না হলে মানসিক শান্তির বারোটা বাজবে।
আমরা অত্যন্ত প্রদর্শনীমূলক একটি সমাজে বাস করছি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। আমাদের জীবনে কী ঘটছে, পুরো বিশ্বকে তা জানিয়ে দিচ্ছি। যখন আমরা দেখি, কাছের কোনো বন্ধু রোমাঞ্চকর কোথাও ভ্রমণ করছে বা পরিবারের সঙ্গে অনুষ্ঠান করছে, তখনই ঈর্ষা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা বাদ দিতে হবে। ‘ইমোশনাল ফ্রিডম’ নামের একটি বইয়ের লেখক জুডিথ ওরলফ মনে করেন, অন্যদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা ঠিক হবে না। অন্যের চেয়ে নিজেকে কম ভাব ঠিক নয়। লেখক ইয়োকো অনো বলেন, ঈর্ষাকে প্রশংসায় রূপান্তর করুন। প্রশংসা করতে পারলে তা জীবনের অংশ হয়ে থাকবে।
যাঁরা আত্মনির্ভরশীল মানুষ, জীবনে তাঁরা হিংসা বা ঈর্ষাকে প্রশ্রয় দেন না। সাহিত্য সমালোচক পারুল সেহগালের মতে, হিংসা ক্লান্তিকর। এটা ক্ষুধার্ত আবেগ। হিংসা থেকে মুক্তি চান? সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহার থেকে কিছুটা বিরত থাকুন। ফেসবুক হালনাগাদ, টুইট, ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট থেকেও হিংসা তৈরি হতে পারে। তথ্যসূত্র: হাফিংটন পোস্ট, টিএনএন see more




Info : Prothom-alo

ভারতে গ্যালাক্সি এস ৭-এর দাম কমছে

ভারতে গ্যালাক্সি এস ৭ ও এস ৭ এজ মডেলের দুটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের দাম কমেছে। মুম্বাইভিত্তিক রিটেইলার মহেশ টেলিকম বলেছে, দুটি ডিভাইসে পাঁচ হাজার রুপি করে ছাড় দিচ্ছে স্যামসাং।
ভারতে এস ৭ স্মার্টফোনটি ৪৮ হাজার ৯০০ রুপিতে বিক্রি হলেও ছাড়ের পর তা এখন ৪৩ হাজার ৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। গ্যালাক্সি এস ৭ এজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ হাজার ৯০০ রুপিতে, যার দাম ছিল ৫৬ হাজার ৯০০ রুপি।
এস ৭ ও এস ৭ এজ দুটির হার্ডওয়্যার একই রকম। এস ৭-এ আছে ৫ দশমিক ১ ইঞ্চি ডিসপ্লে। ১৫২ গ্রাম ওজনের ফোনটির ব্যাটারি ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। এস ৭ এজ সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের। এর ব্যাটারি ৩৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। এর ওজন ১৫৭ গ্রাম। স্মার্টফোন দুটিতে কোয়াড এইচডি সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে রয়েছে। দুটি ফোনই অ্যান্ড্রয়েড মার্শমেলোতে চলে। দুটি ফোনেই রয়েছে অক্টা কোর প্রসেসর, ৪ জিবি র‍্যাম।
গত সপ্তাহে ভারতের বাজারে গ্যালাক্সি নোট ৭ ফোনটি ছেড়েছে স্যামসাং। এর দাম ৫৯ হাজার ৯০০ রুপি।
এদিকে বাংলাদেশের বাজারে গত ফেব্রুয়ারি মাসে শুধু গ্যালাক্সি এস ৭ এজ ফোনটি ছাড়ে স্যামসাং মোবাইল বাংলাদেশ। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৭ এজের দাম ৭৯ হাজার ৯০০ টাকা। গত ঈদে বিশেষ অফারে গ্যালাক্সি এস ৭ এজে ১০ হাজার টাকা থেকে ছাড় দেয় প্রতিষ্ঠানটি।
এ ছাড়া স্যামসাংয়ের একটি সূত্র জানায়, শিগগিরই বাংলাদেশের বাজারে গ্যালাক্সি নোট ৭ ফোনটি ছাড়বে স্যামসাং। বাংলাদেশের বাজারে স্যামসাংয়ের অন্যান্য ফ্ল্যাগশিপ ফোনের মতোই দাম হবে গ্যালাক্সি নোট ৭-এর। দামটি ৮০ হাজার টাকার কিছুটা কমবেশি হতে পারে। বাংলাদেশে গোল্ড-প্লাটিনাম ও ব্ল্যাক অনিক্স রঙে এটি পাওয়া যাবে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া see more 



Info : Prothom-alo

মুস্তাফিজের অন্য রকম ফেরা

তাঁর দুই ফেরার মধ্যে কত পার্থক্য! গত মে মাসে আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমান ফিরেছিলেন রাজার মতো। আর কাল ইংল্যান্ড থেকে ফিরলেন একরাশ হতাশা বুকে নিয়ে। তবে তাঁর চোখে-মুখে হতাশার ছাপ খুঁজে পাওয়া কঠিন। দুপুরে ঢাকায় নামার পর সারল্যমাখা হাসি নিয়ে এলেন সংবাদমাধ্যমের সামনে।
লন্ডনের কেনসিংটনের বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালে মুস্তাফিজের বাঁ কাঁধে অস্ত্রোপচার হয়েছে ১১ আগস্ট। শল্যবিদ অ্যান্ড্রু ওয়ালেসের ছাড়পত্র পেয়ে কাল দুপুরে ফিরেছেন দেশে। ২০ বয়সী এই পেসার বিমানবন্দরে শোনালেন তাঁর অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতা, ‘আমার সুই নেওয়ার অভ্যাস নেই। এ কারণে সুই দেখলে ভয় লাগে। সুই ফোটালে ব্যথা লাগবে, অপারেশন করলে লাগবে না, এমনটা মনে হচ্ছিল।’
মুস্তাফিজ জানালেন, অস্ত্রোপচারের পর তাঁকে কিছু কাজ দেখিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসক ওয়ালেস। সেগুলো কীভাবে করতে হবে, ডাক্তার তা বুঝিয়ে দিয়েছেন বিসিবির চিকিৎসক দেবাশিস চৌধুরীকে। শুরুতে খুব বেশি চাপ দেওয়া হবে না মুস্তাফিজের ওপর। তবে চার-পাঁচ সপ্তাহ পর থেকে বাড়তে থাকবে মাত্রা। মুস্তাফিজের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে একটু ধারণা দিলেন দেবাশিস, ‘ওকে কিছু সহজ ব্যায়াম দেওয়া হয়েছে। আপাতত এগুলোই করবে। পাঁচ সপ্তাহ বা এক মাস পর শুরু হবে পরের ধাপ।’
আপাতত দু-তিন দিন মিরপুর একাডেমি ভবনে থাকবেন মুস্তাফিজ। পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যাবেন সাতক্ষীরায়। সপ্তাহ খানেক থেকে চলে আসবেন ঢাকায়। তবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে খেলায় ফিরতে মাস পাঁচেক লাগবে। মুস্তাফিজ তাই থাকছেন না অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে। আর সেই যন্ত্রণায় পুড়তে শুরু করেছেন এখনই, ‘খেলতে না পারলে খারাপ তো লাগারই কথা see more 



Info : Prothom-alo

মিসবাহর পাকিস্তানই গড়ল ‘এক’-এর ইতিহাস

পাকিস্তানের ক্রিকেটে এখন চলছে মিসবাহ–যুগ। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে খেলার ধারও যেন বাড়ছে মিসবাহর। ‘বুড়ো’ মিসবাহর হাত ধরেই পাকিস্তান দল গড়ল ইতিহাস। প্রথমবারের মতো টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ১ নম্বরে উঠে এসেছে তারা। এর আগে আর কখনোই ধ্রুপদি ক্রিকেটের ‘নাম্বার ওয়ান’ হওয়ার কীর্তি গড়েনি পাকিস্তান। দেশটি এমন একটা সময় টেস্টের র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এল, যখন আট বছর ধরে তারা দেশের মাটিতে টেস্ট খেলা থেকে বঞ্চিত। অথচ ‘হোম অ্যাডভান্টেজ’ ব্যাপারটি টেস্ট ক্রিকেটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

গতকাল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের শেষ টেস্টটি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় পাকিস্তানই উঠে আসছে ১ নম্বরে। তবে বৃষ্টির বদান্যতা কিংবা শ্রীলঙ্কার কাছে অস্ট্রেলিয়ার অসহায় আত্মসমর্পণ নয়; মিসবাহ-উল-হক মনে করেন, পাকিস্তান ১ নম্বরে উঠে এসেছে নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই। পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক বলেছেন, ‘এটা আকস্মিক কিছুও নয়। টেস্ট নিয়ে পাকিস্তানের পরিকল্পনার ফসল এই সাফল্য।’

পাকিস্তানের ইতিহাসে বিখ্যাত অধিনায়ক খুব কম আসেননি। তবে তাঁর নেতৃত্বেই দল প্রথম এই কীর্তি গড়ায় মিসবাহ স্বাভাবিকভাবেই খুশি। পাকিস্তান অধিনায়ক বলেছেন, ‘দল হিসেবে কয়েক বছর আগেই আমরা যে পরিকল্পনা করেছিলাম, আর সেই পরিকল্পনা সফল করতে যে কঠোর পরিশ্রম করেছি, ১ নম্বর হওয়াটা তারই পুরস্কার। বিশ্বের সেরা কিছু খেলোয়াড়কে নিয়ে গড়া সেরা কয়েকটি দলকে পেছনে ফেলে টেস্টের ১ নম্বর হওয়াটা অবশ্যই অনেক গর্বের।’

মিসবাহ এই অর্জনে বিশেষ কৃতিত্ব দিলেন সমর্থকদের, পাকিস্তান নিজেদের মাটিতে টেস্ট খেলতে না পারার পরও যারা দলকে অব্যাহতভাবে সমর্থন জুগিয়ে গেছে। বিশেষ করে দলের দুঃসময়েও যারা ছিল পাশে। প্রত্যয়ী মিসবাহ বলেছেন, ‘আমাদের জন্য ১ নম্বর হওয়াটা ভাগ্যের ঠিক করে দেওয়া হয়, এটা আমাদের দীর্ঘ যাত্রার ফসল।’

আইসিসি নিশ্চিত করেছে, মাত্রই মাস খানেক আগে ‘১ নম্বর’–এর পুরস্কার হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে যে গদাটা দেওয়া হয়েছিল, সেটা এবার তুলে দেওয়া হবে পাকিস্তানের হাতে see more




Info : Prothom-alo

পথের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ইংলিশ বিশেষজ্ঞদের

গত সপ্তাহেই বাংলাদেশের নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে গেলেন তিন ইংলিশ বিশেষজ্ঞ। ঢাকা ও চট্টগ্রামের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলেননি তাঁরা। এই তিন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যে প্রতিবেদন জমা দেবেন, তার ওপরই নির্ভর করছে ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর। ইংল্যান্ডের দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ সফরে খেলোয়াড়দের আসা-যাওয়ার পথের নিরাপত্তা নিয়ে নাকি শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ওই তিন নিরাপত্তা বিশ্লেষক।
টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ইংলিশ ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা রেগ ডিকসন, ক্রিকেট অপারেশনস প্রধান জন কার ও পেশাদার ক্রিকেটারদের সংগঠনের প্রধান নির্বাহী ডেভিড লেথারডেল বাংলাদেশ সফরে বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করেছেন। এতে ছিল ঢাকা ও চট্টগ্রামে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের আবাসন-হোটেল, খেলার ভেন্যু ও হোটেল থেকে ভেন্যুতে যাওয়া-আসার পথ। এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে হোটেল ও ভেন্যুর নিরাপত্তা নিয়ে তাঁরা খুব একটা শঙ্কিত নন। তবে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন হোটেল থেকে খেলোয়াড়দের টিম বাসের ভেন্যুতে যাওয়া-আসার পথ নিয়ে। শঙ্কার মূল কারণ ঢাকা ও চট্টগ্রামের রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনগুলো। তাঁরা মনে করেন, দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর মূল রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি ভবনকে নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে নিয়ে আসা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
ইংলিশ বিশেষজ্ঞদের ওই শঙ্কার ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘ইংল্যান্ডের তরফ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।’
দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলতে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের। তবে গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় ২০ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই ইংল্যান্ডের সফর নিয়ে নানা কথা হচ্ছে see more 




Info : Prothom-alo