Tuesday, September 20, 2016

বাবা হারালেন আশরাফুল

ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে কিছুদিন ধরেই রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের বাবা আবদুল মতিন। কাল দিবাগত রাত দেড়টায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। আজ বাদ জোহর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের নিজ গ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে see more
Info : Prothom-alo

ব্যালন ডি’অরের নিয়মে পরিবর্তন

ফিফা-ব্যালন ডি’অর আলাদা হচ্ছে—এই খবর পুরোনো। ফিফার সঙ্গে ছয় বছরের চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ায় আবার নিজেদের নিয়মে ব্যালন ডি’অর দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ফিরে যাচ্ছে ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল। বর্ষসেরা ফুটবলার পুরস্কারের পরিকল্পনা নিয়ে ফিফা এখন পর্যন্ত কিছু না বললেও ব্যালন ডি’অরের দেওয়ার নিয়মে বেশ কিছু পরিবর্তন আনছে ফ্রান্স ফুটবল।
এখন থেকে ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের জন্য সেরা খেলোয়াড় বাছাই করবে আগের মতোই আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের একটি দল। ফিফা সদস্য দেশগুলোর জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও কোচের ভোট দেওয়ার ব্যাপারটি তাই থাকছে না আর।
খেলোয়াড়দের মনোনয়ন তালিকাও বড় হচ্ছে। ফিফা ব্যালন ডি’অরের বেলায় ২৩ জন ফুটবলারের প্রাথমিক তালিকা থেকে সেরা তিনজনের নাম ঘোষণা করা হতো। ‘ফাইনালিস্ট’ এই তিনজনের একজনই হতেন ব্যালন ডি’অর জয়ী। ফ্রান্স ফুটবল জানিয়েছে, এখন থেকে প্রাথমিক তালিকাটা ২৩ জনের পরিবর্তে হবে ৩০ জনের। চূড়ান্ত বিজয়ীকেও বেছে নেওয়া হবে এই ৩০ জনের তালিকা থেকেই। এর মাঝে আর তিনজনের কোনো সংক্ষিপ্ত তালিকা থাকছে না। সাধারণত ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেওয়া হয় জানুয়ারির শুরুর দিকে। তবে এখন থেকে ব্যালন ডি’অর বছরের শেষেই দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স ফুটবল।
১৯৫৬ সালে শুরু হওয়ার পর টানা ৫৪ বছর ব্যালন ডি’অর পুরস্কারটি ছিল ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর একক সম্পত্তি। সাংবাদিকদের ভোটে দেওয়া হতো ইউরোপের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের এই পুরস্কার। ওদিকে ১৯৯১ থেকে ফিফার সব সদস্য দেশের কোচ ও অধিনায়কদের ভোটে ফিফা আলাদাভাবে দিয়ে আসছিল ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার। কিন্তু ২০১০ সালে ফিফার সঙ্গে ফ্রান্স ফুটবল–এর চুক্তির পর দুটি পুরস্কার এক হয়ে যায় see more 

Info : Prothom-alo

বার্সার স্কুলে মেসি-পিকে-সুয়ারেজের ছেলে

টাইম মেশিনে চড়ে চলুন এক লাফে ২০৩৫ সালে চলে যাই। ইউরোপের ফুটবলে তখন কী হচ্ছে জানেন? বার্সেলোনা আরও একবার ট্রেবল জিতেছে। ক্লাবের দুই ফরোয়ার্ড থিয়াগো মেসি আর বেঞ্জামিন সুয়ারেজ মিলে করেছেন ১০০ গোল! অধিনায়কের জার্সি গায়ে রক্ষণভাগে দুর্দান্ত একটা মৌসুম কেটেছে মিলান পিকের।

কল্পকাহিনী মনে হচ্ছে? আসলেই তাই। তবে সেই কল্পকাহিনী যে একদিন সত্যি হবে না, তা কে বলতে পারে! অন্তত সত্যি হওয়ার প্রথম ধাপটা গত পরশু ঘটে গেছে বার্সেলোনায়।

বার্সেলোনার স্কুল এফসিবি এসকোলায় যোগ দিয়ে প্রথম দিনের অনুশীলন করেছে লিওনেল মেসির ছেলে থিয়াগো আর লুইস সুয়ারেজের ছেলে বেঞ্জামিন ও জেরার্ড পিকের ছেলে মিলান!

বার্সেলোনার ফুটবলপ্রধান এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চার বছর বয়সের আগে যোগ দেওয়া যায় না। এখান থেকেই পরে খুদে ফুটবলারদের উত্তরণ হয়ে বার্সার যুব একাডেমি লা মাসিয়াতে। থিয়াগো, বেঞ্জামিন ও মিলান-তিনজনেরই বয়স চার পেরিয়ে গেছে। নিজের ক্লাবের স্কুলে তাই ছেলেদের ভর্তি করিয়ে দিতে দেরি করেননি তাদের বিখ্যাত বাবারা। প্রথম দিন তিন খুদে ফুটবলার অনুশীলনও করেছে একসঙ্গেই।

তিনজনের একসঙ্গে অনুশীলনের ছবি দেখতে ইচ্ছে করছে? তিন বিখ্যাত বাবার সন্তান বলেই সংবাদমাধ্যমেরও তুমুল আগ্রহ ছিল তাদের নিয়ে। তবে বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই শক্ত করে রেখেছিল। কোনো আলোকচিত্রীই তাই পারেননি তিনজনের এক সঙ্গে বা আলাদা ছবি তুলতে। মার্কা see more 

Info : .Prothom-alo

Thursday, September 8, 2016

যে ডিফেন্ডার দামে রোনালদো-বেল-পগবাদেরও ছাড়িয়ে

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার কে? উত্তরটি জানাই আছে সবার, পল পগবা! এই মৌসুমেই জুভেন্টাস থেকে ১০৫ মিলিয়ন ইউরোতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন ফ্রেঞ্চ মিডফিল্ডার। তাঁর আগে সবচেয়ে দামি ফুটবলার ছিলেন গ্যারেথ বেল। ২০১৩ সালে বেল ভেঙেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রেকর্ড। কিন্তু পগবা-বেল-রোনালদোরা যা করতে পারেননি, সেটাই করে দেখালেন ডেভিড লুইজ!
ফরোয়ার্ডদের দাম ফুটবলে বেশি হবেই। কিন্তু লুইজ ডিফেন্ডার হয়েও দলবদলের বাজারে রোনালদোদের ছাড়িয়ে গেলেন। এখন পর্যন্ত ট্রান্সফার মার্কেটে তাঁর পেছনে খরচ হয়েছে ১০৩ মিলিয়ন পাউন্ড। যেখানে বেল, রোনালদোর জন্যও এখনো ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হয়নি দলবদলের বাজারে। লুইজের আগে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের মাইলফলক ছুঁয়েছেন কেবল অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, হামেস রদ্রিগেজ ও গঞ্জালো হিগুয়েইন।
অবশ্য একবারেই লুইজের পেছনে এত টাকা খরচ হয়নি। এটি সর্বমোট হিসাব। ৩২ মিলিয়ন পাউন্ডে প্যারিস সেন্ট জার্মেই থেকে চেলসিতে ফিরে এলেন এই মৌসুমে। মাত্র দুই বছর আগে এই চেলসি থেকেই পিএসজিতে গিয়েছিলেন দলবদলের রেকর্ড ৫০ মিলিয়ন পাউন্ডে। একজন ডিফেন্ডারের জন্য এ পরিমাণ টাকা কোনো ক্লাব এর আগে কখনো খরচ করেনি। লুইজকেই আবার ২০১১ সালে চেলসি বেনফিকা থেকে ২১ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনে এনেছিল চেলসি।
অর্থাৎ ২৯ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের জন্য দলবদলের বাজারে সব মিলিয়ে ১০৩ পাউন্ড বা ১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা খরচ হলো তাঁর পেছনে!
কোনো ডিফেন্ডারের জন্য ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করার ঘটনা এবারই প্রথম ঘটল। ডি মারিয়া, রদ্রিগেজ ও হিগুয়েইন তো আর ডিফেন্ডার​ নন। সব মিলিয়ে এই চারজনের পেছনে সর্বমোট ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করার রেকর্ড আছে ফুটবলে।
বেল, রোনালদোকে রিয়াল মাদ্রিদ দ্রুত বিক্রির চিন্তাভাবনা না করলে আরও বেশ কিছুদিন ‘১০০ মিলিয়ন পাউন্ড ক্লাবে’র সদস্য এ চারজনই থাকার কথা।
তবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো এবার দলবদলের বাজারে যা দেখাল, তাতে আগামী মৌসুমেই এ তালিকায় অনেকেই চলে আসতে পারেন। এবারের দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো খেলোয়াড় কেনাবেচায় খরচ করেছে ‘মাত্র’ ১ বিলিয়ন ১৬৫ মিলিয়ন পাউন্ড see more 


Info : Prothom-alo

‘পরের বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল’

অলিম্পিক-সোনা বদলে দিয়েছে ব্রাজিলের মানসিকতা। বিশ্ব ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় আসরে প্রথমবারের মতো ফুটবল-শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে দিয়েছে হারানো আত্মবিশ্বাসটাও। দলটি এখন বিশ্বাস করা শুরু করেছে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ জিততে পারে তারা।
ব্রাজিল ফরোয়ার্ড ডগলাস কস্তার বিশ্বাস ২০১৮ বিশ্বকাপ জয়ের সব সম্ভাবনাই তাঁর দেশের আছে। নতুন কোচ তিতের অধীনে বিশ্বকাপ জিততেও পারে তারা।
দলে নেইমার, কুতিনহোদের মতো খেলোয়াড়েরাই এই বিশ্বাসে রসদ জোগাচ্ছে। জার্মান পত্রিকা আবেনজেইতাংকে কস্তা বলেন, ‘দলে নেইমার ও কুতিনহোদের মতো খেলোয়াড় আছে। আছে তিতের মতো কোচ। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো সবকিছুই আমাদের আছে। ব্রাজিলের হয়ে আমি ২০১৮ বিশ্বকাপ শিরোপার স্বাদ পেতেও পারি।’
ব্রাজিল সত্যিই গত কিছুদিন ধরে অসাধারণ খেলছে। তরুণ দলটার ওপর ভরসা রাখাই যায়। বিশ্বের করে অলিম্পিক আর ইকুয়েডর ধাঁধা যেভাবে মিলিয়ে দিল, এই ব্রাজিলের মানসিক শ​ক্তি বেশ ধারালো। কস্তাও বললেন, ‘আমরা নিজেদের ফিরে পেয়েছি।’
অলিম্পিকে অবশ্য চোটের কারণে খেলতে পারেননি কস্তা। যে কয়টি কারণে ব্রাজিল সত্যি সত্যি ২০১৮-তে কাঁপিয়ে দিতে পারে, তাঁর একটি কারণ হতে পারেন কস্তা নিজেই। যদিও বিশ্বকাপ এখন দূর হনুস্ত see more 


Info : prothom-alo

Saturday, September 3, 2016

আকরামের একমাত্র আক্ষেপ

খেলোয়াড়ি জীবনে পেয়েছেন প্রায় সবকিছুই। বল হাতে আগুনে গোলা ছুড়েছেন, হয়ে উঠেছেন সর্বকালের সেরা বাঁ হাতি ফাস্ট বোলারদের একজন। দেশের হয়ে স্বাদ নিয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ের। কিন্তু সেই ওয়াসিম আকরামের আছে ‘না পাওয়ার’ এক আক্ষেপ! কী সেটা? ক্যারিয়ারে এত কিছু করেছেন, কিন্তু লর্ডসের ‘অনার্স বোর্ডে’ নাম তুলতে পারেননি যে!
এই আক্ষেপটা এখনো রয়ে গেছে আকরামের মনে। টেস্ট ক্যারিয়ারে ৫ উইকেট আছে ২৫ বার, কিন্তু তার একটিও লর্ডসে নয়। এমসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাই কিংবদন্তি এ পাকিস্তানি পেসার বলেছেন, ‘এটাই আমার খেলোয়াড়ি জীবনের একমাত্র আক্ষেপ। আমার নাম লর্ডসের সেই বিখ্যাত অনার্স বোর্ডে নেই!’
লর্ডসে চারটি টেস্ট খেলেছেন আকরাম। দুটোতে জয় পেয়েছেন, বাকি দুটোর একটিতে হেরেছেন, ড্র হয়েছে একটি টেস্ট। ১৯৯২ ও ১৯৯৬ সালে লর্ডসে পাকিস্তানের হয়ে দুটো টেস্ট জয়ের স্মৃতি আজও উজ্জ্বল আকরামের, ‘মনে আছে আমাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩৮ বা এমন কিছু। আমি আর ওয়াকার মিলে দলকে নিয়ে গিয়েছিলাম জয়ের বন্দরে। টেস্ট ক্রিকেটে আমার ২৫৭ রানের ইনিংস আছে, কিন্তু লর্ডস টেস্ট জেতার মুহূর্তটি অনন্য। ব্যাট হাতে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। আমি জয়সূচক রানটা নিয়েছিলাম, তাই হয়তো ওই মুহূর্ত আমার কাছে বিশেষ কিছু।’
১৯৯৬ সালে লর্ডসে জিতেছিলেন অধিনায়ক হিসেবেই। সেই স্মৃতি মনে করে বললেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টা অনেক বড় ব্যাপার। লর্ডসে জয়টা আরও অনেক বড় ব্যাপার। অধিনায়ক হিসেবে সেই জয়ের নেতৃত্ব দেওয়াটা সত্যিই খুব বড় অর্জন see more


Info : Prothom-alo

বোলিং নিয়েও ভাবছেন সাব্বির

মারকুটে ব্যাটসম্যান, দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার—এমন তকমা সাব্বির রহমানের গায়ে আগেই লেগে গেছে। ফিটনেসেও তিনি সবার চেয়ে এগিয়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার পর এখনো পর্যন্ত চোটের কারণে দলের বাইরে থাকতে হয়নি তাঁকে। কন্ডিশনিং ক্যাম্পে ফিটনেস পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নাম্বার পান তিনিই। ফিটনেস, ব্যাটিং, ফিল্ডিংয়ের সঙ্গে সাব্বির এখন মনোযোগ দিতে চান বোলিংয়েও।
দলে মূলত তাঁর ভূমিকা ব্যাটসম্যান হিসেবেই। তবে পরিস্থিতি বুঝে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের আটকাতে কখনো আবির্ভূত হন বোলার হিসেবেও। লেগ স্পিন বোলিংয়ে এখনো অবশ্য সাফল্য পাননি খুব বেশি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৫ ম্যাচে পেয়েছেন ১১ উইকেট, ৯৪ লিস্ট ‘এ’-তে ৪৪ উইকেট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও উজ্জ্বল নয় তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান—২৩ ওয়ানডের ১১ ইনিংসে পেয়েছেন ২ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য তুলনামূলক কিছুটা সফল। ২৬ ম্যাচের ৮ ইনিংসে বোলিং করে পেয়েছেন ৬ উইকেট।
গত জানুয়ারিতে খুলনায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দেখা গিয়েছিল সাব্বিরের বোলিং ঝলক। ১১ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট, যেটি তাঁর ক্যারিয়ারসেরা। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংও যে তাঁকে ভীষণ টানে, সেটিই কাল বললেন সাব্বির, ‘বোলিং করতে সব সময়ই আগ্রহী। ঘরোয়া ক্রিকেটে যে সংস্করণই হোক অধিনায়ককে বলি আমাকে বোলিংয়ে দাও। তবে বোলিংয়ে ছন্দে থাকার বিষয় থাকে। কয়েকটি উইকেট পেলেই ছন্দ আসবে। এর পর সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশ দল একজন লেগ স্পিনারের অভাব অনেক আগ থেকেই। সাব্বির তাই কাজে লাগাতে পারেন তাঁর লেগ স্পিনকে। তিনি অবশ্য চেষ্টা করছেন বোলার হিসেবে নিজেকে আরও ধারালো করতে, ‘কোচ সব সময়ই বলেন, ম্যাচে বোলিং করবে। মাশরাফি ভাইও বলেন, যখন সুযোগ হয় তোকে বোলিং দেওয়া হবে। যখনই সুযোগ পাই সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। বোলিং নিয়ে আমি কাজ করছি। বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে সামনে আরও ভালো করার চেষ্টা করব  see more 

Info : Prothom-alo