Monday, August 8, 2016

এসএসসি ও এইচএসসির ফলে নম্বরও দেওয়া হবে

এখন থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-এর পাশাপাশি প্রাপ্ত নম্বরও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) এক কর্মশালায় অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, ১৮ আগস্ট এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হবে। গ্রেড পদ্ধতিতে ফল দেওয়া শুরুর পর থেকেই নম্বর দেওয়া বন্ধ করা হয়েছিল। শুধু জিপিএ কত পেল, তা দেওয়া হতো। এখন শিক্ষার্থীরা জিপিএ-এর পাশাপাশি প্রাপ্ত মোট নম্বরও জানতে পারবে।
পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রথম আলোকে বলেন, নম্বরপত্রে শুধু বিষয়ভিত্তিক নম্বর দেওয়া থাকলেও অনলাইনে একজন শিক্ষার্থী সৃজনশীল, বহু নির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে কত নম্বর পেল, তাও আলাদাভাবে ​দেওয়া হবে। অনলাইনে শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীই আলাদা নম্বর জানতে পারবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মো. ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি পদ্ধতির ওপর আয়োজিত আজকের এই কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন। কর্মশালায় ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
http://www.prothom-alo.com

অল্প হলেও প্রতিদিন পড়া

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ ইউনিটের পরীক্ষায় তৃতীয় হয়েছিলেন রাদ সারার হুমায়ূন। এ বছর যাঁরা গ ইউনিটে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য রইল রাদের ১০টি পরামর্শ
গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
১. ইংরেজিটাই বড় চ্যালেঞ্জ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য আসলে সব বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। তবে গ ইউনিটের পরীক্ষায় ইংরেজিতে পাস করা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই প্রতিদিন যা-ই পড়ি না কেন, ইংরেজিটা চর্চার মধ্যে থাকতেই হবে।
২. ইংরেজি বই, চলচ্চিত্র: প্রতিদিন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা ইংরেজি চর্চা করতে হবে। পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে গেলে ইংরেজি বই পড়তে পারো, ইংরেজি সিনেমা দেখতে পারো কিংবা ইংরেজি পত্রিকা পড়ার অভ্যাসও করা যেতে পারে। এতে যেমন পড়ার একঘেয়েমি কিছুটা কাটবে, তেমনি পরীক্ষার প্রস্তুতিও হবে।
৩. অল্প পড়া, প্রতিদিন পড়া: যে বিষয়গুলো কঠিন মনে হয়, সেগুলো একবারে অনেকখানি না পড়ে প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়তে পারো। প্রতিদিন নতুন কয়েকটা ইংরেজি শব্দ শিখতে পারো। যাদের ইংরেজি ‘প্রিপোজিশন’ নিয়ে দুর্বলতা আছে, প্রতিদিন একটু একটু করে শিখতে পারো।
৪. দৈনিক অনুশীলন: ইংরেজি ব্যাকরণ, প্যাসেজ বা এই ধরনের বিষয়গুলো ভালো নম্বর নির্ভর করে একজন পরীক্ষার্থীর দৈনিক অনুশীলনের ওপর। পড়ার সময় নম্বরের কথা ভুলে গিয়ে শেখার ইচ্ছা নিয়ে পড়তে হবে। লক্ষ্যটা হবে—আমি ইংরেজির খুঁটিনাটি জানব, বুঝব।
৫. বাংলার জন্য করণীয়: বাংলায় ভালো প্রস্তুতির জন্য উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বাংলা প্রথম পত্র বই এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের মুনীর চৌধুরীর লেখা ব্যাকরণ বইটা খুব গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে।
৬. মৌলিক ধারণা পরিষ্কার হতে হবে: হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা, ফিন্যান্স, মার্কেটিং—যার যেই বিষয় উচ্চমাধ্যমিকে ছিল, সেই বিষয়গুলোর সম্পর্কে মৌলিক ধারণা খুব পরিষ্কার থাকতে হবে। সে জন্য বাজারের যেকোনো ভালো বই অনুসরণ করলেই উপকার পাবে।
. পত্রিকা পড়তে হবে: সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে অনেকগুলো প্রশ্ন আসে ব্যবস্থাপনা (ম্যানেজমেন্ট) পরীক্ষায়। তাই এ বিষয়ে ভালো করতে হলে নিয়মিত পত্রিকা পড়তে হবে। বিশ্বের কোথায় কী হচ্ছে, সে সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে হবে।
.হিসাববিজ্ঞানে ‘থিওরি’ও গুরুত্বপূর্ণ: হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষায় মূল থিওরি থেকে সাধারণত প্রায় ১৬-১৭টা প্রশ্ন আসে। তাই ধারণামূলক বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে পড়তে হবে। এ ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকের সময় পড়া থিওরিগুলো বারবার পড়লেই কাজে আসবে।
৯. ফেসবুক, মোবাইল বা টিভি দূরে থাকুক: নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ফেসবুক, মোবাইল বা টিভি এই সময়টাতে পড়ার মনোযোগ নষ্ট করে। তাই কিছুদিন অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে সরে বরং তোমার লক্ষ্যে অবিচল থাকো।
১০. ইংরেজি উত্তরও জানতে হবে: ফিন্যান্স পড়ার সময় অনেক শিক্ষার্থী বাংলায় প্রশ্নগুলো পড়েন ও পরীক্ষার সময় ইংরেজিতে ‘অপশন’ দেওয়া থাকলে দ্বিধায় পড়ে যান। তাই ফিন্যান্সের মডেল টেস্টগুলো দেওয়ার সময় একটি প্রশ্নের ইংরেজি উত্তর কী হবে, তা-ও জেনে নিতে হবে।
http://www.prothom-alo.com

আপনার শিশু কিছু খেতে চায় না?

শিশুটি খেলাধুলা, ছোটাছুটি সবই করে, আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ। কিন্তু একদম খায় না বললেই চলে, সারা দিনে পছন্দের একটা বা দুটো আইটেম-ই শুধু খেতে চায়। খাবারে বড্ড বেশি বাছবিচার। মায়ের অবস্থা কাহিল। এ ধরনের শিশুকে বলা হয় ‘পিকি ইটার’।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব শিশুর মা-বাবা অতি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। শিশু স্বাভাবিক খাবার খায় না কিন্তু ক্রেকারস, চিপস, চুইংগাম, চিকেন ফ্রাই, চকলেট—এসবে বেশ আসক্তি আছে। কিন্তু দৈনন্দিন ভাত-তরকারি দেখলেই পালিয়ে বেড়ায়। এসব বাচ্চা মা-বাবার একমাত্র বা দ্বিতীয় সন্তান হয়ে থাকে। আজকের যুগে এ রকম শিশুর সংখ্যা কম নয়।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের শিশুর বয়স এক থেকে তিন বছরের মধ্যে বা কিছু বেশি, মা-বাবার একমাত্র সন্তান বা দ্বিতীয় সন্তান, গত ২৪ ঘণ্টায় সে বেশ তৎপর ছিল। তার ঘুম স্বাভাবিক, অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতার চিহ্ন নেই। শিশুর বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক বিকাশ হচ্ছে। হৃৎস্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাস, রক্তচাপ, তাপমাত্রা স্বাভাবিক। গ্রোথ চার্ট মিলিয়ে তার ওজন, উচ্চতা, মাথার বেড়, উচ্চতা ও ওজনের ভারসাম্য সূচক বিএমআই মানও স্বাভাবিক। শিশুর রক্তশূন্যতা বা পানিস্বল্পতা নেই। এর অর্থ হলো শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ-স্বাভাবিক; তার বৃদ্ধি ও বিকাশ যথাযথ আছে কিন্তু তারপরও মা-বাবার অভিযোগ, বাচ্চা একদম খায় না। এখন কী করা!
* মাকে শিশুর খাবার ও খাওয়ানোর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হবে
* শিশুকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই
* প্রতিটি শক্ত খাবার শিশুর জন্য নতুন। তাই তার রং, গঠন, স্বাদ এসব বুঝতে তাকে সময় দিতে হবে
* ঘরে তৈরি পারিবারিক খাবার পছন্দ অনুযায়ী খেতে দিন, উৎসাহ দিন, একসঙ্গে সবার সঙ্গে খেতে দিন। যখন-তখন চিপস, জুস, ড্রিংকস এসব খেয়ে পেট ভরিয়ে ফেলার সুযোগ দেবেন না
* ওর পছন্দ বুঝতে চেষ্টা করুন। কোনো শিশু হয়তো মিষ্টি খাবার পছন্দ করে, কেউ নোনতা। রুচি অনুযায়ী খাবার প্রস্তুত করুন।
বিভাগীয় প্রধান, শিশুরোগ বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
http://www.prothom-alo.com

জেট ডটকম কিনছে ওয়ালমার্ট

৩০০ কোটি মার্কিন ডলারে জেট ডটকমকে কিনে নিচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম রিটেইলার প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট। জেট ডটকম হচ্ছে অনলাইন রিটেইলার প্রতিষ্ঠান। দুই বছর আগে যাত্রা শুরু করে জেট ডটকম। জেট ও ওয়ালমার্টের মধ্যে এই চুক্তিটি হচ্ছে ই-কমার্স খাতে সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণ করার ঘটনা। প্রতিষ্ঠান দুটির ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ওয়ালমার্টের ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, জেট ডটকমের প্রধান নির্বাহী মার্ক লোর জেট ডটকমের দায়িত্বে থাকবেন। এর পাশাপাশি ওয়ালমার্টের ই-কমার্স দেখার ভারও পড়বে তাঁর ওপর। তথ্যসূত্র: ব্লুমবার্গ।
http://www.prothom-alo.com

সিসমিক সেন্সর হ্যাক করা যায়

ভূতাত্ত্বিক তথ্য নিরীক্ষণকারী হাজারো সিসমিক সেন্সর সাইবার আক্রমণের শিকার হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই সেন্সর যেভাবে তথ্য স্থানান্তর করে, তার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা খুবই দুর্বল। যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক হ্যাকার সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
গবেষকেরা দাবি করছেন, সিসমিক সেন্সরগুলোকে বোকা বানানো সহজ। এতে ভুল তথ্য দেখাতে পারে। গবেষণায় প্রাপ্ত ফল যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার ইমারজেন্সি অর্গানাইজেশনকে দেওয়া হয়েছেন। এ প্রতিষ্ঠানটি দেশটির জাতীয় অবকাঠামোর বিষয়গুলো দেখে।
সিসমিক সেন্সরের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ন্যানোমেট্রিকস গবেষকের খোঁজ পাওয়ার দুর্বলতাগুলো খতিয়ে দেখছে। কোস্টারিকা-ভিত্তিক এক নিরাপত্তা গবেষক বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আমরা আগে কোনো গবেষণা দেখিনি।’
http://www.prothom-alo.com

ক্রেডিট কার্ডের বিকল্প

প্লাস্টিক ক্রেডিট কার্ডকে বিদায় দেওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়েছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা। ম্যাকডোনাল্ডের মতো প্রতিষ্ঠান ফিঙ্গার-স্ক্যানিং পেমেন্টপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করছে। এ প্রযুক্তির নাম ফিঙ্গো পে। এটি তৈরি করেছে ব্রিটিশ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান স্টালার।
এ পদ্ধতিতে একটি বায়োমেট্রিক রিডারের মাধ্যমে ক্রেতার আঙুলের শিরা স্ক্যান করা হয়। এতে ক্রেতার শিরার একটি মানচিত্র তৈরি হয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এই মানচিত্র অনন্য।
প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা বলছেন, মানুষের আঙুলের শিরার এই ধরন ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করা হলে ছোট একটি স্ক্যানারে আঙুল রেখেই লেনদেন করা যাবে। নগদ অর্থ বা ক্রেডিট কার্ড বহনের ঝামেলা থাকবে না।
স্টালার প্রতিষ্ঠা করেছেন নিক ড্রাইডেন নামের একজন উদ্যোক্তা। শিগগিরই লন্ডনের একটি নাইট ক্লাবে এ প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হবে। এটি পাসওয়ার্ড বা পিনের চেয়ে নিরাপদ হবে বলে মনে করছেন তিনি।
ফিঙ্গো পে নিয়ে ভিসা ইউরোপের উদ্ভাবনী সহযোগী প্রতিষ্ঠান কোলাবের পরিচালক হেনড্রিক ক্লেইনসমিড বলেন, মানুষ নিরাপদ অথেনটিকেশন পদ্ধতি হিসেবে বায়োমেট্রিক গ্রহণ করতে প্রস্তুত।
স্টালারের দাবি, বিশ্বে ৩৪০ কোটি মানুষের মধ্যে একই রকম আঙুলের শিরার গঠন হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র দুজনের। এই শিরা স্ক্যানারটি তৈরি করছে হিটাচি। বর্তমানে এটি জাপানে ক্যাশ মেশিনে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে রিটেইল ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের অনুমতি কেবল স্টালারের। তথ্যসূত্র: টেলিগ্রাফ।
http://www.prothom-alo.com

ওয়ালটনের নিরাপত্তা ফিচারযুক্ত স্মার্টফোন

ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরযুক্ত ‘জেডএক্স ২ লাইট’ নামের একটি স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। তাদের দাবি, ফোনটির নিরাপত্তা ফিচার হিসেবে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে।

ওয়ালটনের ‘জেডএক্স ২’ স্মার্টফোনটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেই মডেলেরই উন্নত সংস্করণ ‘জেডএক্স ২ লাইট’ স্মার্টফোনটি। ফোনটিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের মধ্যে রয়েছে ৫০২০ এমএএইচ ব্যাটারি।

ধাতব কাঠামোর ফোনটিকে ফ্যাবলেটও বলা যায়। কারণ, এর স্ক্রিনের মাপ ৬ ইঞ্চি। ১৯২০ বাই ১০৮০ পিক্সেলের ডিসপ্লে রেজল্যুশনের ফোনটি মাল্টি ফিঙ্গার-টাচ সমর্থন করে। অর্থাৎ, একসঙ্গে স্ক্রিনে ১০টি আঙুল চালিয়ে কমান্ড দেওয়া যায়। স্ক্রিনের সুরক্ষার জন্য রয়েছে চতুর্থ প্রজন্মের গরিলা গ্লাস।

জেডএক্স ২ লাইট স্মার্টফোনে রয়েছে মিডিয়াটেকের ১ দশমিক ৩ গিগাহার্টজ অক্টা-কোর ৬৪-বিট প্রসেসর। এর র‍্যাম ৩ জিবি। ইন্টারনাল মেমোরি রয়েছে ৬৪ জিবি। ফোনটির অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫ দশমিক ১ সংস্করণ।

ফোনটির পেছনে ১৬ ও সামনে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য ক্যামেরাটিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মোড।

ওয়ালটনের প্রথম যেসব ফোনের ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট ব্যবহার করা হয়েছে, জেডএক্স ২ লাইট তার মধ্যে একটি। এর ফলে চার্জ হবে দ্রুত।

স্মার্টফোনটির দাম ২৭ হাজার ৯০০ টাকা।
http://www.prothom-alo.com