Thursday, December 15, 2016

পাঠকের উকিল

জীবনে চলতে-ফিরতে যেসব আইনি জটিলতায়পড়তে হয়, পাঠকের উকিল বিভাগে তারই সমাধান পাওয়া যাবে। এ বিভাগে আইনি সমস্যার সমাধান দেবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ মাহতাব। স্পষ্ট করে নিজের সমস্যা লিখে পাঠান। প্রয়োজনীয় কাগজের অনুলিপি দিন।খামের ওপর লিখুন: পাঠকের উকিল, নকশা, দৈনিক প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। এ ছাড়া naksha@prothom-alo.info এই ঠিকানায়ই-মেইল করেও সমস্যার কথা জানাতে পারেন।
 আমার বয়স ৩০, অবিবাহিত। তিন বছর আগে বিবাহিত এক মুসলিম নারীর সঙ্গে আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল। নিজের ভুল বুঝতে পেরে আমি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে অন্যত্র বদলি হই। কিছুদিন পর ওই নারী মোবাইল ফোনে জানায় যে তার একটি ছেলেসন্তান হয়েছে এবং সেটি আমারই, তার স্বামীর নয়। সন্তান জন্মের পর তার ডিভোর্স হয়ে গেছে নিজের ইচ্ছাতেই। এরপর সে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা নিত। বর্তমানে তার ব্ল্যাকমেলে আমি অতিষ্ঠ। আমার প্রশ্ন হলো, পরীক্ষার মাধ্যমে ওই সন্তান যদি আমার বলে প্রমাণিত হয়, সে ক্ষেত্রে আমি আইনের আশ্রয় নিলে কি বিচার হবে? ওই সন্তান ভবিষ্যতে আমার সম্পত্তির অংশীদার হবে কি?
উল্লেখ্য, আমি তার সঙ্গে আর কখনো দেখা করিনি, সে মোবাইলে টাকাপয়সা নিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
 বিবাহিত থাকার সময় যদি একজন স্ত্রীর সন্তান হয় সে ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে ধরে নেওয়া হবে, সেই শিশুটির পিতা তার স্বামী। বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে কোনো শিশুর জন্ম হলে সেই সন্তানটি অবৈধ সন্তান হবে এবং আপনার সম্পত্তিতে তার কোনো অধিকার বর্তাবে না।
 আমার বিয়ে হয়েছে দুই বছর সাত মাস। স্বামী লন্ডনে থাকেন। তাঁর সঙ্গে আমার ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর এখনো তাঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। গত এক বছরে তিনি আমার ভরণপোষণ দেননি। আমি এখন তাঁকে ডিভোর্স দিতে চাই। কীভাবে আমি তাঁকে ডিভোর্স দেব?
নসরাত মারজিয়া
 আপনার বিয়ের কাবিননামায় তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া থাকলে আপনি নির্ধারিত কাজির মাধ্যমে তালাক দিতে পারেন। এ ধরনের তালাক সাধারণত তিন মাস পর কার্যকর হয়।
 আমার দুলাভাই পাটের একজন আড়তদার। তাঁর আড়তে একজন পাট বিক্রি করতে এলে শ্রমিকের
আজমল হোসেন
 মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে, তা চিঠির ভাষায় পরিষ্কার নয়। আপনার দুলাভাই আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা করতে পারেন। জামিন নামঞ্জুর হলে উচ্চতর আদালতে যাওয়া যাবে। একজন বিচক্ষণ ফৌজদারি উকিলের মাধ্যমে আপনাদের মামলাটি পরিচালনা করা প্রয়োজন।
সঙ্গে মারামারি হয়। লোকটি পরের দিন বাড়িতে গিয়ে মারা যান। পরে তাঁরা দুলাভাইয়ের নামে হত্যা মামলা করেন, অথচ তিনি ছিলেন আড়তের ভেতরে। এখন দুলাভাই হাজতে আছেন। কী করতে পারি?
 আমরা দুই বোন ও এক ভাই। আমি শুনেছি মৃত পিতার বসতবাড়ির সম্পত্তিতে মেয়েদের কোনো অধিকার থাকে না। এটা কি সত্য?
তানিয়া শারমীন
 মুসলিম আইনে নারীরা যেকোনো সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। সুতরাং মৃত পিতার বসতবাড়িতে আপনাদের অধিকার আছে। আপনার মা জীবিত থাকলে আপনার মৃত বাবার সম্পত্তিতে তিনি আট ভাগের এক ভাগের অংশীদার হবেন। বাকি সম্পত্তিতে আপনারা দুই বোন এক ভাইয়ের সমান অংশ পাবেন।
অর্থাৎ আপনি আপনার ভাইয়ের প্রাপ্য অংশের অর্ধেক পাবেন see more 

Info : Protho4m-alo

শীতে চোখ ভালো রাখবেন যেভাবে

শীতের সময় ত্বক আর চুলের যত্নে অনেকেই তৎপর থাকেন। শীতের সময় ত্বক আর চুলের পাশাপাশি চোখের জন্য বাড়তি যত্ন নেওয়া দরকার। শীতের সময় চোখের পুরোপুরি যত্ন না নিলে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হয়। শীতে চোখের বাড়তি যত্ন হিসেবে যা করবেন:

চশমা ব্যবহার করুন: যখন বাইরে যাবেন, অবশ্যই চোখে চশমা ব্যবহার করুন। এ সময় বাতাসে ধূলিকণা বেশি থাকে। সরাসরি সূর্যের আলো যাতে চোখে না পড়ে, এ জন্য পুরো চোখ ঢেকে থাকে—এমন ফ্রেমের চশমা ব্যবহার করতে পারেন।

শরীর আর্দ্র রাখুন: শীতের সময় শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর তরলজাতীয় খাবার খান। শুধু পানি পানের পরিবর্তে গরম গরম স্যুপ খান, যা শরীর উষ্ণ ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে। এতে চোখের শুষ্কভাব কমবে।
ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার খান: ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ বেশি করে খান। এতে চোখে অশ্রু বেশি তৈরি হবে এবং চোখ শুষ্ক হবে না।

ফুলকপি: চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

মিষ্টিকুমড়া: প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ বলা যেতে পারে মিষ্টিকুমড়াকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত খাদ্যতালিকায় মিষ্টিকুমড়া রাখলে কেবল চোখ ও ত্বক সুস্থ থাকে না, এড়ানো যায় অনেক অসুখ-বিসুখ।

চোখের ব্যায়াম:
চোখের উপযোগী ব্যায়াম নিয়মিত করা উচিত। মাথা সোজা রেখে চোখ হাতের ডান থেকে বাঁয়ে ও বাঁ থেকে ডানে ১০ বার ঘোরাতে হবে। প্রতিদিন সম্ভব না হলে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন করা যেতে পারে।

চোখের ক্লান্তি দূর: চোখের ক্লান্তি দূর করতে প্রকৃতির সবুজ রঙের জুড়ি নেই। একটু সময় পেলে সবুজে ঘেরা কোথাও থেকে ঘুরে আসুন। মনও ভালো থাকবে, চোখও আরাম পাবে see more 

Info : Prothom-alo

সরষের যত সরেস গুণ!

সরষে কি শুধু তেলের জন্যই? না, এই রবিশস্যের মেলা গুণ। সরষের ফুল থেকে শস্য বীজ পর্যন্ত সবই খাওয়া হয়। শীত মৌসুমে অনেক বাড়িতেই সরষে শাকের বেশ কদর রয়েছে। সরষে ফুল দিয়ে উপাদেয় বড়া হয়। আর দানা? এর গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। এক সরষে-ইলিশের কথা মনে পড়লেই তো জিবটা বড় উতলা হয়ে ওঠে। এখন জানা যাক সরষের কিছু সরস গুণের কথা:

জ্বর সারাতে: সরষের মধ্যে আছে সেলেনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। হাঁপানি, ঠান্ডা জ্বর, সর্দি, কফ, কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দিতে পারে সরষে।

হজমশক্তি বাড়ায়: সরিষায় আছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ফলিক অ্যাসিড, নিয়াসিন ও থায়ামিন, যা শরীরে মেটাবলিজমের পরিমাণ বাড়িয়ে হজমে শক্তি জোগায়।

ওজন কমাতে: সরিষা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
কোলেস্টেরল কমায়: কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ করে: সরিষার ক্যারোটিন, ফ্লেভোনয়েড অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, সি ও কে বয়সের ছাপ দূর করে এবং অন্ত্রের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর।
বাত দূর করে: বাতরোগ ও হাড়ের জোড়ায় ব্যথা উপশমে আক্রান্ত স্থানে সরষে বাটা বা তেল মালিশ করলে আরাম পাওয়া যাবে।
খুশকি দূর করে: সপ্তাহে এক দিন চুলে কুসুম-কুসুম গরম সরিষার তেল মালিশ করলে মস্তিষ্ক শিথিল হয়, খুশকি দূর হয় ও চুল দ্রুত বাড়ে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সরিষা কাজে লাগে।
চর্মরোগ দূর করে: সরিষা দানায় রয়েছে সালফার, ফাইবার, বিভিন্ন ছত্রাকনাশক ও জীবাণুনাশক উপাদান, যা চর্মরোগ প্রতিরোধ করে।
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: সরিষায় বিদ্যমান মিনারেল যেমন লোহা, ম্যাংগানিজ, কপার, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ক্যালসিয়াম, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তথ্যসূত্র: হেলদিলিভিং ডটকম see more 

Info : Prothom-alo

১০০ কোটির বেশি ইয়াহু অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

  চুরি হওয়া তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ইমেইল রয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়াহু। ছবি: রয়টার্স২০১৩ সালেও ইয়াহু হ্যাকড হয়েছিল। এতে ১০০ কোটির বেশি ইউজার অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে ইয়াহু। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইয়াহু জানায়, ২০১৪ সালে হ্যাকাররা প্রায় ৫০ কোটি অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি করেছে। কোনো রাষ্ট্রের মদদে এ কাজ হয়েছিল বলে ইয়াহু ধারণা করে।
ইয়াহুর ভাষ্য, চুরি হওয়া তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীর নাম, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ইমেইল রয়েছে। ব্যাংক ও পেমেন্টের কোনো তথ্য চুরি হয়নি।
ইয়াহুর মালিকানা প্রতিষ্ঠান ভেরিজোন বলছে, ব্যবহারকারীর তথ্য চুরির ঘটনায় তারা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে see more 


Info : Prothom-alo.

শাস্তির ব্যাপারে ভারতীয় খেলোয়াড়দের ছাড় দেয় আইসিসি!

মোহালিতে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ঝগড়া লেগেছিল বিরাট কোহলি ও বেন স্টোকসের মধ্যে। সেখানে আইসিসির কাছ থেকে শাস্তি পেলেন স্টোকস। মুম্বাইয়ে পরের টেস্টেও হলো ঝামেলা, এবার জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হলো রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। এবারও ডিমেরিট পয়েন্ট পেলেন শুধু ইংল্যান্ড পেসারই। অশ্বিনের সঙ্গে কথা বলেছিলেন ম্যাচ রেফারি, কিন্তু কোনো শাস্তি পেতে হয়নি ভারতীয় স্পিনারকে।
এ থেকেই স্টোকসের উপলব্ধি, ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা শৃঙ্খলাজনিত ব্যাপারগুলোতে ভারতের খেলোয়াড়দের সুবিধা দিচ্ছে। সরাসরি কিছু বলেননি, তবে যে সুরে কথা বলেছেন স্টোকস, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, আইসিসির এমন ‘এক পাক্ষিক’ বিচারে মোটেও খুশি নয় ইংল্যান্ড। খেলোয়াড়ের নাম কী, কিংবা কোন দলে খেলেন—এসব বিবেচনা না করেই শৃঙ্খলাজনিত বিষয়গুলো বিচার করার জন্য বলছেন ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার।
সাংবাদিকদের স্টোকস বলেছেন, ‘এগুলো (খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি) খেলারই অংশ। এগুলোকে কেন দমিয়ে রাখতে চায়, সেটিরই কোনো কারণ খুঁজে পাই না। কিন্তু তা যদি করতেই হয়, তবে সবার জন্য নিয়মটা একই হওয়া উচিত। কিছু নির্দিষ্ট মানুষকে নির্দিষ্ট ব্যাপারে ছেড়ে দেবেন, অন্যদের দেবেন না, এটা হতে পারে না। যদি কোনো একজনের বিচার করেন, অন্যজনেরও করতে হবে। তা তিনি যে-ই হোন, বা যে দলেই খেলেন না কেন।’
কথা শুনে মনে হতে পারে, স্টোকসের ইঙ্গিতটা কোহলি ও অশ্বিনের শাস্তি না পাওয়ার দিকে। ইংলিশ অলরাউন্ডারকে জিজ্ঞেসও করেছিলেন সাংবাদিকেরা, কোহলি ও অশ্বিনের ম্যাচ রেফারিরা আগলে রাখছেন কি না। স্টোকস অবশ্য কারও নাম নেননি, ‘আমি জানি না (ম্যাচ রেফারি কোহলিদের আগলে রাখছেন কি না), অত ভাবিও না এসব নিয়ে। তবে যিনিই শৃঙ্খলাজনিত বিষয়গুলো দেখাশোনা করেন, তাঁর উচিত হবে সবার জন্য একই বিচার করা।’
তবে আইসিসিকে বাঁকা কথা শোনালেও কোহলির প্রতি ব্যক্তিগতভাবে স্টোকসের কোনো রাগ নেই। ভারত অধিনায়ককে যথেষ্ট সম্মান করেন তিনি। এ-ও জানালেন, দুজনের যেমন আবেগ, তাতে মাঠে এমন কথা-কাটাকাটিও আরও হতে পারে, ‘আমরা দুজনই অনেক প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের, আবেগের প্রকাশও অনেক বেশি করি। এটাই সম্ভবত শেষবার নয়, এমন কিছুতে আরও জড়িয়ে পড়তে পারি আমরা। তবে ব্যক্তিগতভাবে কোনো রাগ নেই। ও সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। এটা আপনাকে মেনে নিতেই হবে, খেলোয়াড় হিসেবেও ওকে অনেক সম্মান করতে হবে see more 

Info : Prothom-alo

Tuesday, December 13, 2016

সিডনির নেটে মোস্তাফিজের গা গরম

কাঁধের অস্ত্রোপচার থেকে সেরে ওঠার পর দেশেই বোলিং শুরু করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের অধীনে চলেছে তাঁর পুনর্বাসন। নিউজিল্যান্ড সফরকে পাখির চোখ বানিয়ে নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে গেছেন অনেক দিন ধরেই। নিউজিল্যান্ড সফরের দলে সুযোগ পেয়ে তাই সামর্থ্যের পুরোটাই ঢেলে দেওয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশের ‘কাটার মাস্টার’।
নিউজিল্যান্ড সফরের আগে বাংলাদেশ দল এখন অস্ট্রেলিয়ায় কন্ডিশনিং ক্যাম্পে। সিডনির ব্ল্যাকটাউন ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস পার্কে গোটা দলের সঙ্গে ঘাম ঝরিয়েছেন মোস্তাফিজ। নেটে টানা কয়েক ওভার বল করে নিজের সামর্থ্যে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন ভালোভাবেই। দেশে থাকতেই ৯০শতাংশ ফিটনেস ফিরে পেয়েছিলেন। সিডনিতে নিজের ফিটনেস একটু পরখ করে নিচ্ছেন আর কি!
আইপিএলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ইংল্যান্ডে সাসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন সীমিত ওভারের ক্রিকেট। সেখানেই কাঁধে চোট পেয়ে অস্ত্রোপচার করাতে হয় তাঁকে। এর পর থেকেই ক্রিকেটের বাইরে তিনি। ঘরের মাঠে আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে দর্শক হয়ে ছিলেন। দর্শক হয়ে ছিলেন সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও (বিপিএল)। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে পুরোপুরি ফিট হয়েই মাঠে নামতে চান তিনি।
গত মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলকাতায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ বোলিং করেছিলেন মোস্তাফিজ। ২২ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। যদিও ব্যাটিং ব্যর্থতায় সে ম্যাচে বড় হারের লজ্জাই পেতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। দলের ইনিংস গুটিয়ে গিয়েছিল এক শর নিচে। এবারের নিউজিল্যান্ড সফরে তাই কলকাতার সেই স্পেল থেকেই শুরু করতে চান মোস্তাফিজ see more

Info : Prothom-alo

অবশেষে মেসির কোলে ‘প্লাস্টিক মেসি’

অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হলো মুর্তাজা আহমাদির, প্লাস্টিক মেসি নামে সারা বিশ্বে পরিচিতি ছড়িয়ে গিয়েছিল যাঁর। একেবারে সোজা লিওনেল মেসির কোলে গিয়ে উঠল এই শিশু। প্রীতি ম্যাচ খেলতে বার্সেলোনা এখন এসেছে কাতারের দোহা​য়। সেখানেই আহমাদিকে কোলে টেনে নিয়েছেন বার্সেলোনার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। গত জানুয়ারিতে আর্জেন্টিনার জার্সির আদলে প্লাস্টিকের ব্যাগ কেটে বানানো মেসির জার্সি পরে খেলছিল আহমাদি। তার এই ছবিটা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্বে। আফগানিস্তানের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিশু আহমাদি। জীবন বাঁচাতে যে মা-বাবার সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে। আসল জার্সি কেনার সামর্থ্য নেই বলে পলিথিনের ব্যাগ দিয়ে তৈরি করে নিয়েছিল মেসির জার্সি। এই ভালোবাসা দেখে আবেগে ভেসেছে সবাই। মেসিও।
মেসি নিজে শিশুটিকে ডেকে নিতে চেয়েছিলেন বার্সেলোনায়। ভিসা-জটিলতার কারণে তখন তা সম্ভব হয়নি। পরে ইউনিসেফ আফগানিস্তানের মাধ্যমে মেসি দুটি জার্সি ও কিছু ফুটবল উপহার পাঠান।
এবার বার্সেলোনা দোহায় এসেছে প্রীতি সফরে। এই সুযোগে আহমাদিকেও সেখানে ডেকে নেওয়া হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, আজ আল আহলির বিপক্ষে যখন মাঠে নামবে বার্সেলোনা; মেসি আহমাদিকেও সঙ্গে নিয়ে নামবেন see more

Info : Prothom-alo

নারীরা কেন মাইগ্রেনে বেশি ভোগেন?

পুরুষের তুলনায় নারীদের মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথার সমস্যা প্রায় চারগুণ বেশি। বিশেষজ্ঞরা এর নানা কারণ পেয়েছেন। তবে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল সম্প্রতি একটি উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে। সেটা হলো, যেসব নারী মাইগ্রেনে ভুগছেন, পরবর্তী সময় তাঁদের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেশি।
মাসের বিভিন্ন সময় নারীদের রক্তে নানা হরমোনের ওঠানামা মাইগ্রেনের জন্য কিছুটা দায়ী। গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, মাসিক হওয়ার প্রথম দুই দিন মাইগ্রেনে ভোগার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ৫০ শতাংশ মাইগ্রেন হয় মাসিকের সময় বা ঠিক আগে। তখন রক্তে ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন হরমোনের হঠাৎ নিম্নগামিতা এ জন্য দায়ী। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে মাইগ্রেন বাড়ে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক আছে। মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তির পর মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকটাই কমে যায়। এ রকম ঘটে সাধারণত ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীদের। এ ছাড়া যেসব কারণকে দায়ী করা হয়, সেগুলো হলো: মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, কোনো একবেলার খাবার বাদ দেওয়া, হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন, অতিরিক্ত কফি ইত্যাদি। কিছু খাবারও এর জন্য দায়ী, যেমন: ফাস্ট ফুড, কৃত্রিম চিনি, টাইরামিন সমৃদ্ধ খাবার ইত্যাদি।
মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে আগে দায়ী কারণগুলো বের করুন। মাথাব্যথার দিনগুলো ক্যালেন্ডারে দাগ দিন, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় কী খেয়েছেন, কী করছেন, ভেবে দেখুন, মাসিকের দিনগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। দিনের ঠিক কোন সময়টায় ব্যথা শুরু হয়েছিল, মনে করে দেখুন। কারণগুলোকে এড়িয়ে চলতে শিখুন। ভালো ঘুম ও নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস রপ্ত করুন। সচল থাকুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন। অ্যালকোহল, কফি, চকলেট, ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা  see more 


Info : Prothom-alo

রসে রসে খান খেজুরের রস

কুয়াশা-ঢাকা শীতের সকালে টাটকা এক গ্লাস খেজুরের রসের তুলনা হয় না। এই মধুবৃক্ষ থেকে আহৃত রস কাঁচা ও জ্বাল দিয়ে খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এ রস দিয়ে তৈরি গুড় ও পাটালিরও তুলনা নেই। শীতের পিঠা-পায়েসের একটি উপাদেয় উপাদান খেজুরের রস। এই রসে তৈরি দানা, ঝোলা ও নলেন গুড়ের স্বাদ ও ঘ্রাণই আলাদা।

খেজুরের রস প্রচুর খনিজ ও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। এতে ১৫-২০% দ্রবীভূত শর্করা থাকে, যা থেকে গুড় ও সিরাপ উৎপাদন করা হয়। খেজুরের গুড় আখের গুড় থেকেও বেশি মিষ্টি, পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। ঘ্রাণ ও স্বাদের জন্য এ গুড়ের রয়েছে বিশেষ চাহিদা। খেজুরের গুড়ে আখের গুড়ের চেয়ে বেশি প্রোটিন, ফ্যাট ও মিনারেল রয়েছে। সকালের নাশতায় খেজুর রসের সিরাপ দিয়ে রুটি খেলেই বেশি তৃপ্তি পাওয়া সম্ভব।

খেজুরের রস কেন খাবেন: বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান (খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগ) শামসুন্নাহার নাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, খেজুরের রসে প্রচুর এনার্জি বা শক্তি রয়েছে। এতে জলীয় অংশও বেশি। এটাকে প্রাকৃতিক ‘এনার্জি ড্রিংক’ বলা যেতে পারে। এতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে। খেজুরের রস কাঁচা খাওয়া যায়, আবার জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেও খাওয়া যায়। গুড়ে আয়রন বা লৌহ বেশি থাকে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়তা করে। যাঁরা শারীরিক দুর্বলতায় ভোগেন, কাজকর্মে জোর পান না, খেজুরের রস তাঁদের জন্য দারুণ উপকারী। রস ও গুড়—দুটোই তাঁরা খেতে পারবেন।

যাঁরা খাবেন না: যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা খেজুরের রস এড়িয়ে যাবেন। এতে চিনির পরিমাণ বেশি।

কখন খাবেন, কখন খাবেন না: খেজুরের রস ভোরবেলায় খাওয়া ভালো। সারা রাত ধরে রস জমে থাকার পর সকাল সকাল এ রস খেলে উপকার পাওয়া যায়। তবে সময় যত গড়াতে থাকে, তত এতে ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়া হতে থাকে। এতে রসের স্বাদ নষ্ট হয় এবং অম্লতা বাড়ে। অন্ধকারে এই প্রক্রিয়া কম হয়, কিন্তু দিনের আলোতে গাঁজন বেশি হয়। তাই দিনের বেলা রস খাওয়া ঠিক নয়। এতে বমিসহ পেটের নানা সমস্যা হতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, খেজুরের রসে যেন কোনো পোকামাকড় মুখ না দেয়। বাদুড় বা পাখির মুখ দেওয়া রস খেলে রোগ হতে পারে।

কতটুকু রস খাবেন: একজন সুস্থ মানুষ সকালে এক থেকে দুই গ্লাস রস খেতে পারেন। সকালে খালি পেটে খেলেও সমস্যা নেই। যেহেতু এটি এনার্জি ড্রিংক, তাই শরীরে শক্তি জোগাতে পরিমাণমতো রস খাওয়া ভালো।

কীভাবে খাবেন: পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদের পরামর্শ হচ্ছে, রাতে বা সকালে রস খেতে পারেন বা রসের তৈরি বিভিন্ন খাবার খেতে পারেন। তবে রস যেহেতু খোলা অবস্থায় গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়, তাই এতে জীবাণু থাকতে পারে। এটা অস্বাস্থ্যকর। এ জন্য রস হালকা আঁচ দিয়ে বা ফুটিয়ে নিয়ে খাওয়া ভালো। এ ছাড়া রস জ্বাল দিয়ে বিভিন্ন খাবার তৈরি করে খেতে পারেন see more

Info : Prothom-alo