জীবনে চলতে-ফিরতে যেসব আইনি
জটিলতায়পড়তে হয়, পাঠকের উকিল বিভাগে তারই সমাধান পাওয়া যাবে। এ বিভাগে
আইনি সমস্যার সমাধান দেবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাহিদ
মাহতাব। স্পষ্ট করে নিজের সমস্যা লিখে পাঠান। প্রয়োজনীয় কাগজের অনুলিপি
দিন।খামের ওপর লিখুন: পাঠকের উকিল, নকশা, দৈনিক প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০
কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা। এ ছাড়া
naksha@prothom-alo.info এই ঠিকানায়ই-মেইল করেও সমস্যার কথা জানাতে পারেন।
আমার বয়স ৩০, অবিবাহিত। তিন বছর আগে বিবাহিত এক মুসলিম নারীর সঙ্গে
আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল। নিজের ভুল বুঝতে পেরে আমি দ্রুত ওই স্থান
ত্যাগ করে অন্যত্র বদলি হই। কিছুদিন পর ওই নারী মোবাইল ফোনে জানায় যে তার
একটি ছেলেসন্তান হয়েছে এবং সেটি আমারই, তার স্বামীর নয়। সন্তান জন্মের পর
তার ডিভোর্স হয়ে গেছে নিজের ইচ্ছাতেই। এরপর সে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে
আমার কাছ থেকে টাকা নিত। বর্তমানে তার ব্ল্যাকমেলে আমি অতিষ্ঠ। আমার প্রশ্ন
হলো, পরীক্ষার মাধ্যমে ওই সন্তান যদি আমার বলে প্রমাণিত হয়, সে ক্ষেত্রে
আমি আইনের আশ্রয় নিলে কি বিচার হবে? ওই সন্তান ভবিষ্যতে আমার সম্পত্তির
অংশীদার হবে কি?
উল্লেখ্য, আমি তার সঙ্গে আর কখনো দেখা করিনি, সে মোবাইলে টাকাপয়সা নিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
বিবাহিত থাকার সময় যদি একজন স্ত্রীর সন্তান হয় সে ক্ষেত্রে মুসলিম আইনে
ধরে নেওয়া হবে, সেই শিশুটির পিতা তার স্বামী। বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে
দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে কোনো শিশুর জন্ম হলে সেই সন্তানটি অবৈধ
সন্তান হবে এবং আপনার সম্পত্তিতে তার কোনো অধিকার বর্তাবে না।
আমার বিয়ে হয়েছে দুই বছর সাত মাস। স্বামী লন্ডনে থাকেন। তাঁর সঙ্গে
আমার ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর এখনো তাঁর সঙ্গে আমার দেখা
হয়নি। গত এক বছরে তিনি আমার ভরণপোষণ দেননি। আমি এখন তাঁকে ডিভোর্স দিতে
চাই। কীভাবে আমি তাঁকে ডিভোর্স দেব?
নসরাত মারজিয়া
আপনার বিয়ের কাবিননামায় তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া থাকলে আপনি নির্ধারিত
কাজির মাধ্যমে তালাক দিতে পারেন। এ ধরনের তালাক সাধারণত তিন মাস পর
কার্যকর হয়।
আমার দুলাভাই পাটের একজন আড়তদার। তাঁর আড়তে একজন পাট বিক্রি করতে
এলে শ্রমিকের
আজমল হোসেন
মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে, তা চিঠির ভাষায় পরিষ্কার নয়। আপনার দুলাভাই
আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা করতে পারেন। জামিন নামঞ্জুর হলে উচ্চতর
আদালতে যাওয়া যাবে। একজন বিচক্ষণ ফৌজদারি উকিলের মাধ্যমে আপনাদের মামলাটি
পরিচালনা করা প্রয়োজন।
সঙ্গে মারামারি হয়। লোকটি পরের দিন বাড়িতে গিয়ে মারা যান।
পরে তাঁরা দুলাভাইয়ের নামে হত্যা মামলা করেন, অথচ তিনি ছিলেন আড়তের ভেতরে।
এখন দুলাভাই হাজতে আছেন। কী করতে পারি?
আমরা দুই বোন ও এক ভাই। আমি শুনেছি মৃত পিতার বসতবাড়ির সম্পত্তিতে মেয়েদের কোনো অধিকার থাকে না। এটা কি সত্য?
তানিয়া শারমীন
মুসলিম আইনে নারীরা যেকোনো সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। সুতরাং মৃত
পিতার বসতবাড়িতে আপনাদের অধিকার আছে। আপনার মা জীবিত থাকলে আপনার মৃত
বাবার সম্পত্তিতে তিনি আট ভাগের এক ভাগের অংশীদার হবেন। বাকি সম্পত্তিতে
আপনারা দুই বোন এক ভাইয়ের সমান অংশ পাবেন।
অর্থাৎ আপনি আপনার ভাইয়ের প্রাপ্য অংশের অর্ধেক পাবেন
see more
Info : Protho4m-alo